ঢাকা , মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
মেসির অবসরের পরই রোনালদোকে ‘সর্বকালের সেরা’ ঘোষণা নেপাল-চীনে ভয়াবহ বন্যায় মৃত্যু ছাড়াল ১ হাজার ইরানের বিরুদ্ধে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের সম্ভাবনা, প্রশ্ন শুনে ক্ষুব্ধ ট্রাম্প এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সুযোগসহ ৯ দাবি জামায়াতের রাস্তার পাশে বাস থামিয়ে রাখলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে: ট্রাফিক কমিশনার স্থানীয় নির্বাচনে জোটে নয়, আলাদা প্রার্থী দেবে দলগুলো: গোলাম পরওয়ার ইরানের হামলায় ১ হাজারের বেশি ইসরায়েলি সেনা নিহত প্রধানমন্ত্রী অবশ্যই ভারত যাবেন, আলোচনা চলছে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক অতীতে আটকে থাকার সুযোগ নেই: দীনেশ ত্রিবেদী মানবতার স্বার্থে পুতিনকে যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান মোদির

তিস্তা মহাপ্রকল্পের পাশাপাশি চীনা জে-১০সিই যুদ্ধবিমান ও অ্যাটাক হেলিকপ্টার কিনছে বাংলাদেশ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:৪২:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৩ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ এখন চীনের সঙ্গে সম্ভাব্য তিস্তা মহাপ্রকল্প বাস্তবায়ন, জে১০সিই যুদ্ধবিমান ও অ্যাটাক হেলিকপ্টার কেনার বিষয়ে আলোচনাচূড়ান্তপর্যায়ে পৌঁছেছে। বাংলাদেশ চীনের ৪.৫ প্রজন্মের জে১০সিই যুদ্ধবিমান কেনার চুক্তিটি মে মাসে স্বল্পস্থায়ী ভারতপাকিস্তান সংঘাতে ফরাসি নির্মিত রাফাল যুদ্ধবিমানের বিরুদ্ধে জে১০সিইএর কথিত যুদ্ধসাফল্যকে এর অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট (এসসিএমপি)বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন সম্প্রতি নবনিযুক্ত পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। দুই দেশ প্রতিরক্ষা ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও গভীর করার চেষ্টা করছে।

হুমায়ুন কবির চীনকে বাংলাদেশের একজন বিশ্বস্ত বন্ধু ও গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করেন এবং বাংলাদেশেরএক চীন নীতির প্রতি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক চীন সফরের পর বাংলাদেশচীন সম্পর্ককেভবিষ্যতে চীনবাংলাদেশ অভিন্ন সম্প্রদায়পর্যায়ে উন্নীত করার বিষয়টিও বৈঠকে পুনরায় নিশ্চিত করা হয়। রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন ও হুমায়ুন কবির প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক চীন সফরের বিভিন্ন ফলাফল নিয়ে আলোচনা করেন। এর মধ্যে ছিলচায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন (সিইআইজেড)-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন।

দুই পক্ষ জানায়,সিইআইজেডএ প্রায় ৩০টি চীনা কোম্পানি বিনিয়োগ করতে পারে। সম্ভাব্য বিনিয়োগের পরিমাণ প্রায় ৫০ কোটি মার্কিন ডলার, যা স্থানীয় বাংলাদেশিদের জন্য আনুমানিক ১ লাখ কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবে বলে আশা করা হচ্ছে। বৈঠকে তিস্তা নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার, দ্রুত পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের কৌশলগত সংলাপ শুরু করা এবং প্রতিমন্ত্রী পর্যায়ের কূটনৈতিক ও প্রতিরক্ষা সংলাপ চালুর বিষয়েও আলোচনা হয়। এ ছাড়া বাংলাদেশ থেকে চীনে কাঁঠাল ও পেয়ারা রপ্তানি, বাংলাদেশচীনমিয়ানমার অর্থনৈতিক করিডোর, এবং রোহিঙ্গা সংকট নিয়েও দুই পক্ষ আলোচনা করে।

রাষ্ট্রদূত ইয়াও আরও জানান, শিগগিরই চীনের চায়না ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট কোঅপারেশন এজেন্সি (CIDCA)-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট, চীনা কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিভাগের (IDCPC) মন্ত্রী এবং ইউনান প্রদেশের নির্বাহী ভাইস গভর্নর বাংলাদেশ সফর করতে পারেন। চীনা রাষ্ট্রদূত হুমায়ুন কবিরকে অক্টোবরে চীন সফরের আমন্ত্রণও জানান।

বাংলাদেশ এখন চীনের কাছ থেকে জে১০সিই যুদ্ধবিমান ও অ্যাটাক হেলিকপ্টার কেনার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান গত সপ্তাহে এক সরকারি ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান। বাংলাদেশের সরকার গঠিত একটি প্যানেল এ বিষয়ে একটি খসড়া চুক্তি প্রস্তুত করছে বলে তিনি জানান। এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চলতি বছরের শুরুতে চীন সফরের সময় বাংলাদেশকে জে১০সিই যুদ্ধবিমান দেওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। সাংবাদিকদের জাহেদ উর রহমান বলেন, বাংলাদেশের বিমানবাহিনী আধুনিকায়নের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বিভিন্ন ধরনের চতুর্থ প্রজন্মের মাল্টিরোল কমব্যাট এয়ারক্রাফট (এমইরসেএ), যুদ্ধবিমান, অ্যাটাক হেলিকপ্টার, ভিআইপি হেলিকপ্টার এবং ইএভি ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা চলছে।

তিনি বলেন, চলতি অর্থবছরে বাজেট সহায়তা পাওয়া গেলে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে; তা না হলে পরবর্তী বাজেটে নেওয়া হতে পারে। জে১০সি এমআরসিএ ও অ্যাটাক হেলিকপ্টার নিয়ে কমিটি পর্যায়ের আলোচনার মাধ্যমে একটি খসড়া চুক্তি তৈরি হয়েছে বলেও তিনি জানান। জাহেদ উর রহমান আরও বলেন, চীনের তৈরি একটি মাল্টিরোল যুদ্ধবিমান বর্তমানে আধুনিক ৪.৫ প্রজন্মের যুদ্ধবিমানগুলোর মধ্যে বিবেচিত হচ্ছে এবং যুদ্ধ পরিস্থিতিতে এর ভালো পারফরম্যান্স রয়েছে। এ কারণে বাংলাদেশ বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দিচ্ছে।

তিনি আরও দাবি করেন, রাফায়েল বা ইউরোফাইটার টাইফুনএর মতো ইউরোপীয় যুদ্ধবিমানের তুলনায় চীনা যুদ্ধবিমানের দাম তুলনামূলকভাবে কম, এবং তার ভাষ্য অনুযায়ী, চীনা বিমান সরাসরি যুদ্ধে আরও ভালো পারফরম্যান্স দেখিয়েছে। বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে তিস্তা ব্যবস্থাপনা, অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও প্রতিরক্ষা সম্পর্ক আরও এগোচ্ছে; একই সময়ে জে১০সিই যুদ্ধবিমান ও অ্যাটাক হেলিকপ্টার কেনার বিষয়ে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিক চুক্তির দিকে এগোচ্ছে বলে সরকারি পর্যায় থেকে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। সূত্র: এনডিটিভি, সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

মেসির অবসরের পরই রোনালদোকে ‘সর্বকালের সেরা’ ঘোষণা

তিস্তা মহাপ্রকল্পের পাশাপাশি চীনা জে-১০সিই যুদ্ধবিমান ও অ্যাটাক হেলিকপ্টার কিনছে বাংলাদেশ

আপডেট সময় ০১:৪২:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশ এখন চীনের সঙ্গে সম্ভাব্য তিস্তা মহাপ্রকল্প বাস্তবায়ন, জে১০সিই যুদ্ধবিমান ও অ্যাটাক হেলিকপ্টার কেনার বিষয়ে আলোচনাচূড়ান্তপর্যায়ে পৌঁছেছে। বাংলাদেশ চীনের ৪.৫ প্রজন্মের জে১০সিই যুদ্ধবিমান কেনার চুক্তিটি মে মাসে স্বল্পস্থায়ী ভারতপাকিস্তান সংঘাতে ফরাসি নির্মিত রাফাল যুদ্ধবিমানের বিরুদ্ধে জে১০সিইএর কথিত যুদ্ধসাফল্যকে এর অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট (এসসিএমপি)বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন সম্প্রতি নবনিযুক্ত পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। দুই দেশ প্রতিরক্ষা ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও গভীর করার চেষ্টা করছে।

হুমায়ুন কবির চীনকে বাংলাদেশের একজন বিশ্বস্ত বন্ধু ও গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করেন এবং বাংলাদেশেরএক চীন নীতির প্রতি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক চীন সফরের পর বাংলাদেশচীন সম্পর্ককেভবিষ্যতে চীনবাংলাদেশ অভিন্ন সম্প্রদায়পর্যায়ে উন্নীত করার বিষয়টিও বৈঠকে পুনরায় নিশ্চিত করা হয়। রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন ও হুমায়ুন কবির প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক চীন সফরের বিভিন্ন ফলাফল নিয়ে আলোচনা করেন। এর মধ্যে ছিলচায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন (সিইআইজেড)-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন।

দুই পক্ষ জানায়,সিইআইজেডএ প্রায় ৩০টি চীনা কোম্পানি বিনিয়োগ করতে পারে। সম্ভাব্য বিনিয়োগের পরিমাণ প্রায় ৫০ কোটি মার্কিন ডলার, যা স্থানীয় বাংলাদেশিদের জন্য আনুমানিক ১ লাখ কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবে বলে আশা করা হচ্ছে। বৈঠকে তিস্তা নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার, দ্রুত পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের কৌশলগত সংলাপ শুরু করা এবং প্রতিমন্ত্রী পর্যায়ের কূটনৈতিক ও প্রতিরক্ষা সংলাপ চালুর বিষয়েও আলোচনা হয়। এ ছাড়া বাংলাদেশ থেকে চীনে কাঁঠাল ও পেয়ারা রপ্তানি, বাংলাদেশচীনমিয়ানমার অর্থনৈতিক করিডোর, এবং রোহিঙ্গা সংকট নিয়েও দুই পক্ষ আলোচনা করে।

রাষ্ট্রদূত ইয়াও আরও জানান, শিগগিরই চীনের চায়না ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট কোঅপারেশন এজেন্সি (CIDCA)-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট, চীনা কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিভাগের (IDCPC) মন্ত্রী এবং ইউনান প্রদেশের নির্বাহী ভাইস গভর্নর বাংলাদেশ সফর করতে পারেন। চীনা রাষ্ট্রদূত হুমায়ুন কবিরকে অক্টোবরে চীন সফরের আমন্ত্রণও জানান।

বাংলাদেশ এখন চীনের কাছ থেকে জে১০সিই যুদ্ধবিমান ও অ্যাটাক হেলিকপ্টার কেনার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান গত সপ্তাহে এক সরকারি ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান। বাংলাদেশের সরকার গঠিত একটি প্যানেল এ বিষয়ে একটি খসড়া চুক্তি প্রস্তুত করছে বলে তিনি জানান। এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চলতি বছরের শুরুতে চীন সফরের সময় বাংলাদেশকে জে১০সিই যুদ্ধবিমান দেওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। সাংবাদিকদের জাহেদ উর রহমান বলেন, বাংলাদেশের বিমানবাহিনী আধুনিকায়নের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বিভিন্ন ধরনের চতুর্থ প্রজন্মের মাল্টিরোল কমব্যাট এয়ারক্রাফট (এমইরসেএ), যুদ্ধবিমান, অ্যাটাক হেলিকপ্টার, ভিআইপি হেলিকপ্টার এবং ইএভি ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা চলছে।

তিনি বলেন, চলতি অর্থবছরে বাজেট সহায়তা পাওয়া গেলে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে; তা না হলে পরবর্তী বাজেটে নেওয়া হতে পারে। জে১০সি এমআরসিএ ও অ্যাটাক হেলিকপ্টার নিয়ে কমিটি পর্যায়ের আলোচনার মাধ্যমে একটি খসড়া চুক্তি তৈরি হয়েছে বলেও তিনি জানান। জাহেদ উর রহমান আরও বলেন, চীনের তৈরি একটি মাল্টিরোল যুদ্ধবিমান বর্তমানে আধুনিক ৪.৫ প্রজন্মের যুদ্ধবিমানগুলোর মধ্যে বিবেচিত হচ্ছে এবং যুদ্ধ পরিস্থিতিতে এর ভালো পারফরম্যান্স রয়েছে। এ কারণে বাংলাদেশ বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দিচ্ছে।

তিনি আরও দাবি করেন, রাফায়েল বা ইউরোফাইটার টাইফুনএর মতো ইউরোপীয় যুদ্ধবিমানের তুলনায় চীনা যুদ্ধবিমানের দাম তুলনামূলকভাবে কম, এবং তার ভাষ্য অনুযায়ী, চীনা বিমান সরাসরি যুদ্ধে আরও ভালো পারফরম্যান্স দেখিয়েছে। বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে তিস্তা ব্যবস্থাপনা, অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও প্রতিরক্ষা সম্পর্ক আরও এগোচ্ছে; একই সময়ে জে১০সিই যুদ্ধবিমান ও অ্যাটাক হেলিকপ্টার কেনার বিষয়ে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিক চুক্তির দিকে এগোচ্ছে বলে সরকারি পর্যায় থেকে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। সূত্র: এনডিটিভি, সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট