ঢাকা , রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চাঁদাবাজি-মাদকে ‘মার্কিন বাবু’ আটক, জিজ্ঞাসাবাদে মুক্ত

রাজধানীর খিলক্ষেত থানাধীন নিকুঞ্জ-০২ এলাকায় চাঁদাবাজি, ময়লা বাণিজ্য ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে এমদাদুল ইসলাম বাবু ওরফে ‘মার্কিন বাবু’ (৩৪) কে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আটক করে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে নিকুঞ্জ-০২ এলাকার বিভিন্ন ফুটপাত থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায় এবং ময়লা ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে অর্থ আদায়ের সঙ্গে তার সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। তার বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নিয়মিত অর্থ নেওয়া এবং এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের অভিযোগও রয়েছে। এছাড়া ব্যবসায়ী ও স্থানীয়দের কাছ থেকে ভয়ভীতি দেখিয়ে টাকা আদায়ে তার অনুসারীরা সক্রিয় ছিল বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা।

এলাকাবাসীর কয়েকজন জানান, রাজনৈতিক পরিচয় ও প্রভাব ব্যবহার করে তিনি দীর্ঘদিন এলাকায় নিজের অবস্থান শক্ত করেন। স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তিনি স্থানীয় টানপাড়া মাতাব্বর বাড়ির সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বজায় রেখে সুবিধা নিয়েছেন। বর্তমানে তিনি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন বলেও এলাকায় আলোচনা রয়েছে।

আটকের পর প্রায় ৩ ঘণ্টা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরবর্তীতে আইনগত প্রক্রিয়া ও অভিযোগ যাচাই-বাছাই শেষে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অভিযোগগুলোর বিষয়ে যাচাই-বাছাই ও প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

এলাকাবাসীর দাবি, খিলক্ষেত এলাকায় চাঁদাবাজি, মাদক সংশ্লিষ্টতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁদাবাজি-মাদকে ‘মার্কিন বাবু’ আটক, জিজ্ঞাসাবাদে মুক্ত

আপডেট সময় ০৩:১১:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

রাজধানীর খিলক্ষেত থানাধীন নিকুঞ্জ-০২ এলাকায় চাঁদাবাজি, ময়লা বাণিজ্য ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে এমদাদুল ইসলাম বাবু ওরফে ‘মার্কিন বাবু’ (৩৪) কে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আটক করে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে নিকুঞ্জ-০২ এলাকার বিভিন্ন ফুটপাত থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায় এবং ময়লা ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে অর্থ আদায়ের সঙ্গে তার সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। তার বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নিয়মিত অর্থ নেওয়া এবং এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের অভিযোগও রয়েছে। এছাড়া ব্যবসায়ী ও স্থানীয়দের কাছ থেকে ভয়ভীতি দেখিয়ে টাকা আদায়ে তার অনুসারীরা সক্রিয় ছিল বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা।

এলাকাবাসীর কয়েকজন জানান, রাজনৈতিক পরিচয় ও প্রভাব ব্যবহার করে তিনি দীর্ঘদিন এলাকায় নিজের অবস্থান শক্ত করেন। স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তিনি স্থানীয় টানপাড়া মাতাব্বর বাড়ির সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বজায় রেখে সুবিধা নিয়েছেন। বর্তমানে তিনি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন বলেও এলাকায় আলোচনা রয়েছে।

আটকের পর প্রায় ৩ ঘণ্টা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরবর্তীতে আইনগত প্রক্রিয়া ও অভিযোগ যাচাই-বাছাই শেষে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অভিযোগগুলোর বিষয়ে যাচাই-বাছাই ও প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

এলাকাবাসীর দাবি, খিলক্ষেত এলাকায় চাঁদাবাজি, মাদক সংশ্লিষ্টতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক।