ঢাকা , শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
জন্মদিনের দিনই ঝুলন্ত মরদেহ, রহস্য ঘনীভূত বিমানবন্দর লোডারের মৃত্যুতে মসজিদের মাইকে ঘোষণা, পুলিশের কাছ থেকে বিএনপি নেতাকে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ বিএনপি আবারও আ. লীগের ফাঁদে পড়েছে: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে আগুন বাংলাদেশে যৌথ ড্রোন কারখানা গড়তে চায় তুরস্ক তুরস্ক বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু: জামায়াত আমির ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোনে মার্কিন নৌবহরকে সতর্কবার্তা দিল ইরান লালমনিরহাটের তিন সীমান্তে ৩৩ জনকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবি-জনতার বাধায় ব্যর্থ বিএসএফ কলকাতার মেয়র পদ ছাড়লেন ফিরহাদ হাকিম, টালমাটাল তৃণমূলে নতুন ধাক্কা রাজনীতিকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল

রাজধানীতে ভাতের হোটেল ব্যবসায়ীর কাছ থেকে চাঁদা আদায়: র‍্যাবের হাতে বিএনপি নেতা গ্রেপ্তার

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:২৬:১৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬
  • ৯৯ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর শেরেবাংলা নগর এলাকায় ভাতের হোটেলের এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে কিস্তিতে চাঁদা আদায়ের অভিযোগে একটি চক্রের সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-২। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) মোহাম্মদপুরের ঢাকা উদ্যান এলাকা থেকে জাকির হোসেন নামের ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি শেরেবাংলা নগর থানার ২৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বলে জানা গেছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী আলমগীর আগারগাঁও এলাকার বিএনপি বস্তিতে দীর্ঘদিন ধরে একটি ভাতের হোটেল পরিচালনা করে আসছেন। স্থানীয় চাঁদাবাজ জাকির হোসেন ও লিটনসহ কয়েকজন সহযোগী তাকে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে বিভিন্ন সময়ে কিস্তিতে মোট ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা চাঁদা আদায় করে। অভিযোগ রয়েছে, তারা প্রায়ই হোটেলে এসে বাকি টাকায় খাবার খেয়ে চলে যেতেন এবং নিয়মিতভাবে চাপ সৃষ্টি করতেন।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, গত ৩০ মার্চ বিকেলে জাকির ও তার সহযোগীরা পুনরায় হোটেলে এসে আরও ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে। আলমগীর টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। এতে আতঙ্কিত হয়ে তিনি সমিতি থেকে কিস্তিতে টাকা তুলে অভিযুক্তদের দেন বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।

ঘটনার পর চরম মানসিক চাপে পড়ে আলমগীর ও তার পরিবারের সদস্যরা নিজেদের শরীরে কেরোসিন ঢেলে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। পরে স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে। পরবর্তীতে আলমগীর শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা দায়ের করেন।

র‍্যাব জানায়, মামলার ভিত্তিতে গোপন সংবাদের ওপর অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি জাকির হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে র‍্যাব-২।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

জন্মদিনের দিনই ঝুলন্ত মরদেহ, রহস্য ঘনীভূত বিমানবন্দর লোডারের মৃত্যুতে

রাজধানীতে ভাতের হোটেল ব্যবসায়ীর কাছ থেকে চাঁদা আদায়: র‍্যাবের হাতে বিএনপি নেতা গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ১০:২৬:১৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬

রাজধানীর শেরেবাংলা নগর এলাকায় ভাতের হোটেলের এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে কিস্তিতে চাঁদা আদায়ের অভিযোগে একটি চক্রের সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-২। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) মোহাম্মদপুরের ঢাকা উদ্যান এলাকা থেকে জাকির হোসেন নামের ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি শেরেবাংলা নগর থানার ২৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বলে জানা গেছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী আলমগীর আগারগাঁও এলাকার বিএনপি বস্তিতে দীর্ঘদিন ধরে একটি ভাতের হোটেল পরিচালনা করে আসছেন। স্থানীয় চাঁদাবাজ জাকির হোসেন ও লিটনসহ কয়েকজন সহযোগী তাকে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে বিভিন্ন সময়ে কিস্তিতে মোট ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা চাঁদা আদায় করে। অভিযোগ রয়েছে, তারা প্রায়ই হোটেলে এসে বাকি টাকায় খাবার খেয়ে চলে যেতেন এবং নিয়মিতভাবে চাপ সৃষ্টি করতেন।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, গত ৩০ মার্চ বিকেলে জাকির ও তার সহযোগীরা পুনরায় হোটেলে এসে আরও ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে। আলমগীর টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। এতে আতঙ্কিত হয়ে তিনি সমিতি থেকে কিস্তিতে টাকা তুলে অভিযুক্তদের দেন বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।

ঘটনার পর চরম মানসিক চাপে পড়ে আলমগীর ও তার পরিবারের সদস্যরা নিজেদের শরীরে কেরোসিন ঢেলে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। পরে স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে। পরবর্তীতে আলমগীর শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা দায়ের করেন।

র‍্যাব জানায়, মামলার ভিত্তিতে গোপন সংবাদের ওপর অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি জাকির হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে র‍্যাব-২।