এবার যমজ দুই ভাইয়ের সঙ্গে যমজ দুই বোনের বিয়ে হয়েছে। তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতাও সম্পন্ন করেছেন দুই যমজ পুরোহিত। ভারতের কেরালা রাজ্যে এমন ঘটনা ঘটেছে। শনিবার ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার চাঙ্গানাসেরি মেট্রোপলিটন চার্চে এ বিয়ের আয়োজন করা হয়। এ সময় অখিল কে থমাসের সঙ্গে ম্যাগি মেরি থমাসের এবং যমজ ভাই নিখিল কে থমাসের সঙ্গে ম্যাগির যমজ বোন মারিয়া মেরি থমাসের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বিয়ের প্রতিটি পর্বে যমজরা অংশ নিয়েছেন। এতে পুরো আয়োজনটি আরও ব্যতিক্রমী হয়ে উঠেছে। অনুষ্ঠানের পুরোহিত ও বেদি–সহায়করাও ছিলেন যমজ। বিয়ের এ আয়োজন কেবল কোনো আনুষ্ঠানিকতা ছিল না। এটি ছিল দুই পরিবারের বহু বছরের লালিত একটি স্বপ্নের বাস্তবায়ন। পাত্র অখিল ও নিখিল চাঙ্গানাসেরির ভেট্টুপারম্বিল এলাকার কুঞ্জুমন থমাস ও জোমলের যমজ সন্তান। আর পাত্রী ম্যাগি ও মারিয়া পাথানামথিট্টা জেলার কুম্বলুভেলিলের কুলাথুর এলাকার টমিচান ও মেরিকুট্টির যমজ কন্যা।
অনুষ্ঠানটির আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক ছিল, কাঞ্জিরাপল্লি ডায়োসিসের যমজ যাজক ফাদার আন্তো পেজুমকাটিল এবং ফাদার আজো পেজুমকাটিল এ বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন। এ সময় বেদীতে তাদের সহায়তা করেন পালারের যমজ ভাই জেরন জেমস ও জোহন জেমস। এনডিটিভি জানিয়েছে, বিয়ের প্রতিটি আয়োজনে যমজদের অংশগ্রহণ কোনো কাকতালীয় ঘটনা ছিল না। যমজ বোনেরা নিজেরাই যমজ যাজকদের সন্ধান করেছিলেন এবং শেষ পর্যন্ত কোঠানাল্লুরের একটি গির্জায় তাদের খুঁজে পান।
যমজ দুই বোন বলেন, ‘যমজদের মধ্যে বিয়ে করার স্বপ্ন আমাদের ছোটবেলা থেকেই ছিল। আমাদের বাবা–মা ও পরিবারের সদস্যেরাও এটি চেয়েছিলেন। যিশু খ্রিস্টই তা সম্ভব করেছেন। আমরা যখন যাজকদের আমন্ত্রণ জানাই, তারা সঙ্গে সঙ্গেই আসতে রাজি হয়ে যান।’ পুরোহিতরাও অনুষ্ঠানটিকে চিরস্মরণীয় হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তারা বলেন, যমজদের বিয়ে পড়ানো খুবই বিশেষ একটি ঘটনা। এটি আমাদের আজীবন মনে থাকবে। এই আয়োজন আমাদের ভালোবাসা ও একাত্মতার কথা মনে করিয়ে দেবে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুই ভাই মার্চেন্ট নেভিতে কর্মরত। আর যমজ দুই বোন তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি) খাতে কাজ করছেন। সূত্র: এনডিটিভি

ডেস্ক রিপোর্ট 

























