ঢাকা , বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
‘আমার কাছে কাজ করতে হলে ঘুষ দিতেই হবে’ সড়ক ছাড়লেন শিক্ষার্থীরা, রাতের মধ্যে শর্ত না মানলে কাল লংমার্চ জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হলে সরকারের পরিণতি আ.লীগের মতো হবে: সারজিস এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নে ভুল, ৪ শিক্ষককে শোকজ গণভোটের রায় বাস্তবায়নে বিরোধী দলকে সংবিধান সংশোধন কমিটিতে আসতে হবে বন্যায় শিক্ষার্থীদের কথা ভেবে পরীক্ষা পেছানোর আহ্বান রিজভীর পরীক্ষায় শেখ মুজিবকে নিয়ে প্রশ্ন, সামাজিক মাধ্যমে বিতর্ক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে পছন্দের রেফারি পেয়েছেন মেসি! চেয়ারম্যান প্রার্থীর কাছে টাকা চেয়ে দুই ভুয়া ডিজিএফআই সদস্য গ্রেপ্তার ইরানে আরও শক্তিশালী হামলা চালানো হবে: নেতানিয়াহু

‘হাসপাতালের টয়লেট পরিষ্কারের দায়িত্ব সাংবাদিকদের দিন’— স্বাস্থ্য কর্মকর্তার মন্তব্যে বিতর্ক

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৫:৩৩:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
  • ৭৪৬ বার পড়া হয়েছে

দেশের জেলা ও উপজেলা হাসপাতালগুলোর বাথরুম, টয়লেট এবং অভ্যন্তরীণ পরিচ্ছন্নতার দায়িত্ব সাংবাদিকদের দেওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল শাখার উপপরিচালক ডা. সৈয়দ আবু আহাম্মদ শাফী। তার এ মন্তব্যকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা।

বুধবার (২৪ জুন) সকালে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি লিখেন, আন্তঃমন্ত্রণালয়ের উচ্চ পর্যায়ের আলোচনার মাধ্যমে তথ্য মন্ত্রণালয় এবং তাদের অধীন সাংবাদিকদের বাংলাদেশের ৬০০ জেলা ও উপজেলা হাসপাতালের বাথরুম, টয়লেটসহ হাসপাতাল ভবনের অভ্যন্তরীণ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার দায়িত্ব অন্তত এক অর্থবছরের জন্য দেওয়া যেতে পারে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, যদি তারা এ কাজে সফল হন, তাহলে স্থায়ীভাবেও এ দায়িত্ব দেওয়া যেতে পারে। রাষ্ট্রের জনগণের কল্যাণে যে ভালো কাজ করতে পারবে, তার কাছেই দায়িত্ব দেওয়া উচিত বলেও মত প্রকাশ করেন তিনি।

বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় ডা. আহাম্মদ শাফী বলেন, স্বাস্থ্য বিভাগ একা সব সমস্যার জন্য দায়ী নয়। হাসপাতালের অবকাঠামো সম্প্রসারণ, জনবল ও অন্যান্য ব্যবস্থাপনাগত সীমাবদ্ধতার বিষয়গুলো যথাযথভাবে সামনে আসে না বলেও তিনি দাবি করেন।

তিনি বলেন, হাসপাতালের বাথরুমগুলোর বর্তমান অবস্থা কেন এমন, তা নিয়ে পর্যাপ্ত আলোচনা হয় না। সব দায় চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপকদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

তবে সরকারি দায়িত্বে থাকা একজন কর্মকর্তার এমন মন্তব্য নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. জাহিদ রায়হান বলেন, সরকারি পদে থেকে এ ধরনের মন্তব্য করার সুযোগ নেই। বিষয়টি খতিয়ে দেখে সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, মন্তব্যটি প্রকাশের কিছুক্ষণ পরই ডা. সৈয়দ আবু আহাম্মদ শাফী তার ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে সংশ্লিষ্ট স্ট্যাটাসটি মুছে ফেলেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

‘আমার কাছে কাজ করতে হলে ঘুষ দিতেই হবে’

‘হাসপাতালের টয়লেট পরিষ্কারের দায়িত্ব সাংবাদিকদের দিন’— স্বাস্থ্য কর্মকর্তার মন্তব্যে বিতর্ক

আপডেট সময় ০৫:৩৩:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

দেশের জেলা ও উপজেলা হাসপাতালগুলোর বাথরুম, টয়লেট এবং অভ্যন্তরীণ পরিচ্ছন্নতার দায়িত্ব সাংবাদিকদের দেওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল শাখার উপপরিচালক ডা. সৈয়দ আবু আহাম্মদ শাফী। তার এ মন্তব্যকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা।

বুধবার (২৪ জুন) সকালে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি লিখেন, আন্তঃমন্ত্রণালয়ের উচ্চ পর্যায়ের আলোচনার মাধ্যমে তথ্য মন্ত্রণালয় এবং তাদের অধীন সাংবাদিকদের বাংলাদেশের ৬০০ জেলা ও উপজেলা হাসপাতালের বাথরুম, টয়লেটসহ হাসপাতাল ভবনের অভ্যন্তরীণ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার দায়িত্ব অন্তত এক অর্থবছরের জন্য দেওয়া যেতে পারে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, যদি তারা এ কাজে সফল হন, তাহলে স্থায়ীভাবেও এ দায়িত্ব দেওয়া যেতে পারে। রাষ্ট্রের জনগণের কল্যাণে যে ভালো কাজ করতে পারবে, তার কাছেই দায়িত্ব দেওয়া উচিত বলেও মত প্রকাশ করেন তিনি।

বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় ডা. আহাম্মদ শাফী বলেন, স্বাস্থ্য বিভাগ একা সব সমস্যার জন্য দায়ী নয়। হাসপাতালের অবকাঠামো সম্প্রসারণ, জনবল ও অন্যান্য ব্যবস্থাপনাগত সীমাবদ্ধতার বিষয়গুলো যথাযথভাবে সামনে আসে না বলেও তিনি দাবি করেন।

তিনি বলেন, হাসপাতালের বাথরুমগুলোর বর্তমান অবস্থা কেন এমন, তা নিয়ে পর্যাপ্ত আলোচনা হয় না। সব দায় চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপকদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

তবে সরকারি দায়িত্বে থাকা একজন কর্মকর্তার এমন মন্তব্য নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. জাহিদ রায়হান বলেন, সরকারি পদে থেকে এ ধরনের মন্তব্য করার সুযোগ নেই। বিষয়টি খতিয়ে দেখে সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, মন্তব্যটি প্রকাশের কিছুক্ষণ পরই ডা. সৈয়দ আবু আহাম্মদ শাফী তার ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে সংশ্লিষ্ট স্ট্যাটাসটি মুছে ফেলেন।