ঢাকা , শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
শিবির হত্যার বিচার না পেয়ে দুধ দিয়ে গোসল করে রাজনীতি ছেড়েদেন বিএনপি নেতা সরকারি দলের দায়িত্বহীন বক্তব্যে দেশে সন্ত্রাসী কার্যক্রম বাড়ছে: জামায়াত আমির ইরানের পক্ষে যুদ্ধে না জড়ানোয় এরদোয়ানের প্রশংসা করলেন ট্রাম্প রাজনৈতিক খুনোখুনি: দায় চাপিয়ে দায়মুক্তি চাইছে বিএনপি-জামায়াত? খামেনির শেষ বিদায়ে ইরানের আমন্ত্রণ পেয়ে ‘বিপাকে’ মোদি ভূমিকম্প-বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলার উপকূলে ব্যাপক লুটপাট আশুরার রোজা কয়টি? আলেমদের অভিমত কী বলছে ‘চার মাসের মধ্যে আরও এক লাখ কোটি টাকার ঋণের জালে দেশ’ ভেনেজুয়েলায় ভয়াবহ ভূমিকম্পে ১৬৪ জনের মরদেহ উদ্ধার প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে কলেজছাত্রের আত্মহত্যা

দুর্নীতি-লুটপাটের খেসারত জনগণ দেবে না, জনগণের পকেট কাটতে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি: এবি পার্টি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:৫৬:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬
  • ১১৪ বার পড়া হয়েছে

এবার বিদ্যুতের মূল্য ১৫২০ শতাংশ বৃদ্ধিতে গভীর উদ্বেগ, ক্ষোভ ও তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু ও সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ। বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি দিয়ে তারা বলেছেন, দুর্নীতিলুটপাটের খেসারত জনগণ দেবে না। জনগণের পকেট কাটতেই বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) এক যৌথ বিবৃতিতে তারা বলেন, দেশের জনগণ যখন লাগামহীন দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, বেকারত্ব, শিল্প খাতের সংকট এবং জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের চাপে দিশেহারা, তখন বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির এই সিদ্ধান্ত সাধারণ মানুষের ওপর নতুন করে অর্থনৈতিক নির্যাতন চাপিয়ে দেওয়ার শামিল। বিদ্যুৎ আজ কেবল একটি সেবা নয়; এটি কৃষি, শিল্প, ব্যবসাবাণিজ্য, শিক্ষা ও দৈনন্দিন জীবনের অপরিহার্য উপাদান। ফলে বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি মানেই প্রতিটি পণ্য ও সেবার উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি এবং সামগ্রিক মূল্যস্ফীতিকে আরও উসকে দেওয়া।

এবি পার্টি শীর্ষ দুই নেতা বলেন, জনগণের ঘাড়ে বারবার মূল্যবৃদ্ধির বোঝা চাপিয়ে দিয়ে বিদ্যুৎ খাতের অব্যবস্থাপনা, দুর্নীতি, লুটপাট ও নীতিগত ব্যর্থতার দায় এড়ানো যায় না। বছরের পর বছর ভুল পরিকল্পনা, অস্বচ্ছ চুক্তি, অতিরিক্ত সক্ষমতার নামে জনগণের অর্থ অপচয় এবং জবাবদিহিতার অভাবে বিদ্যুৎ খাতকে সংকটের দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। এখন সেই ব্যর্থতার মূল্য জনগণকে দিতে বাধ্য করা হচ্ছে।

তারা বলেন, একটি কল্যাণমুখী ও জনবান্ধব রাষ্ট্রে অর্থনৈতিক সংকটের সমাধান জনগণের পকেট কেটে নয়, বরং অপচয় ও দুর্নীতি বন্ধের মাধ্যমে করা হয়। কিন্তু সরকার জনগণের জীবনমান রক্ষার পরিবর্তে বারবার তাদের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক বোঝা চাপিয়ে দিচ্ছে। এর ফলে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণি আরও দুর্বল হবে, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। অবিলম্বে বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে তারা বলেন, বিদ্যুৎ খাতের সকল চুক্তি, ব্যয় ও ভর্তুকি ব্যবস্থার পূর্ণাঙ্গ নিরপেক্ষ নিরীক্ষা করতে হবে এবং জনগণের সামনে প্রকৃত তথ্য প্রকাশ করতে হবে। দুর্নীতি ও অপচয়ের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করে জনগণের ওপর নতুন বোঝা চাপানোর যেকোনো উদ্যোগ গ্রহণযোগ্য নয়।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

শিবির হত্যার বিচার না পেয়ে দুধ দিয়ে গোসল করে রাজনীতি ছেড়েদেন বিএনপি নেতা

দুর্নীতি-লুটপাটের খেসারত জনগণ দেবে না, জনগণের পকেট কাটতে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি: এবি পার্টি

আপডেট সময় ১২:৫৬:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬

এবার বিদ্যুতের মূল্য ১৫২০ শতাংশ বৃদ্ধিতে গভীর উদ্বেগ, ক্ষোভ ও তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু ও সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ। বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি দিয়ে তারা বলেছেন, দুর্নীতিলুটপাটের খেসারত জনগণ দেবে না। জনগণের পকেট কাটতেই বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) এক যৌথ বিবৃতিতে তারা বলেন, দেশের জনগণ যখন লাগামহীন দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, বেকারত্ব, শিল্প খাতের সংকট এবং জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের চাপে দিশেহারা, তখন বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির এই সিদ্ধান্ত সাধারণ মানুষের ওপর নতুন করে অর্থনৈতিক নির্যাতন চাপিয়ে দেওয়ার শামিল। বিদ্যুৎ আজ কেবল একটি সেবা নয়; এটি কৃষি, শিল্প, ব্যবসাবাণিজ্য, শিক্ষা ও দৈনন্দিন জীবনের অপরিহার্য উপাদান। ফলে বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি মানেই প্রতিটি পণ্য ও সেবার উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি এবং সামগ্রিক মূল্যস্ফীতিকে আরও উসকে দেওয়া।

এবি পার্টি শীর্ষ দুই নেতা বলেন, জনগণের ঘাড়ে বারবার মূল্যবৃদ্ধির বোঝা চাপিয়ে দিয়ে বিদ্যুৎ খাতের অব্যবস্থাপনা, দুর্নীতি, লুটপাট ও নীতিগত ব্যর্থতার দায় এড়ানো যায় না। বছরের পর বছর ভুল পরিকল্পনা, অস্বচ্ছ চুক্তি, অতিরিক্ত সক্ষমতার নামে জনগণের অর্থ অপচয় এবং জবাবদিহিতার অভাবে বিদ্যুৎ খাতকে সংকটের দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। এখন সেই ব্যর্থতার মূল্য জনগণকে দিতে বাধ্য করা হচ্ছে।

তারা বলেন, একটি কল্যাণমুখী ও জনবান্ধব রাষ্ট্রে অর্থনৈতিক সংকটের সমাধান জনগণের পকেট কেটে নয়, বরং অপচয় ও দুর্নীতি বন্ধের মাধ্যমে করা হয়। কিন্তু সরকার জনগণের জীবনমান রক্ষার পরিবর্তে বারবার তাদের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক বোঝা চাপিয়ে দিচ্ছে। এর ফলে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণি আরও দুর্বল হবে, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। অবিলম্বে বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে তারা বলেন, বিদ্যুৎ খাতের সকল চুক্তি, ব্যয় ও ভর্তুকি ব্যবস্থার পূর্ণাঙ্গ নিরপেক্ষ নিরীক্ষা করতে হবে এবং জনগণের সামনে প্রকৃত তথ্য প্রকাশ করতে হবে। দুর্নীতি ও অপচয়ের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করে জনগণের ওপর নতুন বোঝা চাপানোর যেকোনো উদ্যোগ গ্রহণযোগ্য নয়।