ঢাকা , বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
মাদক কারবারিদের সংশোধনে তাবলিগে পাঠালেন ওসি ১০ কোটি টাকার সেতুতে রডের বদলে বাঁশ দিয়ে ঢালাই, গ্রেপ্তার ১ নেদারল্যান্ডসের রানির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কুশল বিনিময় জাতিসংঘে ভাষণে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বীকৃতির দাবি জানালেন এরদোয়ান গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে যা বললেন স্পিকার আমার দুধের সন্তানকে অপরাধী বানাতে চাইলে মেনে নেব না: অপ্রতিমের মা বাংলাদেশি সাংবাদিকদের ফ্রিতে সাংবাদিকতা শেখাবে ভারত বিনামূল্যে ১০ লিটার মদ না দেয়ায় ম্যানেজারের শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন! প্রয়োজনীয় সহায়তা ও সুরক্ষার অভাবে গাজা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে: জাতিসংঘে ড. খলিলুর বিএনপির কার্যালয় পোড়ানো মামলায় গ্রেপ্তার, পরদিনই আ.লীগ কর্মীর জামিন

সবার জন্য ন্যায়ভিত্তিক কল্যাণ রাষ্ট্র গড়তে চাই: জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান”

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৪৩:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৯৯ বার পড়া হয়েছে

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, “আমরা এমন এক কল্যাণ রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখি, যেখানে অভিজাত শ্রেণি যেমন সুবিধা পাবে, তেমনি সমাজের বঞ্চিত ও পিছিয়ে পড়া মানুষও সমানভাবে কল্যাণ ভোগ করবে।”

বুধবার আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস উপলক্ষে রাজধানীর কুড়িলে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের একটি বিদ্যালয় পরিদর্শনকালে তিনি এই মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, “যে দেশে প্রকৃত কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত, সেখানে ‘স্পেশাল নিড বেবি’দের জন্য একজন সহায়তাকারী নিয়োগ দেয়া হয় এবং তার সব বেতন-ভাতা রাষ্ট্র বহন করে। এই ব্যক্তি মা, বাবা বা পরিবারের অন্য কেউও হতে পারেন।”
তিনি সবাইকে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের প্রতি সংবেদনশীল, দায়িত্বশীল ও সহযোগিতামূলক ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

পরিদর্শনকালে ডা. শফিকুর রহমান শিশুদের সঙ্গে সময় কাটান এবং তাদের শিক্ষাদান, পরিচর্যা ও পরিবেশ সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন। তিনি অভিভাবক, শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠানের পরিচালকদের প্রয়োজন, চ্যালেঞ্জ ও অভিব্যক্তি মনোযোগ দিয়ে শোনেন।

জামায়াত আমির বলেন, “এই শিশুদের নিষ্পাপ হাসি, শেখার আগ্রহ ও সম্ভাবনা আমাকে গভীরভাবে আলোড়িত করেছে। যারা তাদের নিয়ে কাজ করছেন—শিক্ষক, পরিচালক ও অভিভাবকদের ত্যাগ, ধৈর্য ও মমত্ববোধ সত্যিই প্রশংসার যোগ্য।”

তিনি আরও বলেন, সমাজে প্রতিষ্ঠিত অভিজাতদের জন্য নয়, বরং বঞ্চিত ও কষ্টে থাকা মানুষের কল্যাণেই তার পরিশ্রম ও চিন্তা নিবেদিত।
তিনি ‘প্রতিবন্ধী’ শব্দটির পরিবর্তে ‘স্পেশাল নিড বেবিজ’ শব্দ ব্যবহার করে বলেন, “এই শিশুদের পরিবার, বিশেষ করে মায়েরা অনেক সময় সমাজ ও আত্মীয়স্বজনের কাছেও অবহেলা অনুভব করেন। এটি আমাদের অজ্ঞতা ছাড়া কিছুই নয়। তারা বিশাল সামাজিক দায়িত্ব পালন করছেন—তাদের পূর্ণ সমর্থন দেওয়া সমাজের কর্তব্য।”

তিনি বলেন, এসব শিশুদের আলাদা করে নয়, বরং যাদের যে ক্ষেত্রে সম্ভাবনা আছে, সেই পথে এগিয়ে নিতে সমাজকে ভূমিকা রাখতে হবে।

পরিদর্শনে তার সঙ্গে ছিলেন শিক্ষাবিদ ও গবেষক ড. ইঞ্জিনিয়ার জুবায়ের আহমেদ এবং খিলক্ষেত থানা জামায়াতের আমির হাসনাইন আহমেদ।


ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদক কারবারিদের সংশোধনে তাবলিগে পাঠালেন ওসি

সবার জন্য ন্যায়ভিত্তিক কল্যাণ রাষ্ট্র গড়তে চাই: জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান”

আপডেট সময় ১০:৪৩:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, “আমরা এমন এক কল্যাণ রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখি, যেখানে অভিজাত শ্রেণি যেমন সুবিধা পাবে, তেমনি সমাজের বঞ্চিত ও পিছিয়ে পড়া মানুষও সমানভাবে কল্যাণ ভোগ করবে।”

বুধবার আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস উপলক্ষে রাজধানীর কুড়িলে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের একটি বিদ্যালয় পরিদর্শনকালে তিনি এই মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, “যে দেশে প্রকৃত কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত, সেখানে ‘স্পেশাল নিড বেবি’দের জন্য একজন সহায়তাকারী নিয়োগ দেয়া হয় এবং তার সব বেতন-ভাতা রাষ্ট্র বহন করে। এই ব্যক্তি মা, বাবা বা পরিবারের অন্য কেউও হতে পারেন।”
তিনি সবাইকে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের প্রতি সংবেদনশীল, দায়িত্বশীল ও সহযোগিতামূলক ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

পরিদর্শনকালে ডা. শফিকুর রহমান শিশুদের সঙ্গে সময় কাটান এবং তাদের শিক্ষাদান, পরিচর্যা ও পরিবেশ সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন। তিনি অভিভাবক, শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠানের পরিচালকদের প্রয়োজন, চ্যালেঞ্জ ও অভিব্যক্তি মনোযোগ দিয়ে শোনেন।

জামায়াত আমির বলেন, “এই শিশুদের নিষ্পাপ হাসি, শেখার আগ্রহ ও সম্ভাবনা আমাকে গভীরভাবে আলোড়িত করেছে। যারা তাদের নিয়ে কাজ করছেন—শিক্ষক, পরিচালক ও অভিভাবকদের ত্যাগ, ধৈর্য ও মমত্ববোধ সত্যিই প্রশংসার যোগ্য।”

তিনি আরও বলেন, সমাজে প্রতিষ্ঠিত অভিজাতদের জন্য নয়, বরং বঞ্চিত ও কষ্টে থাকা মানুষের কল্যাণেই তার পরিশ্রম ও চিন্তা নিবেদিত।
তিনি ‘প্রতিবন্ধী’ শব্দটির পরিবর্তে ‘স্পেশাল নিড বেবিজ’ শব্দ ব্যবহার করে বলেন, “এই শিশুদের পরিবার, বিশেষ করে মায়েরা অনেক সময় সমাজ ও আত্মীয়স্বজনের কাছেও অবহেলা অনুভব করেন। এটি আমাদের অজ্ঞতা ছাড়া কিছুই নয়। তারা বিশাল সামাজিক দায়িত্ব পালন করছেন—তাদের পূর্ণ সমর্থন দেওয়া সমাজের কর্তব্য।”

তিনি বলেন, এসব শিশুদের আলাদা করে নয়, বরং যাদের যে ক্ষেত্রে সম্ভাবনা আছে, সেই পথে এগিয়ে নিতে সমাজকে ভূমিকা রাখতে হবে।

পরিদর্শনে তার সঙ্গে ছিলেন শিক্ষাবিদ ও গবেষক ড. ইঞ্জিনিয়ার জুবায়ের আহমেদ এবং খিলক্ষেত থানা জামায়াতের আমির হাসনাইন আহমেদ।