ঢাকা , বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
যুক্তরাষ্ট্রকে পেছনে ফেলে, বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সুপারকম্পিউটার এখন চীনের হাতে মিসাইল না থাকলে গাজার মতো ধ্বংসস্তূপে পরিণত হতো ইরান: ইরানের প্রেসিডেন্ট নকল পেলে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে আইনের আওতায় আনা হবে: শিক্ষামন্ত্রী স্কটল্যান্ডকে হারালে আরেক বিপদ ব্রাজিলের! শি জিনপিং-তারেক রহমান বৈঠকের অপেক্ষা, আলোচনায় তিস্তা মহাপরিকল্পনা যমজ কন্যা সন্তান হওয়ায় তালাক, থানায় ফের বিয়ে কিছু দেশের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র থাকবে কিন্তু ইরানের থাকবে না, এটা হতে পারে না: শেহবাজ ইরান রাষ্ট্র হিসেবে এগিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলে বড় ধরনের অর্থনৈতিক সুযোগ পাবে: রুবিও বিপৎসীমার ওপরে তিস্তার পানি, খুলে দেওয়া হয়েছে সব জলকপাট মসজিদে ঝুলন্ত অবস্থায় ইমামের মরদেহ উদ্ধার, রুমে মিলল চিরকুট

শি জিনপিং-তারেক রহমান বৈঠকের অপেক্ষা, আলোচনায় তিস্তা মহাপরিকল্পনা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৩৩:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

এবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো চীন সফরে গিয়েছেন তারেক রহমান। সফরে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। দুই নেতার এই বৈঠকে ঢাকাবেইজিং সম্পর্কে নতুন মাত্রা যোগ হতে পারে, খুলতে পারে নতুন সম্ভাবনার দ্বার। ফলে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে, রাজনীতিবিদ ও কূটনীতিক সবাই এই বৈঠকের অপেক্ষায় রয়েছেন। বুধবার (২৪ জুন) সকালে ১৭তম বার্ষিকসামার দাভোসেরউদ্বোধন অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর দুপুরে ট্রেনে করে বেইজিংয়ের পথ ধরবেন।

আগামী ২৬ জুন শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৈঠকের কথা রয়েছে। বৈঠকে দ্বিপক্ষীয়, আঞ্চলিক এবং বৈশ্বিক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে বলে জানা গেছে। ওইদিন চীনা প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাতের পাশাপাশি চীনের কমিউনিস্ট পার্টির জাদুঘর পরিদর্শন করবেন সরকারপ্রধান। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে দুই দেশের মধ্যে ১৫ থেকে ১৭টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা আছে। যদিও প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে তিস্তা মহাপরিকল্পনা প্রকল্পের বিষয়টি আনুষ্ঠানিক কর্মসূচিতে নেই। তবে চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে ইস্যুটি আলোচনায় আসতে পারে বলে জানা গেছে।

প্রায় ২৪০ বছরের পুরোনো নদী তিস্তার সঙ্গে রয়েছে উত্তরের ২৫টি নদীর প্রবাহ। ২০১৪ সাল থেকে ভারত সরকার একতরফা তিস্তার পানি প্রত্যাহার করছে। ফলে শুষ্ক মৌসুমে নদীটি একেবারেই শুকিয়ে যায়। যার ফলে রংপুর, লালমনিরহাট, নীলফামারীসহ উত্তরের জেলাগুলোতে দুর্ভোগের শেষ নেই। চীনের হোয়াংহো নদীকে একসময় বলা হতো চীনের দুঃখ। কিন্তু নদীশাসন করায় হোয়াংহো এখন হয়ে গেছে চীনের কৃষকদের জন্য আশীর্বাদ। হোয়াংহোর মতোই এখন তিস্তা ড্রেজিং করে কোটি মানুষের দুঃখ ঘোচানোর পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম বলেন, ‘তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হবে। একটা স্টাডি হয়েছে, সম্ভাব্যতা যাচাই পুনঃপর্যালোচনা করেছি। কিন্তু রিজার্ভার, ড্যামেজ সাইজ এগুলো আসলে তারপর সমস্ত বিষয় আলোচনা হবে।

এছাড়া চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিং পিংয়ের চারটি বৈশ্বিক উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে বাংলাদেশ সেগুলোতে যোগদানের বিষয় বিবেচনা করছে বলেও জানান পররাষ্ট্রসচিব। উদ্যোগগুলো হলোবৈশ্বিক উন্নয়ন উদ্যোগ, বৈশ্বিক নিরাপত্তা, বৈশ্বিক সভ্যতা এবং বৈশ্বিক শাসন উদ্যোগ। তবে সফরের পর সিদ্ধান্ত জানানো হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানো, জ্বালানি সহযোগিতা, চীনা শিল্প বাংলাদেশে স্থানান্তর, অর্থনৈতিক অঞ্চল চালু করা, তিস্তা মহাপরিকল্পনা, মোংলা বন্দরের আধুনিকায়ন এবং গুয়াংজুচট্টগ্রাম ও সাংহাইচট্টগ্রাম সরাসরি বিমান ফ্লাইট চালুর বিষয়গুলো আলোচনার এজেন্ডায় আছে।

এছাড়া নবায়নযোগ্য জ্বালানি, মুক্তবাণিজ্য জোট রিজিওনাল কমপ্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ (আরসিইপি), ব্রিকস এবং অর্থনৈতিক ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা সংস্থা সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশনে (এসসিও) বাংলাদেশের যুক্ত হওয়ার বিষয়ে চীনের সমর্থন চাওয়া হবে। এছাড়া, চীনের অর্থায়ন ও সহায়তায় বাংলাদেশে যেসব বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণ প্রকল্প চালু রয়েছে, সেগুলোর অগ্রগতি নিয়েও আলোচনা হবে। এর আগে, মালয়েশিয়ায় দুই দিনের সরকারি সফর শেষে সোমবার (২২ জুন) রাত ১১টা ৫ মিনিটে চীনের  দালিয়ান ঝুশুইজি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় চীনের দালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ডব্লিউইএফর প্রেসিডেন্ট ও সিইও আলোইস জভিংগি। সাক্ষাৎকালে সরকারপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় তিনি তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানান। এ সময় প্রধানমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের বিভিন্ন উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তিনি জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা বাংলাদেশের মতো অন্যান্য ডেল্টা রাষ্ট্র এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর সহযোগিতায় ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামকে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান।

এরপর রাতে দালিয়ানে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে যোগ দেওয়া বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের সম্মানে নৈশভোজের আয়োজন করেন চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং। সহধর্মিণী জুবাইদা রহমানকে নিয়ে এতে যোগ দেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নৈশভোজে অংশ নেওয়া অন্য প্রধানমন্ত্রীরা হলেনদক্ষিণ কোরিয়ার কিম মিন সিওক, মঙ্গোলিয়ার নিয়াম ওসোরিন উচরাল, গিনির আমাদু ওউরি বাহ, মন্টিনিগ্রোর মিলোজকো স্পাজিচ এবং কাজাখস্তানের ওলজাস বেকটেনভ।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রকে পেছনে ফেলে, বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সুপারকম্পিউটার এখন চীনের হাতে

শি জিনপিং-তারেক রহমান বৈঠকের অপেক্ষা, আলোচনায় তিস্তা মহাপরিকল্পনা

আপডেট সময় ১১:৩৩:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

এবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো চীন সফরে গিয়েছেন তারেক রহমান। সফরে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। দুই নেতার এই বৈঠকে ঢাকাবেইজিং সম্পর্কে নতুন মাত্রা যোগ হতে পারে, খুলতে পারে নতুন সম্ভাবনার দ্বার। ফলে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে, রাজনীতিবিদ ও কূটনীতিক সবাই এই বৈঠকের অপেক্ষায় রয়েছেন। বুধবার (২৪ জুন) সকালে ১৭তম বার্ষিকসামার দাভোসেরউদ্বোধন অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর দুপুরে ট্রেনে করে বেইজিংয়ের পথ ধরবেন।

আগামী ২৬ জুন শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৈঠকের কথা রয়েছে। বৈঠকে দ্বিপক্ষীয়, আঞ্চলিক এবং বৈশ্বিক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে বলে জানা গেছে। ওইদিন চীনা প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাতের পাশাপাশি চীনের কমিউনিস্ট পার্টির জাদুঘর পরিদর্শন করবেন সরকারপ্রধান। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে দুই দেশের মধ্যে ১৫ থেকে ১৭টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা আছে। যদিও প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে তিস্তা মহাপরিকল্পনা প্রকল্পের বিষয়টি আনুষ্ঠানিক কর্মসূচিতে নেই। তবে চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে ইস্যুটি আলোচনায় আসতে পারে বলে জানা গেছে।

প্রায় ২৪০ বছরের পুরোনো নদী তিস্তার সঙ্গে রয়েছে উত্তরের ২৫টি নদীর প্রবাহ। ২০১৪ সাল থেকে ভারত সরকার একতরফা তিস্তার পানি প্রত্যাহার করছে। ফলে শুষ্ক মৌসুমে নদীটি একেবারেই শুকিয়ে যায়। যার ফলে রংপুর, লালমনিরহাট, নীলফামারীসহ উত্তরের জেলাগুলোতে দুর্ভোগের শেষ নেই। চীনের হোয়াংহো নদীকে একসময় বলা হতো চীনের দুঃখ। কিন্তু নদীশাসন করায় হোয়াংহো এখন হয়ে গেছে চীনের কৃষকদের জন্য আশীর্বাদ। হোয়াংহোর মতোই এখন তিস্তা ড্রেজিং করে কোটি মানুষের দুঃখ ঘোচানোর পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম বলেন, ‘তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হবে। একটা স্টাডি হয়েছে, সম্ভাব্যতা যাচাই পুনঃপর্যালোচনা করেছি। কিন্তু রিজার্ভার, ড্যামেজ সাইজ এগুলো আসলে তারপর সমস্ত বিষয় আলোচনা হবে।

এছাড়া চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিং পিংয়ের চারটি বৈশ্বিক উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে বাংলাদেশ সেগুলোতে যোগদানের বিষয় বিবেচনা করছে বলেও জানান পররাষ্ট্রসচিব। উদ্যোগগুলো হলোবৈশ্বিক উন্নয়ন উদ্যোগ, বৈশ্বিক নিরাপত্তা, বৈশ্বিক সভ্যতা এবং বৈশ্বিক শাসন উদ্যোগ। তবে সফরের পর সিদ্ধান্ত জানানো হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানো, জ্বালানি সহযোগিতা, চীনা শিল্প বাংলাদেশে স্থানান্তর, অর্থনৈতিক অঞ্চল চালু করা, তিস্তা মহাপরিকল্পনা, মোংলা বন্দরের আধুনিকায়ন এবং গুয়াংজুচট্টগ্রাম ও সাংহাইচট্টগ্রাম সরাসরি বিমান ফ্লাইট চালুর বিষয়গুলো আলোচনার এজেন্ডায় আছে।

এছাড়া নবায়নযোগ্য জ্বালানি, মুক্তবাণিজ্য জোট রিজিওনাল কমপ্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ (আরসিইপি), ব্রিকস এবং অর্থনৈতিক ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা সংস্থা সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশনে (এসসিও) বাংলাদেশের যুক্ত হওয়ার বিষয়ে চীনের সমর্থন চাওয়া হবে। এছাড়া, চীনের অর্থায়ন ও সহায়তায় বাংলাদেশে যেসব বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণ প্রকল্প চালু রয়েছে, সেগুলোর অগ্রগতি নিয়েও আলোচনা হবে। এর আগে, মালয়েশিয়ায় দুই দিনের সরকারি সফর শেষে সোমবার (২২ জুন) রাত ১১টা ৫ মিনিটে চীনের  দালিয়ান ঝুশুইজি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় চীনের দালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ডব্লিউইএফর প্রেসিডেন্ট ও সিইও আলোইস জভিংগি। সাক্ষাৎকালে সরকারপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় তিনি তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানান। এ সময় প্রধানমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের বিভিন্ন উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তিনি জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা বাংলাদেশের মতো অন্যান্য ডেল্টা রাষ্ট্র এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর সহযোগিতায় ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামকে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান।

এরপর রাতে দালিয়ানে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে যোগ দেওয়া বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের সম্মানে নৈশভোজের আয়োজন করেন চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং। সহধর্মিণী জুবাইদা রহমানকে নিয়ে এতে যোগ দেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নৈশভোজে অংশ নেওয়া অন্য প্রধানমন্ত্রীরা হলেনদক্ষিণ কোরিয়ার কিম মিন সিওক, মঙ্গোলিয়ার নিয়াম ওসোরিন উচরাল, গিনির আমাদু ওউরি বাহ, মন্টিনিগ্রোর মিলোজকো স্পাজিচ এবং কাজাখস্তানের ওলজাস বেকটেনভ।