ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বাংলাদেশকে ‘নিজের বাড়ি’ বললেন ব্রাজিল কিংবদন্তি রবার্তো কার্লোস শেখ হাসিনাকে ধরে–বেঁধে ফিরিয়ে আনতে চাই: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা স্কুলের ভেতর ৩০ সেকেন্ডে ৩৪ বার ছুরিকাঘাতে শিক্ষিকা নিহত জকসু ভিপিকে মারধর করে ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ গাজা পরিকল্পনা নিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে ‘মতপার্থক্য’ রয়েছে: নেতানিয়াহু ‘মোদি তার ডিগ্রি দেখালে আমিও আমার স্কলারশিপের কাগজ দেখাব’ বেরোবিতে ১৪৪ ধারা জারি চেয়ে থানায় চিঠি প্রশাসনের সমালোচনার মুখে পিছু হটল বিদ্যুৎ বিভাগ আগামীকাল উদ্বোধন হচ্ছে জুলাই জাদুঘর, সাধারণের জন্য খুলছে পরদিন স্ত্রীকে ‘পিস্তল’ দেখিয়ে যৌতুক দাবি, অস্ত্রটি ছিল লাইটার

বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের আন্দোলনের তুলনা, তসলিমাকে পাল্টা জবাব অভিজিতের

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৫০:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬
  • ১৫ বার পড়া হয়েছে

নির্বাসিত বাংলাদেশি লেখিকা তসলিমা নাসরিনের সাম্প্রতিক মন্তব্যের জবাব দিয়েছেন ভারতের ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিত দীপকে। তিনি বলেছেন, ভারতের চলমান ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে বাংলাদেশ বা নেপালের আন্দোলনের তুলনা করা সঠিক নয়।

ভারতীয় সংবাদ সংস্থা পিটিআইয়ের খবরে বলা হয়, সোমবার (৩ আগস্ট) তসলিমার মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় দীপকে বলেন, “বাংলাদেশ ও নেপালের আন্দোলনের সঙ্গে যন্তর মন্তরের আন্দোলনের তুলনা করা হচ্ছে শুধু বদনাম করার জন্য।”

এর আগে রোববার তসলিমা নাসরিন সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক মন্তব্যে সিজেপির আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে ২০২৪ সালের বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, সিজেপির আন্দোলনের একটি ভিডিও দেখে তার বাংলাদেশের আন্দোলনের কথা মনে পড়ে গেছে।

তসলিমার ভাষ্য ছিল, শুরুতে তিনি মনে করেছিলেন বাংলাদেশের ছাত্ররা শুধু কোটা সংস্কারের দাবি নিয়ে আন্দোলন করছে এবং সরকার সেই দাবি মেনে নিয়েছিল। তবে পরবর্তীতে আন্দোলন সরকার পতনে রূপ নেওয়ায় তিনি দাবি করেন, এর পেছনে অন্য শক্তি সক্রিয় ছিল এবং এর ফল বাংলাদেশে ইতিবাচক হয়নি।

তসলিমার এই বক্তব্যের জবাবে অভিজিত দীপকে বলেন, দেশব্যাপী ছাত্র আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ার পর সিজেপির দায়িত্ব আরও বেড়েছে। তিনি জানান, আগামী দিনে দলটির সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করা হবে।

গত মাসে ভারতে প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদ এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন শুরু করে সিজেপি। পরে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরাও সেই আন্দোলনে যোগ দেন। দিল্লির যন্তর মন্তর থেকে শুরু হওয়া এই আন্দোলন দ্রুত দেশের বিভিন্ন রাজ্যে ছড়িয়ে পড়ে। পরবর্তীতে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগের ঘোষণা দেন।

তবে তসলিমা নাসরিনের মন্তব্য নিয়ে এখন পর্যন্ত ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার বা অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশকে ‘নিজের বাড়ি’ বললেন ব্রাজিল কিংবদন্তি রবার্তো কার্লোস

বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের আন্দোলনের তুলনা, তসলিমাকে পাল্টা জবাব অভিজিতের

আপডেট সময় ১১:৫০:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬

নির্বাসিত বাংলাদেশি লেখিকা তসলিমা নাসরিনের সাম্প্রতিক মন্তব্যের জবাব দিয়েছেন ভারতের ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিত দীপকে। তিনি বলেছেন, ভারতের চলমান ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে বাংলাদেশ বা নেপালের আন্দোলনের তুলনা করা সঠিক নয়।

ভারতীয় সংবাদ সংস্থা পিটিআইয়ের খবরে বলা হয়, সোমবার (৩ আগস্ট) তসলিমার মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় দীপকে বলেন, “বাংলাদেশ ও নেপালের আন্দোলনের সঙ্গে যন্তর মন্তরের আন্দোলনের তুলনা করা হচ্ছে শুধু বদনাম করার জন্য।”

এর আগে রোববার তসলিমা নাসরিন সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক মন্তব্যে সিজেপির আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে ২০২৪ সালের বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, সিজেপির আন্দোলনের একটি ভিডিও দেখে তার বাংলাদেশের আন্দোলনের কথা মনে পড়ে গেছে।

তসলিমার ভাষ্য ছিল, শুরুতে তিনি মনে করেছিলেন বাংলাদেশের ছাত্ররা শুধু কোটা সংস্কারের দাবি নিয়ে আন্দোলন করছে এবং সরকার সেই দাবি মেনে নিয়েছিল। তবে পরবর্তীতে আন্দোলন সরকার পতনে রূপ নেওয়ায় তিনি দাবি করেন, এর পেছনে অন্য শক্তি সক্রিয় ছিল এবং এর ফল বাংলাদেশে ইতিবাচক হয়নি।

তসলিমার এই বক্তব্যের জবাবে অভিজিত দীপকে বলেন, দেশব্যাপী ছাত্র আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ার পর সিজেপির দায়িত্ব আরও বেড়েছে। তিনি জানান, আগামী দিনে দলটির সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করা হবে।

গত মাসে ভারতে প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদ এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন শুরু করে সিজেপি। পরে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরাও সেই আন্দোলনে যোগ দেন। দিল্লির যন্তর মন্তর থেকে শুরু হওয়া এই আন্দোলন দ্রুত দেশের বিভিন্ন রাজ্যে ছড়িয়ে পড়ে। পরবর্তীতে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগের ঘোষণা দেন।

তবে তসলিমা নাসরিনের মন্তব্য নিয়ে এখন পর্যন্ত ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার বা অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।