ঢাকা , বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ৫০০ কেজি আম উপহার পাঠালো বাংলাদেশ ‘ধর্মের নামে সন্ত্রাসবাদ সমর্থন করে না বাংলাদেশ’, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী গরু জবাই নিষিদ্ধের বিরুদ্ধে দাঁড়াল থালাপতির সরকার এইচএসসিতে ৯ বোর্ডে একই প্রশ্ন, ফাঁস ঠেকাতে বাড়তি নজর ‘আমাদের আকাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ এখনো গড়ে ওঠেনি’, নাহিদ ইসলাম ‘রাশিয়ার কারণে রাতে ঘুমাতে পারি না’, বললেন ন্যাটোপ্রধান আট বছর পর মিলল ম্যারাডোনার সেই ভবিষ্যদ্বাণী চার আকাশযান ধ্বং’সে’র দা’বি পাকিস্তানের, সফল হা’ম’লা’র কথা বলছে কাবুল সাবেক এমপিকে আমন্ত্রণের জেরে শিক্ষকের বিদায় অনুষ্ঠানে ভাঙচুর হোলি আর্টিজানের এক দশক, জ’ঙ্গি’বা’দ কতটা বদলেছে?

‘ধর্মের নামে সন্ত্রাসবাদ সমর্থন করে না বাংলাদেশ’, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৬:৩০:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

“ধর্মের নামে সন্ত্রাসবাদ কোনোভাবেই বাংলাদেশ সমর্থন করে না।” হোলি আর্টিজান হামলার ১০ম বার্ষিকীতে এমন মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।

বুধবার রাজধানীতে ঢাকাস্থ ইতালি দূতাবাস আয়োজিত হোলি আর্টিজান হামলায় নিহতদের স্মরণসভায় বক্তব্য দেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ২০১৬ সালের ১ জুলাই গুলশানের হোলি আর্টিজান বেকারিতে সংঘটিত জঙ্গি হামলা বাংলাদেশের ইতিহাসের এক কালো অধ্যায়। ১০ বছর পেরিয়ে গেলেও সেই ঘটনার স্মৃতি আজও বেদনাদায়ক। ভবিষ্যতে এমন নৃশংস ঘটনা যেন আর কখনো না ঘটে, সে প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।

শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ শুরু থেকেই জিরো টলারেন্স নীতিতে অটল রয়েছে। হোলি আর্টিজান হামলায় জড়িতদের বিচার সম্পন্ন হয়েছে এবং এরপর থেকে জঙ্গিবাদ দমনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ধর্মকে ব্যবহার করে সহিংসতা ও সন্ত্রাস ছড়ানোর কোনো সুযোগ বাংলাদেশে নেই এবং এ ধরনের কর্মকাণ্ড কখনোই সমর্থন করা হবে না।

স্মরণসভায় ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো, জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনইচি, ভারতের হাইকমিশনার, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ফিলিস্তিনের প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, নিহতদের স্বজন এবং হামলা থেকে বেঁচে ফেরা কয়েকজন জিম্মি উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে ফুল দিয়ে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয় এবং তাদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ১ জুলাই গুলশানের হোলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলায় ২২ জন নিহত হন। নিহতদের মধ্যে ছিলেন ৯ জন ইতালীয়, ৭ জন জাপানি, ১ জন ভারতীয়, ৩ জন বাংলাদেশি এবং একজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক। এই হামলা শুধু বাংলাদেশ নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও গভীর শোক ও উদ্বেগের সৃষ্টি করেছিল।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ৫০০ কেজি আম উপহার পাঠালো বাংলাদেশ

‘ধর্মের নামে সন্ত্রাসবাদ সমর্থন করে না বাংলাদেশ’, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৬:৩০:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

“ধর্মের নামে সন্ত্রাসবাদ কোনোভাবেই বাংলাদেশ সমর্থন করে না।” হোলি আর্টিজান হামলার ১০ম বার্ষিকীতে এমন মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।

বুধবার রাজধানীতে ঢাকাস্থ ইতালি দূতাবাস আয়োজিত হোলি আর্টিজান হামলায় নিহতদের স্মরণসভায় বক্তব্য দেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ২০১৬ সালের ১ জুলাই গুলশানের হোলি আর্টিজান বেকারিতে সংঘটিত জঙ্গি হামলা বাংলাদেশের ইতিহাসের এক কালো অধ্যায়। ১০ বছর পেরিয়ে গেলেও সেই ঘটনার স্মৃতি আজও বেদনাদায়ক। ভবিষ্যতে এমন নৃশংস ঘটনা যেন আর কখনো না ঘটে, সে প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।

শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ শুরু থেকেই জিরো টলারেন্স নীতিতে অটল রয়েছে। হোলি আর্টিজান হামলায় জড়িতদের বিচার সম্পন্ন হয়েছে এবং এরপর থেকে জঙ্গিবাদ দমনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ধর্মকে ব্যবহার করে সহিংসতা ও সন্ত্রাস ছড়ানোর কোনো সুযোগ বাংলাদেশে নেই এবং এ ধরনের কর্মকাণ্ড কখনোই সমর্থন করা হবে না।

স্মরণসভায় ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো, জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনইচি, ভারতের হাইকমিশনার, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ফিলিস্তিনের প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, নিহতদের স্বজন এবং হামলা থেকে বেঁচে ফেরা কয়েকজন জিম্মি উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে ফুল দিয়ে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয় এবং তাদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ১ জুলাই গুলশানের হোলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলায় ২২ জন নিহত হন। নিহতদের মধ্যে ছিলেন ৯ জন ইতালীয়, ৭ জন জাপানি, ১ জন ভারতীয়, ৩ জন বাংলাদেশি এবং একজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক। এই হামলা শুধু বাংলাদেশ নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও গভীর শোক ও উদ্বেগের সৃষ্টি করেছিল।