ফ্রান্স ফুটবলকে আজীবনের জন্য ঋণের বন্ধনে আবদ্ধ করে রেখেছেন দিদিয়ের দেশম। ১৯৯৮ বিশ্বকাপে খেলোয়াড় হিসেবে ফরাসিদের প্রথম বিশ্বকাপ এনে দিয়েছিলেন তিনি। সে সময় মাঠের নেতৃত্ব ও রক্ষণভাগটাকে সামলেছেন একক নৈপুণ্যে।
দুই দশক পর ফরাসিদের গর্ব করার মতো উপলক্ষ এনে দেন দেশম। ম্যানেজার হিসেবে ফ্রান্সকে দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জিতিয়েছেন তিনি। খেলোয়াড় ও কোচ হিসেবে বিশ্বকাপ জেতা তৃতীয় ব্যক্তি তিনি। এর আগে রেকর্ডটি ছিল ব্রাজিলের মারিও জাগালো এবং জার্মানির ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ারের।
২০২৬ বিশ্বকাপেও দেশম ফ্রান্সের ডাগআউটে আছেন। তার অধীনে থাকা দলটি চোখ রাঙানি দিয়ে এরই মধ্যে নিশ্চিত করেছে শেষ ষোলোর টিকিট। ইস্ট রাদারফোর্ডে আজ সুইডেনকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে। আর এই জয়ের মধ্য দিয়ে ইতিহাসের সফলতম ম্যানেজার হিসেবে নিজেকে আরও একধাপ ওপরে নিয়ে গেছেন দেশম।
বিশ্বমঞ্চে কোচ হিসেবে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ জয়ের রেকর্ডটি এখন দেশমের দখলে। তার জয়ের সংখ্যা ১৮টি। এর আগে গত সপ্তাহে নরওয়েকে ৪-১ ব্যবধানে বিধ্বস্ত করার ম্যাচেই তিনি জার্মানির কিংবদন্তি কোচ হেলমুট শনের ১৭টি জয়ের রেকর্ডকে ছুঁয়েছিলেন।
তবে ম্যাচে ডাগআউটে থাকতে পারেননি তিনি। মায়ের শেষকৃত্যে অংশ নিতে ফ্রান্সে ফিরে যান তিনি। সেই শোককে শক্তিতে রূপ দিয়ে রাউন্ড অব ৩২ এর ম্যাচে ফ্রান্সকে আরও ধারালো করে তোলেন দেশম। ডাগআউটে ফিরেই দলকে এনে দেন দুর্দান্ত জয়।
উল্লেখ্য, দিদিয়ের দেশমের জন্য এটি প্রথমবারের মতো ব্যক্তিগত শোক নয়। এর আগে ২০২২ সালের উয়েফা নেশন্স লিগ চলাকালেও তিনি নিজের বাবাকে হারিয়েছিলেন।

ডেস্ক রিপোর্ট 


















