বিগত ১৮ বছরে চাইলে অনেক সুযোগ-সুবিধা নিতে পারতেন, কিন্তু কোনো লোভ-লালসায় পা দেননি বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ।
বুধবার দুপুরে মন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রথমবার নিজ নির্বাচনি এলাকা ভোলায় গেলে তাকে দেওয়া গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে হাজারো নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ সড়কের দুই পাশে দাঁড়িয়ে ফুল দিয়ে মন্ত্রীকে বরণ করে নেন। পরে খোলাগাড়িতে করে শহরের নতুন বাজার চত্বরে পৌঁছে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন আন্দালিভ রহমান পার্থ।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেওয়া দায়িত্ব সততার সঙ্গে পালন করার অঙ্গীকার করে তিনি বলেন, বিগত ১৮ বছরে অনেক সুযোগ-সুবিধা নেওয়ার সুযোগ থাকলেও তিনি কোনো লোভ-লালসায় পা দেননি।
ভোলা-বরিশাল সেতুর দাবির প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রী বলেন, এ সেতুর জন্য সবাই আন্দোলন করেছেন এবং সংসদেও দাবি তোলা হয়েছে। তবে হিজলা-মুলাদী ও শরীয়তপুর হয়ে ঢাকা গেলে সময় কম লাগবে—এ বিবেচনায় সরকার বিকল্প কিছু ভাবছে। এ নিয়ে কোনো মহল যেন বিভ্রান্তি না ছড়ায়, সে আহ্বান জানান তিনি।
পার্থ বলেন, ভোলার জন্য যেটি ভালো হবে, সেটিই সবাই চাইবেন। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী ও বিশেষজ্ঞরা সিদ্ধান্ত নেবেন। তবে ভোলাবাসীর দাবির কথা তারা বলে যাবেন।
নিজের ছয় মাসের সংসদ সদস্যের দায়িত্ব পালনের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, কোনো অনিয়ম-দুর্নীতিকে তিনি প্রশ্রয় দেননি এবং ভবিষ্যতেও দেবেন না।
টিআর ও কাবিখা প্রকল্পে কেউ অনিয়ম করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানান তথ্যমন্ত্রী।
এর আগে ঢাকা থেকে সড়কপথে বরিশাল হয়ে লাহারহাট পৌঁছান আন্দালিভ রহমান পার্থ। সেখান থেকে স্পিডবোটে ভোলার খেয়াঘাটে পৌঁছালে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও জেলা পরিষদ প্রশাসক আলমগীরের নেতৃত্বে বিএনপি ও বিজেপির নেতাকর্মীরা তাকে শুভেচ্ছা জানান।
পরে খেয়াঘাট থেকে ভোলা শহরে যাওয়ার পথে বিভিন্ন স্থানে সর্বস্তরের মানুষ ফুল দিয়ে মন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান। এ সময় জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান, পুলিশ সুপার শহীদুল্লাহ কাওছারসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ডেস্ক রিপোর্ট 




















