ঢাকা , রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
৩০ বছর চৌকাঠে ব্যবহার হওয়া বস্তুটি বিরল উল্কাপিণ্ড, মূল্য প্রায় ১ কোটি টাকা চাঁদার জন্য নয়, জমি বিরোধেই সালমানের স্টুডিও ভাঙচুর: রাশেদ খাঁন চুরির অভিযোগে রাতভর খুঁটিতে বাঁধা বাবাকে চা-রুটি খাওয়ালেন মেয়ে, ভিডিও ভাইরাল সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলায় আমরা লজ্জিত: ছাত্রদল নেতা আবিদ দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের নির্দেশ এবার ছয় বছরের শিশু মুসলিমার গলাকাটা বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার আজকের জননিরাপত্তাহীন বাংলাদেশ বিএনপির সংস্কার বিরোধী অবস্থানের ফলাফল: হাসনাত জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা-ভাঙচুর, আটক ৩ বিএনপি টিকেই আছে চাঁদাবাজি-দখলদারিত্বের ওপর: সারজিস যুদ্ধাপরাধীদের জায়গা আদালতে, জাতিসংঘের মঞ্চে নয়: নেতানিয়াহুকে এরদোয়ান

ঢাকা-১৩ আসনের প্রার্থিতায় টিকে গেলেন মামুনুল হক-ববি হাজ্জাজ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৪:৩৪:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৪৯৭ বার পড়া হয়েছে

এবার হলফনামায় পেশাগত তথ্য ও নাগরিকত্বসংক্রান্ত ত্রুটি সংশোধন করে ঢাকা-১৩ আসনের নির্বাচনী লড়াইয়ে টিকে গেছেন খেলাফত মজলিসের নেতা মামুনুল হক ও বিএনপির প্রার্থী ববি হাজ্জাজ। প্রাথমিকভাবে তাদের মনোনয়নে কিছু কারিগরি ও তথ্যের অসংগতি ধরা পড়লেও শুনানির সময় প্রয়োজনীয় তথ্য সংশোধন করায় তাদের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করা হয়। এর ফলে এই আসনে ১১ জন প্রার্থীর মধ্যে শেষ পর্যন্ত ৬ জন বৈধ হিসেবে লড়াইয়ে থাকলেন এবং বাদ পড়লেন ৫ জন।

আজ শনিবার (৩ জানুয়ারি) রাজধানীর নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে (ইটিআই) মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. ইউনুচ আলী তাদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন। রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, ঢাকা-১৩ আসনে মোট ১১টি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছিল। যাচাই-বাছাই শেষে ৬টি বৈধ ও ৫টি বাতিল করা হয়েছে। বৈধ ঘোষিত প্রার্থীরা হলেন– মামুনুল হক (খেলাফত মজলিস), ববি হাজ্জাজ (বিএনপি), সোহেল রানা (স্বতন্ত্র), মুরাদ হোসেন (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ), মো. শাহাবুদ্দিন (বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টি) এবং ফাতেমা আক্তার মুনিয়া (ইনসানিয়াত বিপ্লব)।

অন্যদিকে মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া প্রার্থীরা হলেন– শেখ মো. রবিউল ইসলাম (স্বতন্ত্র), মিজানুর রহমান (গণ অধিকার পরিষদ), শাহরিয়ার ইফতেখার (বাংলাদেশ মুসলিম লীগ), মো. খালেকুজ্জামান (বাসদ) ও রাজু আহমেদ (আমজনতার দল)। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ প্রার্থীরা ৫ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারির মধ্যে আপিল করতে পারবেন। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) তফসিল অনুযায়ী, আপিল নিষ্পত্তি হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি।

এরপর ২১ জানুয়ারি রিটার্নিং কর্মকর্তা চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে প্রতীক বরাদ্দ করবেন। প্রতীক পাওয়ার পর ২২ জানুয়ারি থেকে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে, যা চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত। পরিশেষে ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

৩০ বছর চৌকাঠে ব্যবহার হওয়া বস্তুটি বিরল উল্কাপিণ্ড, মূল্য প্রায় ১ কোটি টাকা

ঢাকা-১৩ আসনের প্রার্থিতায় টিকে গেলেন মামুনুল হক-ববি হাজ্জাজ

আপডেট সময় ০৪:৩৪:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬

এবার হলফনামায় পেশাগত তথ্য ও নাগরিকত্বসংক্রান্ত ত্রুটি সংশোধন করে ঢাকা-১৩ আসনের নির্বাচনী লড়াইয়ে টিকে গেছেন খেলাফত মজলিসের নেতা মামুনুল হক ও বিএনপির প্রার্থী ববি হাজ্জাজ। প্রাথমিকভাবে তাদের মনোনয়নে কিছু কারিগরি ও তথ্যের অসংগতি ধরা পড়লেও শুনানির সময় প্রয়োজনীয় তথ্য সংশোধন করায় তাদের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করা হয়। এর ফলে এই আসনে ১১ জন প্রার্থীর মধ্যে শেষ পর্যন্ত ৬ জন বৈধ হিসেবে লড়াইয়ে থাকলেন এবং বাদ পড়লেন ৫ জন।

আজ শনিবার (৩ জানুয়ারি) রাজধানীর নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে (ইটিআই) মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. ইউনুচ আলী তাদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন। রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, ঢাকা-১৩ আসনে মোট ১১টি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছিল। যাচাই-বাছাই শেষে ৬টি বৈধ ও ৫টি বাতিল করা হয়েছে। বৈধ ঘোষিত প্রার্থীরা হলেন– মামুনুল হক (খেলাফত মজলিস), ববি হাজ্জাজ (বিএনপি), সোহেল রানা (স্বতন্ত্র), মুরাদ হোসেন (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ), মো. শাহাবুদ্দিন (বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টি) এবং ফাতেমা আক্তার মুনিয়া (ইনসানিয়াত বিপ্লব)।

অন্যদিকে মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া প্রার্থীরা হলেন– শেখ মো. রবিউল ইসলাম (স্বতন্ত্র), মিজানুর রহমান (গণ অধিকার পরিষদ), শাহরিয়ার ইফতেখার (বাংলাদেশ মুসলিম লীগ), মো. খালেকুজ্জামান (বাসদ) ও রাজু আহমেদ (আমজনতার দল)। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ প্রার্থীরা ৫ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারির মধ্যে আপিল করতে পারবেন। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) তফসিল অনুযায়ী, আপিল নিষ্পত্তি হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি।

এরপর ২১ জানুয়ারি রিটার্নিং কর্মকর্তা চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে প্রতীক বরাদ্দ করবেন। প্রতীক পাওয়ার পর ২২ জানুয়ারি থেকে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে, যা চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত। পরিশেষে ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।