ঢাকা , বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
জিন্নাহর ছবি ছেঁড়াকে ‘মব’ উল্লেখ করে বিচার দাবি করলেন ডাকসু নেতারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ৩ ককটেল বিস্ফোরণ ‘ইনশাআল্লাহ-জাযাকাল্লাহ’ বলায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই পশ্চিমবঙ্গের অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে বদলি অসহায় অর্ধশতাধিক নারী থেকে ফ্যামিলি কার্ডের নামে টাকা নেয়ার অভিযোগ যুবদল-বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে শিবিরের ‘গুপ্ত’ সন্দেহ রাবিতে শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ ছাত্রদলের বিরুদ্ধে খেয়ে না খেয়ে কাটছে শত বছরের ছালেহার শেষবেলা: ৬ সন্তান থাকলেও খোঁজ নেওয়ার মতো নেই কেউ! বিলুপ্ত র‌্যাব, নতুন ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন’ গঠনের আইন ‘সম্পত্তি হস্তান্তর বিল পাস হলে মা-বাবার মৃত্যুকামনা করবে সন্তানরা’ জিন্নাহর চরিত্রে অভিনয় করতে গিয়ে শুটিংয়ে কেঁদেছিলেন ক্রিস্টোফার লি নারীকে আবাসিক হোটেলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের

আবারও মোদির বাসভবন অভিমুখে পদযাত্রার ডাক

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৪১:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬
  • ৭৫ বার পড়া হয়েছে

ভারতে ২০ শতাংশ ইথানল মিশ্রিত ই-২০ পেট্রোল চালুর সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে আবারও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবন অভিমুখে পদযাত্রার ঘোষণা দিয়েছেন আম আদমি পার্টির (এএপি) জাতীয় আহ্বায়ক অরবিন্দ কেজরিওয়াল। আগামী ৪ আগস্ট (মঙ্গলবার) দুপুরে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে।

শনিবার (১ আগস্ট) দিল্লিতে আয়োজিত ‘ন্যাশনাল টাউনহল অ্যাগেইনস্ট ই-২০’ অনুষ্ঠানে এ ঘোষণা দেন সাবেক এই দিল্লি মুখ্যমন্ত্রী।

কেজরিওয়াল জানান, ই-২০ পেট্রোল নীতি প্রত্যাহারের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে দেওয়া একটি অনলাইন আবেদনে ইতোমধ্যে দুই লাখের বেশি মানুষ স্বাক্ষর করেছেন। তিনি বলেন, আগামী ৪ আগস্ট দুপুর ১২টায় নিজেই সেই গণআবেদনের মুদ্রিত কপি প্রধানমন্ত্রী মোদির বাসভবনে পৌঁছে দেবেন।

তিনি আরও বলেন, পদযাত্রায় তার সঙ্গে মাত্র ১০০ জন কর্মী-সমর্থক থাকবেন। তাদের এমনভাবে বাছাই করা হয়েছে, যারা পুলিশের বাধা, লাঠিচার্জ বা গ্রেপ্তারের ভয় পান না।

ই-২০ পেট্রোলের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন কেজরিওয়াল। তার দাবি, সরকার যদি মনে করে এই জ্বালানি সম্পূর্ণ নিরাপদ, তাহলে বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্য বিতর্কে আসা উচিত। সেখানে উভয় পক্ষ নিজেদের তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারবে।

অন্যদিকে কেজরিওয়ালের অভিযোগকে রাজনৈতিক স্টান্ট বলে উড়িয়ে দিয়েছে ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। দিল্লি বিজেপির সভাপতি হর্ষ মালহোত্রা বলেন, ই-২০ পেট্রোল ব্যবহারে ইঞ্জিন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে—এমন অন্তত ১০০টি ঘটনার সুনির্দিষ্ট প্রমাণ আগে কেজরিওয়ালের সামনে আনা উচিত।

ই-২০ পেট্রোলকে কেন্দ্র করে সরকার ও বিরোধী শিবিরের এই পাল্টাপাল্টি অবস্থান ভারতের জ্বালানি নীতি নিয়ে নতুন রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

জিন্নাহর ছবি ছেঁড়াকে ‘মব’ উল্লেখ করে বিচার দাবি করলেন ডাকসু নেতারা

আবারও মোদির বাসভবন অভিমুখে পদযাত্রার ডাক

আপডেট সময় ১১:৪১:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬

ভারতে ২০ শতাংশ ইথানল মিশ্রিত ই-২০ পেট্রোল চালুর সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে আবারও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবন অভিমুখে পদযাত্রার ঘোষণা দিয়েছেন আম আদমি পার্টির (এএপি) জাতীয় আহ্বায়ক অরবিন্দ কেজরিওয়াল। আগামী ৪ আগস্ট (মঙ্গলবার) দুপুরে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে।

শনিবার (১ আগস্ট) দিল্লিতে আয়োজিত ‘ন্যাশনাল টাউনহল অ্যাগেইনস্ট ই-২০’ অনুষ্ঠানে এ ঘোষণা দেন সাবেক এই দিল্লি মুখ্যমন্ত্রী।

কেজরিওয়াল জানান, ই-২০ পেট্রোল নীতি প্রত্যাহারের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে দেওয়া একটি অনলাইন আবেদনে ইতোমধ্যে দুই লাখের বেশি মানুষ স্বাক্ষর করেছেন। তিনি বলেন, আগামী ৪ আগস্ট দুপুর ১২টায় নিজেই সেই গণআবেদনের মুদ্রিত কপি প্রধানমন্ত্রী মোদির বাসভবনে পৌঁছে দেবেন।

তিনি আরও বলেন, পদযাত্রায় তার সঙ্গে মাত্র ১০০ জন কর্মী-সমর্থক থাকবেন। তাদের এমনভাবে বাছাই করা হয়েছে, যারা পুলিশের বাধা, লাঠিচার্জ বা গ্রেপ্তারের ভয় পান না।

ই-২০ পেট্রোলের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন কেজরিওয়াল। তার দাবি, সরকার যদি মনে করে এই জ্বালানি সম্পূর্ণ নিরাপদ, তাহলে বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্য বিতর্কে আসা উচিত। সেখানে উভয় পক্ষ নিজেদের তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারবে।

অন্যদিকে কেজরিওয়ালের অভিযোগকে রাজনৈতিক স্টান্ট বলে উড়িয়ে দিয়েছে ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। দিল্লি বিজেপির সভাপতি হর্ষ মালহোত্রা বলেন, ই-২০ পেট্রোল ব্যবহারে ইঞ্জিন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে—এমন অন্তত ১০০টি ঘটনার সুনির্দিষ্ট প্রমাণ আগে কেজরিওয়ালের সামনে আনা উচিত।

ই-২০ পেট্রোলকে কেন্দ্র করে সরকার ও বিরোধী শিবিরের এই পাল্টাপাল্টি অবস্থান ভারতের জ্বালানি নীতি নিয়ে নতুন রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।