ঢাকা , বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বিগত ১৮ বছরে লোভ–লালসায় পা দিইনি: তথ্যমন্ত্রী পার্থ স্বৈরাচারের সময়ে বাপেক্সকে পঙ্গু করে রাখা হয়েছিল: প্রধানমন্ত্রী নিজের বি’রুদ্ধে অভি/যোগের প্রমাণ উন্মুক্ত করতে বললেন আসিফ মাহমুদ পে-স্কেল: ৫৩ বছরে ১৩০ থেকে পৌঁছেছে ১ লাখ ৫৬ হাজার বাংলাদেশ থেকে ২ লাখ কর্মী নেওয়ার দাবি নাকচ করল মালয়েশিয়া যুক্তরাষ্ট্রকে ধ্বং’স করতে ইরানকে গোপনে ‘ক্ষেপ/ণা/স্ত্র’ সহায়তা করছে রাশিয়া চলন্ত ট্রেনের ক্যান্টিনে নারীকে ধ/র্ষণ, চার পুলিশ সদস্যের বি’রু’দ্ধে ব্যবস্থা গ্যাস না পেয়ে সিএনজি চালকদের ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ চিকিৎসাধীন বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন কমলো এলপিজির দাম, সন্ধ্যা থেকেই কার্যকর

পে-স্কেল: ৫৩ বছরে ১৩০ থেকে পৌঁছেছে ১ লাখ ৫৬ হাজার

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৬:২৪:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

৫৩ বছরে সরকারি চাকরির বেতন: ১৩০ থেকে ১ লাখ ৫৬ হাজার

স্বাধীনতার পর ১৯৭৩ সালে দেশের প্রথম জাতীয় বেতন স্কেল চালু হলে সরকারি চাকরিজীবীদের সর্বনিম্ন প্রারম্ভিক মূল বেতন ছিল ১৩০ টাকা। ৫৩ বছর পর নবম জাতীয় বেতন স্কেলে সেই বেতন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০ হাজার টাকা। একই সময়ে প্রথম গ্রেডের মূল বেতন ২ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা।

অর্থাৎ ১৯৭৩ সালের তুলনায় সরকারি চাকরিজীবীদের সর্বনিম্ন প্রারম্ভিক মূল বেতন বেড়েছে ১৫৩ গুণের বেশি। আর সর্বোচ্চ মূল বেতন বেড়েছে প্রায় ৬৯ গুণ।

নতুন পে-স্কেলে কার বেতন কত

এক দশকের বেশি সময় পর সম্প্রতি অনুমোদিত হয়েছে নবম জাতীয় পে-স্কেল। এতে আগের মতো ২০টি গ্রেড রাখা হয়েছে। নতুন কাঠামোয় ২০তম গ্রেডে সর্বনিম্ন প্রারম্ভিক মূল বেতন ২০ হাজার টাকা এবং প্রথম গ্রেডে সর্বোচ্চ মূল বেতন ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

গ্রেডভিত্তিক মূল বেতন হলো—

গ্রেড নতুন মূল বেতন
১ম ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা
২য় ১ লাখ ৩২ হাজার–১ লাখ ৫৩ হাজার টাকা
৩য় ১ লাখ ১৩ হাজার–১ লাখ ৪৮ হাজার ৮০০ টাকা
৪র্থ ১ লাখ–১ লাখ ৪২ হাজার ৪০০ টাকা
৫ম ৮৬ হাজার–১ লাখ ৩৯ হাজার ৭০০ টাকা
৬ষ্ঠ ৭১ হাজার–১ লাখ ৩৪ হাজার টাকা
৭ম ৫৮ হাজার–১ লাখ ২৬ হাজার ৮০০ টাকা
৮ম ৪৭ হাজার ২০০–১ লাখ ১৩ হাজার ৭০০ টাকা
৯ম ৪৫ হাজার ১০০–১ লাখ ৮ হাজার ৮০০ টাকা
১০ম ৩২ হাজার–৭৭ হাজার ৩০০ টাকা
১১তম ২৫ হাজার–৬০ হাজার ৫০০ টাকা
১২তম ২৪ হাজার ৩০০–৫৮ হাজার ৭০০ টাকা
১৩তম ২৪ হাজার–৫৮ হাজার টাকা
১৪তম ২৩ হাজার ৫০০–৫৬ হাজার ৮০০ টাকা
১৫তম ২২ হাজার ৮০০–৫৫ হাজার ২০০ টাকা
১৬তম ২১ হাজার ৯০০–৫২ হাজার ৯০০ টাকা
১৭তম ২১ হাজার ৪০০–৫১ হাজার ৯০০ টাকা
১৮তম ২১ হাজার–৫০ হাজার ৯০০ টাকা
১৯তম ২০ হাজার ৫০০–৪৯ হাজার ৬০০ টাকা
২০তম ২০ হাজার–৪৮ হাজার ৪০০ টাকা

তবে নতুন বেতন কাঠামো ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর ধরা হলেও পুরো বেতন একসঙ্গে বাস্তবায়ন করা হবে না। মূল বেতন তিন ধাপে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত হয়েছে। নতুন হারে বিভিন্ন ভাতা কার্যকর হওয়ার কথা ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে।

২০তম গ্রেডে সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ বৃদ্ধি

নতুন পে-স্কেলে ২০তম গ্রেডের প্রারম্ভিক মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা করা হয়েছে। এতে এই গ্রেডে বেতন বেড়েছে ১৪২ শতাংশ।

অন্যদিকে, প্রথম গ্রেডের মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে দ্বিগুণ করে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মতো সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন লাখ টাকার সীমা ছাড়িয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিবের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রথম থেকে ১১তম গ্রেড পর্যন্ত বেতন ১০০ শতাংশ করে বাড়ানো হয়েছে। এরপর ১২তম গ্রেডে ১১৫ শতাংশ থেকে শুরু করে ২০তম গ্রেডে ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বেতন বৃদ্ধি পেয়েছে।

আটবার পরিবর্তন হয়েছে বেতন কাঠামো

পে কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৭৩ সালের পর সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন কাঠামো আটবার পরিবর্তন করা হয়েছে।

১৯৭৩ সালে প্রথম জাতীয় পে-স্কেলে সর্বনিম্ন মূল বেতন ছিল ১৩০ টাকা। ১৯৭৭ সালের দ্বিতীয় পে-স্কেলে তা বেড়ে হয় ২২৫ টাকা।

১৯৮৫ সালে তৃতীয় পে-স্কেলে সর্বনিম্ন বেতন হয় ৫০০ টাকা। ১৯৯১ সালে চতুর্থ পে-স্কেলে ৯০০ টাকা এবং ১৯৯৭ সালের পঞ্চম পে-স্কেলে ১ হাজার ৫০০ টাকা করা হয়।

২০০৫ সালের ষষ্ঠ পে-স্কেলে সর্বনিম্ন বেতন বেড়ে দাঁড়ায় ২ হাজার ৪০০ টাকা। ২০০৯ সালের সপ্তম পে-স্কেলে তা হয় ৪ হাজার ১০০ টাকা।

এরপর ২০১৫ সালের অষ্টম পে-স্কেলে সর্বনিম্ন মূল বেতন দ্বিগুণের বেশি বাড়িয়ে ৮ হাজার ২৫০ টাকা করা হয়।

সবশেষ নবম পে-স্কেলে সেই বেতন বেড়ে হয়েছে ২০ হাজার টাকা।

বেড়েছে মাথাপিছু আয়ও

পাঁচ দশকের বেশি সময়ে শুধু সরকারি চাকরিজীবীদের বেতনই নয়, দেশের মানুষের মাথাপিছু আয়ও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ছিল প্রায় ১১০ ডলার। ২০২৬ সালে তা বেড়ে হয়েছে প্রায় ৩ হাজার ২০ ডলার।

নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়িত হলে প্রায় ২৪ লাখ সামরিক ও বেসামরিক কর্মচারী এবং সোয়া ৯ লাখ অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী ও অন্যান্য যোগ্য সুবিধাভোগী উপকৃত হবেন বলে জানিয়েছে সরকার।

পুরো পে-স্কেল বাস্তবায়নে সরকারের অতিরিক্ত বার্ষিক ব্যয় হবে আনুমানিক ১ লাখ ৫ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বিগত ১৮ বছরে লোভ–লালসায় পা দিইনি: তথ্যমন্ত্রী পার্থ

পে-স্কেল: ৫৩ বছরে ১৩০ থেকে পৌঁছেছে ১ লাখ ৫৬ হাজার

আপডেট সময় ০৬:২৪:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

৫৩ বছরে সরকারি চাকরির বেতন: ১৩০ থেকে ১ লাখ ৫৬ হাজার

স্বাধীনতার পর ১৯৭৩ সালে দেশের প্রথম জাতীয় বেতন স্কেল চালু হলে সরকারি চাকরিজীবীদের সর্বনিম্ন প্রারম্ভিক মূল বেতন ছিল ১৩০ টাকা। ৫৩ বছর পর নবম জাতীয় বেতন স্কেলে সেই বেতন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০ হাজার টাকা। একই সময়ে প্রথম গ্রেডের মূল বেতন ২ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা।

অর্থাৎ ১৯৭৩ সালের তুলনায় সরকারি চাকরিজীবীদের সর্বনিম্ন প্রারম্ভিক মূল বেতন বেড়েছে ১৫৩ গুণের বেশি। আর সর্বোচ্চ মূল বেতন বেড়েছে প্রায় ৬৯ গুণ।

নতুন পে-স্কেলে কার বেতন কত

এক দশকের বেশি সময় পর সম্প্রতি অনুমোদিত হয়েছে নবম জাতীয় পে-স্কেল। এতে আগের মতো ২০টি গ্রেড রাখা হয়েছে। নতুন কাঠামোয় ২০তম গ্রেডে সর্বনিম্ন প্রারম্ভিক মূল বেতন ২০ হাজার টাকা এবং প্রথম গ্রেডে সর্বোচ্চ মূল বেতন ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

গ্রেডভিত্তিক মূল বেতন হলো—

গ্রেড নতুন মূল বেতন
১ম ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা
২য় ১ লাখ ৩২ হাজার–১ লাখ ৫৩ হাজার টাকা
৩য় ১ লাখ ১৩ হাজার–১ লাখ ৪৮ হাজার ৮০০ টাকা
৪র্থ ১ লাখ–১ লাখ ৪২ হাজার ৪০০ টাকা
৫ম ৮৬ হাজার–১ লাখ ৩৯ হাজার ৭০০ টাকা
৬ষ্ঠ ৭১ হাজার–১ লাখ ৩৪ হাজার টাকা
৭ম ৫৮ হাজার–১ লাখ ২৬ হাজার ৮০০ টাকা
৮ম ৪৭ হাজার ২০০–১ লাখ ১৩ হাজার ৭০০ টাকা
৯ম ৪৫ হাজার ১০০–১ লাখ ৮ হাজার ৮০০ টাকা
১০ম ৩২ হাজার–৭৭ হাজার ৩০০ টাকা
১১তম ২৫ হাজার–৬০ হাজার ৫০০ টাকা
১২তম ২৪ হাজার ৩০০–৫৮ হাজার ৭০০ টাকা
১৩তম ২৪ হাজার–৫৮ হাজার টাকা
১৪তম ২৩ হাজার ৫০০–৫৬ হাজার ৮০০ টাকা
১৫তম ২২ হাজার ৮০০–৫৫ হাজার ২০০ টাকা
১৬তম ২১ হাজার ৯০০–৫২ হাজার ৯০০ টাকা
১৭তম ২১ হাজার ৪০০–৫১ হাজার ৯০০ টাকা
১৮তম ২১ হাজার–৫০ হাজার ৯০০ টাকা
১৯তম ২০ হাজার ৫০০–৪৯ হাজার ৬০০ টাকা
২০তম ২০ হাজার–৪৮ হাজার ৪০০ টাকা

তবে নতুন বেতন কাঠামো ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর ধরা হলেও পুরো বেতন একসঙ্গে বাস্তবায়ন করা হবে না। মূল বেতন তিন ধাপে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত হয়েছে। নতুন হারে বিভিন্ন ভাতা কার্যকর হওয়ার কথা ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে।

২০তম গ্রেডে সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ বৃদ্ধি

নতুন পে-স্কেলে ২০তম গ্রেডের প্রারম্ভিক মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা করা হয়েছে। এতে এই গ্রেডে বেতন বেড়েছে ১৪২ শতাংশ।

অন্যদিকে, প্রথম গ্রেডের মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে দ্বিগুণ করে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মতো সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন লাখ টাকার সীমা ছাড়িয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিবের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রথম থেকে ১১তম গ্রেড পর্যন্ত বেতন ১০০ শতাংশ করে বাড়ানো হয়েছে। এরপর ১২তম গ্রেডে ১১৫ শতাংশ থেকে শুরু করে ২০তম গ্রেডে ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বেতন বৃদ্ধি পেয়েছে।

আটবার পরিবর্তন হয়েছে বেতন কাঠামো

পে কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৭৩ সালের পর সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন কাঠামো আটবার পরিবর্তন করা হয়েছে।

১৯৭৩ সালে প্রথম জাতীয় পে-স্কেলে সর্বনিম্ন মূল বেতন ছিল ১৩০ টাকা। ১৯৭৭ সালের দ্বিতীয় পে-স্কেলে তা বেড়ে হয় ২২৫ টাকা।

১৯৮৫ সালে তৃতীয় পে-স্কেলে সর্বনিম্ন বেতন হয় ৫০০ টাকা। ১৯৯১ সালে চতুর্থ পে-স্কেলে ৯০০ টাকা এবং ১৯৯৭ সালের পঞ্চম পে-স্কেলে ১ হাজার ৫০০ টাকা করা হয়।

২০০৫ সালের ষষ্ঠ পে-স্কেলে সর্বনিম্ন বেতন বেড়ে দাঁড়ায় ২ হাজার ৪০০ টাকা। ২০০৯ সালের সপ্তম পে-স্কেলে তা হয় ৪ হাজার ১০০ টাকা।

এরপর ২০১৫ সালের অষ্টম পে-স্কেলে সর্বনিম্ন মূল বেতন দ্বিগুণের বেশি বাড়িয়ে ৮ হাজার ২৫০ টাকা করা হয়।

সবশেষ নবম পে-স্কেলে সেই বেতন বেড়ে হয়েছে ২০ হাজার টাকা।

বেড়েছে মাথাপিছু আয়ও

পাঁচ দশকের বেশি সময়ে শুধু সরকারি চাকরিজীবীদের বেতনই নয়, দেশের মানুষের মাথাপিছু আয়ও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ছিল প্রায় ১১০ ডলার। ২০২৬ সালে তা বেড়ে হয়েছে প্রায় ৩ হাজার ২০ ডলার।

নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়িত হলে প্রায় ২৪ লাখ সামরিক ও বেসামরিক কর্মচারী এবং সোয়া ৯ লাখ অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী ও অন্যান্য যোগ্য সুবিধাভোগী উপকৃত হবেন বলে জানিয়েছে সরকার।

পুরো পে-স্কেল বাস্তবায়নে সরকারের অতিরিক্ত বার্ষিক ব্যয় হবে আনুমানিক ১ লাখ ৫ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা।