ঢাকা , শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
স্পেন ম্যাচের আগে কোচের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ উরুগুয়ে শিবিরে জব্দ হেরোইনও কখনো ‘আটা-ময়দা’ হয়ে যায়, বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গ থেকে পুশইনের চেষ্টা ঠেকাতে সরকার সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে ডেনমার্কে আজান নিষিদ্ধের নতুন উদ্যোগ, আইনি বৈধতা যাচাই শুরু বাংলাদেশ–মিয়ানমার হয়ে নতুন করিডোরের প্রস্তাব চীনের জার্মানিকে হারানোর আনন্দে জাতীয় ছুটি দিল ইকুয়েডর ইউক্রেনকে ইউরেনিয়াম সহায়তায় ক্ষোভে ফুঁসছে রাশিয়া আটকে থাকা ইরানি তহবিল দিয়ে ইরানের জন্যই মার্কিন কৃষিপণ্য কিনতে চান ট্রাম্প এক বছরের মধ্যেই গুমের সব মামলার নিষ্পত্তি: ট্রাইব্যুনাল অব্যবহৃত মোবাইল ডাটার মেয়াদ নিয়ে সংসদে ক্ষোভ

প্রিয় দেশবাসী, অধিকার ছিনিয়ে আনতে হবে: জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি নিয়ে জামায়াত আমির

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৫৯:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬
  • ৭২ বার পড়া হয়েছে

এবার জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে দেশবাসীকে অধিকার ছিনিয়ে আনার আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। রোববার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এ আহ্বান জানান তিনি। জ্বালানির দাম বৃদ্ধির খবরে জামায়াতের আমির তাৎক্ষণিক লেখেন, আবারও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির পাঁয়তারা। কেবল গত মাসেই এক দফায় ৮ থেকে ১২ শতাংশ জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি করা হয়েছে। ক্ষেত্রবিশেষে এর চেয়েও বেশি।

তিনি লেখেন, মূল্যবৃদ্ধির হাত ধরে দ্রব্যমূল্যও বেড়ে গেছে। অথচ মানুষের আয় বাড়েনি। ক্রমাগত বেকারত্ব বেড়েই চলেছে। আবারও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির পাঁয়তারা চলছে। শফিকুর রহমান লিখেছেন, দিশেহারা জনগণ যাবে কোথায়, করবে কী, বাঁচবে কীভাবে? অথচ সরকার আশ্বস্ত করেছিল, অন্তত এই মাসে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি করা হবে না। যদি এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, নিঃসন্দেহে এটি হবে জনস্বার্থবিরোধী। আমরা এ ধরনের জনস্বার্থবিরোধী সব পদক্ষেপের বিরুদ্ধে।

তিনি লেখেন, অথচ এক সপ্তাহের ব্যবধানে বাজেট অধিবেশন শুরু হতে যাচ্ছে। বাজেট অধিবেশন শুরুর আগে তড়িঘড়ি করে যদি জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি করা হয়, তাহলে এটি হবে এক ধরনের ধোঁকাবাজি। জামায়াত আমির লিখেছেন, প্রিয় দেশবাসী, আমাদের অধিকারের জন্য আমাদেরকেই জেগে উঠতে হবে, কথা বলতে হবে। অধিকার ছিনিয়ে আনতে হবে। আমরা আপনাদের সঙ্গে আছি।

তিনি লিখেছেন, সমাজে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির যে ভয়াবহ রূপ ফুটে উঠেছে, তার সঙ্গে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি দেশ ও সমাজের অস্তিত্বকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিয়েছে। শফিকুর রহমান আরও লিখেছেন, অধিকার কেউ ঘরে এনে দিয়ে যাবে না। অধিকার লড়াই করে আদায় করতে হবে। 

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

স্পেন ম্যাচের আগে কোচের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ উরুগুয়ে শিবিরে

প্রিয় দেশবাসী, অধিকার ছিনিয়ে আনতে হবে: জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি নিয়ে জামায়াত আমির

আপডেট সময় ১০:৫৯:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬

এবার জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে দেশবাসীকে অধিকার ছিনিয়ে আনার আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। রোববার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এ আহ্বান জানান তিনি। জ্বালানির দাম বৃদ্ধির খবরে জামায়াতের আমির তাৎক্ষণিক লেখেন, আবারও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির পাঁয়তারা। কেবল গত মাসেই এক দফায় ৮ থেকে ১২ শতাংশ জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি করা হয়েছে। ক্ষেত্রবিশেষে এর চেয়েও বেশি।

তিনি লেখেন, মূল্যবৃদ্ধির হাত ধরে দ্রব্যমূল্যও বেড়ে গেছে। অথচ মানুষের আয় বাড়েনি। ক্রমাগত বেকারত্ব বেড়েই চলেছে। আবারও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির পাঁয়তারা চলছে। শফিকুর রহমান লিখেছেন, দিশেহারা জনগণ যাবে কোথায়, করবে কী, বাঁচবে কীভাবে? অথচ সরকার আশ্বস্ত করেছিল, অন্তত এই মাসে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি করা হবে না। যদি এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, নিঃসন্দেহে এটি হবে জনস্বার্থবিরোধী। আমরা এ ধরনের জনস্বার্থবিরোধী সব পদক্ষেপের বিরুদ্ধে।

তিনি লেখেন, অথচ এক সপ্তাহের ব্যবধানে বাজেট অধিবেশন শুরু হতে যাচ্ছে। বাজেট অধিবেশন শুরুর আগে তড়িঘড়ি করে যদি জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি করা হয়, তাহলে এটি হবে এক ধরনের ধোঁকাবাজি। জামায়াত আমির লিখেছেন, প্রিয় দেশবাসী, আমাদের অধিকারের জন্য আমাদেরকেই জেগে উঠতে হবে, কথা বলতে হবে। অধিকার ছিনিয়ে আনতে হবে। আমরা আপনাদের সঙ্গে আছি।

তিনি লিখেছেন, সমাজে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির যে ভয়াবহ রূপ ফুটে উঠেছে, তার সঙ্গে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি দেশ ও সমাজের অস্তিত্বকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিয়েছে। শফিকুর রহমান আরও লিখেছেন, অধিকার কেউ ঘরে এনে দিয়ে যাবে না। অধিকার লড়াই করে আদায় করতে হবে।