ঢাকা , শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বগুড়ায় নির্বাচনী সহিংসতায় চোখ হারানো বিএনপি নেতার পাশে তারেক রহমান ‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’ ডাব পাড়াকে কেন্দ্র করে যুবককে কুপিয়ে হত্যা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ব্রিজে ধাক্কা দিলো বাস, চালকসহ নিহত ৩, আহত ১০ হতদরিদ্রের চাল কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগ: সিংড়ায় ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে প্রশাসনের প্রমাণ কবরস্থানে গ্যাস সিলিন্ডার মজুত রাজধানীতে ভাতের হোটেল ব্যবসায়ীর কাছ থেকে চাঁদা আদায়: র‍্যাবের হাতে বিএনপি নেতা গ্রেপ্তার জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে তুলনা করা ভুল হবে: মাহফুজ আলম মুহূর্তেই শেষ মৌসুমের আশা—মেহেরপুরে আগুনে পুড়ল ১০০ বিঘা ফসল,অন্তত ২৫ লাখ টাকার ক্ষতি খুলনা এনসিপি’র ডিডকৃত কার্যালয় এখন বিএনপির কার্যালয়ে পরিণত

রাশিয়া থেকে জ্বালানি আমদানিতে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বিশেষ ছাড় চেয়েছে বাংলাদেশ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৫৮:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬
  • ৬৩ বার পড়া হয়েছে

এবার পরিশোধিত ডিজেলসহ রাশিয়া থেকে জ্বালানি আমদানির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বিশেষ ছাড় (ওয়েভার) চেয়েছে বাংলাদেশ। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান মঙ্গলবার ওয়াশিংটনে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইটের সঙ্গে বৈঠকে এ অনুরোধ জানান বলে এক বার্তায় জানানো হয়েছে। বৈঠকে ড. খলিলুর রহমান বলেন, বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খল বিঘ্নের কারণে বাংলাদেশ বর্তমানে জ্বালানি সংকটে রয়েছে, বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ রোপণ মৌসুমের আগে। কৃষকদের জন্য নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং খাদ্য নিরাপত্তা বজায় রাখতে এ ছাড় জরুরি।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া সীমিত বৈশ্বিক ছাড়ের সুবিধা বাংলাদেশ নিতে পারেনি, কারণ সে সময় রাশিয়ার তেলবাহী কোনো ট্যাংকার বাংলাদেশের উদ্দেশে ছিল না। বৈঠকে রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল থেকে তৃতীয় দেশ হয়ে পরিশোধিত জ্বালানি আমদানির বিকল্প ব্যবস্থাও আলোচনা হয়, যাতে তাৎক্ষণিক চাহিদা পূরণ করা যায়।

যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি মন্ত্রী বাংলাদেশের জ্বালানি সংকটের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, এ কঠিন সময়ে বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্র সহযোগিতা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি বাংলাদেশের অনুরোধ ইতিবাচকভাবে বিবেচনার আশ্বাস দেন এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর সঙ্গে কাজ করার কথা জানান।

এ ছাড়া দীর্ঘমেয়াদি টেকসই জ্বালানি সহযোগিতা এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে জ্বালানি পণ্য আমদানি বৃদ্ধির সম্ভাবনাও বৈঠকে আলোচিত হয়। বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলাম, ডেপুটি চিফ অব মিশন ডি এম সালাহউদ্দিন মাহমুদ এবং ইকোনমিক মিনিস্টার ড. মো. ফজলে রাব্বি উপস্থিত ছিলেন। 

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বগুড়ায় নির্বাচনী সহিংসতায় চোখ হারানো বিএনপি নেতার পাশে তারেক রহমান

রাশিয়া থেকে জ্বালানি আমদানিতে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বিশেষ ছাড় চেয়েছে বাংলাদেশ

আপডেট সময় ১১:৫৮:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

এবার পরিশোধিত ডিজেলসহ রাশিয়া থেকে জ্বালানি আমদানির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বিশেষ ছাড় (ওয়েভার) চেয়েছে বাংলাদেশ। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান মঙ্গলবার ওয়াশিংটনে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইটের সঙ্গে বৈঠকে এ অনুরোধ জানান বলে এক বার্তায় জানানো হয়েছে। বৈঠকে ড. খলিলুর রহমান বলেন, বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খল বিঘ্নের কারণে বাংলাদেশ বর্তমানে জ্বালানি সংকটে রয়েছে, বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ রোপণ মৌসুমের আগে। কৃষকদের জন্য নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং খাদ্য নিরাপত্তা বজায় রাখতে এ ছাড় জরুরি।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া সীমিত বৈশ্বিক ছাড়ের সুবিধা বাংলাদেশ নিতে পারেনি, কারণ সে সময় রাশিয়ার তেলবাহী কোনো ট্যাংকার বাংলাদেশের উদ্দেশে ছিল না। বৈঠকে রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল থেকে তৃতীয় দেশ হয়ে পরিশোধিত জ্বালানি আমদানির বিকল্প ব্যবস্থাও আলোচনা হয়, যাতে তাৎক্ষণিক চাহিদা পূরণ করা যায়।

যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি মন্ত্রী বাংলাদেশের জ্বালানি সংকটের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, এ কঠিন সময়ে বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্র সহযোগিতা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি বাংলাদেশের অনুরোধ ইতিবাচকভাবে বিবেচনার আশ্বাস দেন এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর সঙ্গে কাজ করার কথা জানান।

এ ছাড়া দীর্ঘমেয়াদি টেকসই জ্বালানি সহযোগিতা এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে জ্বালানি পণ্য আমদানি বৃদ্ধির সম্ভাবনাও বৈঠকে আলোচিত হয়। বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলাম, ডেপুটি চিফ অব মিশন ডি এম সালাহউদ্দিন মাহমুদ এবং ইকোনমিক মিনিস্টার ড. মো. ফজলে রাব্বি উপস্থিত ছিলেন।