ঢাকা , বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
অবসরের ভাবনা নয়, এখনও বর্তমানেই মেসি; ২০৩০ বিশ্বকাপ নিয়ে দিলেন নতুন বার্তা ‘হাসপাতালের টয়লেট পরিষ্কারের দায়িত্ব সাংবাদিকদের দিন’— স্বাস্থ্য কর্মকর্তার মন্তব্যে বিতর্ক রোহিঙ্গাদের ১৩৭ কোটি টাকার মানবিক সহায়তা দিচ্ছে অস্ট্রেলিয়া সামনের সারির একটি আসনের বিনিময়ে সব নীতি বিকিয়ে দিলেন: তাসনিম জারা নেতানিয়াহুকে ‘ডিভোর্স’ দেওয়ার হুমকি দিলেন ট্রাম্প শক্তিশালী মুসলিম দেশগুলো জোট গড়তে চায় ইরান বাংলাদেশ বিশ্বকাপ দেখে না, বাংলাদেশ বিশ্বকাপে বাঁচে: ফিফার পোস্ট সমঝোতার পর প্রথম বিদেশ সফরে পাকিস্তানে ইরানের প্রেসিডেন্ট ইংল্যান্ড-ঘানা ম্যাচ চলাকালে স্টেডিয়ামেই চলছিলো ‘কালো জাদু’ সৌদি বাদশাহর খরচে, ওমরাহ পালনের সুযোগ পাচ্ছেন ১ হাজার মুসল্লি”

আমাদের ভূখণ্ড ভারতের বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে দেব না: মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৩৬:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬
  • ৮৫ বার পড়া হয়েছে

এবার বাণিজ্য, সীমান্ত নিরাপত্তা, উন্নয়নমূলক সহায়তা এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর জোর দিয়ে প্রতিরক্ষা সহযোগিতাএই সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে মায়ানমারের সফররত প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইংয়ের বৈঠকে মূল প্রাধান্য পেয়েছে। বৈঠকে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট ভারতকে দৃঢ়ভাবে আশ্বস্ত করেছেন যে, ভারতের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করে এমন কোনো কাজে মিয়ানমারের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না। বৈঠক শেষে ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি জানান, নরেদ্র মোদি মিয়ানমারের সার্বভৌমত্ব এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রতি ভারতের পূর্ণ সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন। একই সঙ্গে দুই পক্ষই এই বিষয়ে একমত হয়েছে যে, কোনো দেশেরই সার্বভৌম ভূখণ্ড যেন একে অপরের নিরাপত্তা স্বার্থের পরিপন্থী বা ক্ষতিকর কোনো কার্যকলাপে ব্যবহৃত না হতে পারে।

একটি যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, মোদি মিয়ানমারকে ভারতের একটি অবিচল ও বিশ্বস্ত অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং দুই দেশের মধ্যে নিরাপত্তা সহযোগিতা আরও জোরদার করার ব্যাপারে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন। এছাড়া, মিয়ানমারের চলমান শান্তি প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করার সময় মোদি সেখানে একটি স্থায়ী শান্তি, অন্তর্ভুক্তি এবং সমস্ত অংশীদারদের আলোচনার টেবিলে আনার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেন।

দেশটির সঙ্গে ভারতের এই কূটনৈতিক যোগাযোগকে সমর্থন করে পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বলেন, “এই দ্বিপাক্ষিক আলোচনা মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক ব্যবস্থার ওপর কোনো মূল্যায়ন নয়। বরং মিয়ানমার থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হওয়া মানে অন্য শক্তির জন্য জায়গা ছেড়ে দেওয়া, যা আমাদের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদী উল্লেখ করেন যে, দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি পেলে পারস্পরিক অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার হবে। এই লক্ষ্যে কালাদান মাল্টিমোডাল ট্রানজিট ট্রান্সপোর্ট প্রজেক্ট এবং ভারতমিয়ানমারথাইল্যান্ড ত্রিপক্ষীয় হাইওয়ের কাজ দ্রুত শেষ করার জন্য উভয় দেশই একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

অবসরের ভাবনা নয়, এখনও বর্তমানেই মেসি; ২০৩০ বিশ্বকাপ নিয়ে দিলেন নতুন বার্তা

আমাদের ভূখণ্ড ভারতের বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে দেব না: মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট

আপডেট সময় ১০:৩৬:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬

এবার বাণিজ্য, সীমান্ত নিরাপত্তা, উন্নয়নমূলক সহায়তা এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর জোর দিয়ে প্রতিরক্ষা সহযোগিতাএই সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে মায়ানমারের সফররত প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইংয়ের বৈঠকে মূল প্রাধান্য পেয়েছে। বৈঠকে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট ভারতকে দৃঢ়ভাবে আশ্বস্ত করেছেন যে, ভারতের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করে এমন কোনো কাজে মিয়ানমারের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না। বৈঠক শেষে ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি জানান, নরেদ্র মোদি মিয়ানমারের সার্বভৌমত্ব এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রতি ভারতের পূর্ণ সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন। একই সঙ্গে দুই পক্ষই এই বিষয়ে একমত হয়েছে যে, কোনো দেশেরই সার্বভৌম ভূখণ্ড যেন একে অপরের নিরাপত্তা স্বার্থের পরিপন্থী বা ক্ষতিকর কোনো কার্যকলাপে ব্যবহৃত না হতে পারে।

একটি যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, মোদি মিয়ানমারকে ভারতের একটি অবিচল ও বিশ্বস্ত অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং দুই দেশের মধ্যে নিরাপত্তা সহযোগিতা আরও জোরদার করার ব্যাপারে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন। এছাড়া, মিয়ানমারের চলমান শান্তি প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করার সময় মোদি সেখানে একটি স্থায়ী শান্তি, অন্তর্ভুক্তি এবং সমস্ত অংশীদারদের আলোচনার টেবিলে আনার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেন।

দেশটির সঙ্গে ভারতের এই কূটনৈতিক যোগাযোগকে সমর্থন করে পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বলেন, “এই দ্বিপাক্ষিক আলোচনা মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক ব্যবস্থার ওপর কোনো মূল্যায়ন নয়। বরং মিয়ানমার থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হওয়া মানে অন্য শক্তির জন্য জায়গা ছেড়ে দেওয়া, যা আমাদের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদী উল্লেখ করেন যে, দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি পেলে পারস্পরিক অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার হবে। এই লক্ষ্যে কালাদান মাল্টিমোডাল ট্রানজিট ট্রান্সপোর্ট প্রজেক্ট এবং ভারতমিয়ানমারথাইল্যান্ড ত্রিপক্ষীয় হাইওয়ের কাজ দ্রুত শেষ করার জন্য উভয় দেশই একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে।