ঢাকা , মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নেইমারকে না নামানোর কারণ জানালেন আনচেলত্তি চাপ, চ্যালেঞ্জ আর প্রত্যাবর্তন-জাপানের দুর্গে ফাটল ধরিয়ে জয়ের হাসি ব্রাজিলের ব্রাজিল বনাম জাপানের শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচটি যেসব রেকর্ডের জন্ম দিল কাসেমিরোর গোলে ঘুরে দাঁড়াল ব্রাজিল, স্কোর ১-১ পাওনা টাকা নিয়ে রণক্ষেত্র ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ওসিসহ আহত ২৫ ব্রাজিলের শুভকামনা জানিয়ে রুমিন ফারহানার পোস্ট যৌন নিপীড়ন মামলায় হেরে গেলেন ট্রাম্প, গুনতে হবে ৫০ লাখ ডলার জরিমানা কিছুক্ষণ পর মাঠে নামছে ব্রাজিল – জাপান ইয়াবাসহ আটক আর্জেন্টাইন সমর্থককে এআই দিয়ে ব্রাজিলের জার্সি পরাল পুলিশ! বিশ্বকাপের রেশ কাটতেই ব্রাজিলের সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ

‘আমরা বঙ্গবন্ধুকে হৃদয়ে ধারণ করি ও ভালোবাসি’

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৪:৪৫:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ অগাস্ট ২০২৫
  • ১৬৬০ বার পড়া হয়েছে

এবার পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার সোনারঘোপ রমেশ চন্দ্র সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি ঝুলিয়ে রাখাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীদের অভিযোগ, সরকারি অফিসগুলোতে নিরপেক্ষতা বজায় রাখা উচিত হলেও এখানে শুধু একটি রাজনৈতিক দলের প্রতীকী ব্যক্তিত্বের ছবি টানানো হয়েছে, যা পক্ষপাতদুষ্ট মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ করে।

এদিকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক উপজেলা বিএনপির এক নেতা বলেন, বঙ্গবন্ধুর অবদান অনস্বীকার্য হলেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শুধু একপক্ষের ছবি ঝুলিয়ে রাখলে সেটি অন্য দলের প্রতি অবিচার ও বৈষম্য তৈরি করে। দেশের ইতিহাসে অবদান রাখা সব জাতীয় নেতার মর্যাদা রক্ষা করতে হবে এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে দলীয় প্রভাবমুক্ত রাখতে হবে।

নেছারাবাদ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক মো. আজাহারুল ইসলাম টুটুল বলেন, ‘১৭ বছর ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারি-বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এককভাবে বঙ্গবন্ধু ও হাসিনার ছবি টানিয়ে রেখেছে। বাংলাদেশ স্বাধীনতা সংগ্রামে অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের অস্তিত্ব রক্ষা করেনি। আমরা এর বিরোধিতা করি।’

এদিকে সোনারঘোপ রমেশ চন্দ্র সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. রেজাউল কবির বলেন, ‘পদাধিকার বলে আমি ওই স্কুলের সহকারী শিক্ষক। প্রধান শিক্ষক যদি বঙ্গবন্ধুর ছবি না সরায় আমরা কী করতে পারি? তবুও আমাদের স্কুলের সরকারি শিক্ষকরা একাধিকবার ছবি সরানোর কথা বলেছিলাম তিনি সেটি শুনেননি।’

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা শামীমা ইয়াছমিন বলেন, ‘আমার বাবা মইনুদ্দিন মাস্টার একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা; আমি বঙ্গবন্ধুর ছবি নামাবো না; কেউ যদি অপসারণ করে সেটা তাদের ব্যাপার। আমরা বঙ্গবন্ধুকে হৃদয়ের ধারণ করি ও ভালোবাসি। তার অপমান কখনোই চাইবো না।

এ বিষয়ে নেসারাবাদ উপজেলার সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মো. গিয়াস উদ্দীন বলেন, ‘দেশের পটপরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে উপজেলার সব বিদ্যালয় থেকে শেখ মুজিবর রহমানের ছবি সরানো হয়েছে। তবে ছবি সরানোর জন্য সরকারি কোনো নির্দেশনা নেই। ওই বিদ্যালয়ের দেওয়ালে কেন এখনো শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি টাঙানো আছে প্রধান শিক্ষিকার কাছে আমি জানতে চাইব।’

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নেইমারকে না নামানোর কারণ জানালেন আনচেলত্তি

‘আমরা বঙ্গবন্ধুকে হৃদয়ে ধারণ করি ও ভালোবাসি’

আপডেট সময় ০৪:৪৫:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ অগাস্ট ২০২৫

এবার পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার সোনারঘোপ রমেশ চন্দ্র সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি ঝুলিয়ে রাখাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীদের অভিযোগ, সরকারি অফিসগুলোতে নিরপেক্ষতা বজায় রাখা উচিত হলেও এখানে শুধু একটি রাজনৈতিক দলের প্রতীকী ব্যক্তিত্বের ছবি টানানো হয়েছে, যা পক্ষপাতদুষ্ট মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ করে।

এদিকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক উপজেলা বিএনপির এক নেতা বলেন, বঙ্গবন্ধুর অবদান অনস্বীকার্য হলেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শুধু একপক্ষের ছবি ঝুলিয়ে রাখলে সেটি অন্য দলের প্রতি অবিচার ও বৈষম্য তৈরি করে। দেশের ইতিহাসে অবদান রাখা সব জাতীয় নেতার মর্যাদা রক্ষা করতে হবে এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে দলীয় প্রভাবমুক্ত রাখতে হবে।

নেছারাবাদ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক মো. আজাহারুল ইসলাম টুটুল বলেন, ‘১৭ বছর ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারি-বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এককভাবে বঙ্গবন্ধু ও হাসিনার ছবি টানিয়ে রেখেছে। বাংলাদেশ স্বাধীনতা সংগ্রামে অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের অস্তিত্ব রক্ষা করেনি। আমরা এর বিরোধিতা করি।’

এদিকে সোনারঘোপ রমেশ চন্দ্র সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. রেজাউল কবির বলেন, ‘পদাধিকার বলে আমি ওই স্কুলের সহকারী শিক্ষক। প্রধান শিক্ষক যদি বঙ্গবন্ধুর ছবি না সরায় আমরা কী করতে পারি? তবুও আমাদের স্কুলের সরকারি শিক্ষকরা একাধিকবার ছবি সরানোর কথা বলেছিলাম তিনি সেটি শুনেননি।’

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা শামীমা ইয়াছমিন বলেন, ‘আমার বাবা মইনুদ্দিন মাস্টার একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা; আমি বঙ্গবন্ধুর ছবি নামাবো না; কেউ যদি অপসারণ করে সেটা তাদের ব্যাপার। আমরা বঙ্গবন্ধুকে হৃদয়ের ধারণ করি ও ভালোবাসি। তার অপমান কখনোই চাইবো না।

এ বিষয়ে নেসারাবাদ উপজেলার সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মো. গিয়াস উদ্দীন বলেন, ‘দেশের পটপরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে উপজেলার সব বিদ্যালয় থেকে শেখ মুজিবর রহমানের ছবি সরানো হয়েছে। তবে ছবি সরানোর জন্য সরকারি কোনো নির্দেশনা নেই। ওই বিদ্যালয়ের দেওয়ালে কেন এখনো শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি টাঙানো আছে প্রধান শিক্ষিকার কাছে আমি জানতে চাইব।’