যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপ ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে যখন উত্তেজনা বাড়ছে, তখন সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। আলোচনায় তিনি সম্ভাব্য হামলার পরিণতি নিয়ে কড়া সতর্কবার্তা দেন।
আরাগচি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে যেকোনো ধরনের আগ্রাসন চালালে তেহরান তার ‘সুনিশ্চিত ও শক্তিশালী’ জবাব দেবে। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে কোনো সামরিক অভিযানে মধ্যপ্রাচ্যের কোনো আরব দেশ অংশ নিলে, সেই দেশও ইরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তু হবে।
এদিকে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ইরানের ওপর চাপ বাড়াতে দেশটির জ্বালানি অবকাঠামোয় সম্ভাব্য হামলার পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার এ বিষয়ে তিনি মন্ত্রিসভার সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক করেন বলে জানা গেছে।
এর পর থেকেই একের পর এক কঠোর বার্তা দিয়ে আসছে তেহরান। ইরানের অবস্থান স্পষ্ট—তাদের জ্বালানি স্থাপনায় হামলা হলে শুধু হামলাকারী নয়, মধ্যপ্রাচ্যের সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর জ্বালানি অবকাঠামোও পাল্টা হামলার আওতায় আসতে পারে।
সব মিলিয়ে, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা নতুন করে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট 

























