যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দীর্ঘায়িত বিরোধ এবং ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক চাপের মধ্যে কৌশলগত হরমুজ প্রণালিতে নৌচলাচল স্বাভাবিক করতে প্রতিবেশী ওমানের সঙ্গে নতুন করে আলোচনা শুরু করেছে ইরান।
যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবহন হতো এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে। তবে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে হরমুজ প্রণালিতে অধিকাংশ জাহাজ চলাচল বন্ধ রয়েছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার ইরান ও ওমানের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রণালির মধ্য দিয়ে একটি যৌথ অস্থায়ী নৌচলাচল করিডোর চালুর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। একই সঙ্গে করিডোরটি মাইন ও অন্যান্য জলমগ্ন বিস্ফোরক থেকে নিরাপদ করার বিষয়েও দুই দেশ সম্মত হয়েছে।
তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এর আগে দাবি করেছিলেন, হরমুজ প্রণালিতে থাকা সব মাইন পরিষ্কার করা হয়েছে।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সরাসরি সামরিক সংঘাতের মাত্রা কমে এলেও শান্তি চুক্তি নিয়ে কূটনৈতিক আলোচনা এখনো থমকে আছে। ফলে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে নৌচলাচল এখনো ঝুঁকিপূর্ণ রয়ে গেছে।
এর মধ্যেই মঙ্গলবার হরমুজ প্রণালির প্রবেশমুখের কাছে একটি তেলবাহী ট্যাংকার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস জানিয়েছে, ওমানের আশ শিয়াহর থেকে প্রায় ৯ নটিক্যাল মাইল উত্তর-পূর্বে অজ্ঞাত একটি প্রজেক্টাইল বা ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ট্যাংকারটি ক্ষতিগ্রস্ত ও অচল হয়ে পড়ে।
এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ছোট ছেলে ব্যারন ট্রাম্পকে হত্যার সম্ভাব্য ষড়যন্ত্র নিয়ে ইরানি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত একটি ভিডিওর বিষয়েও সতর্ক হয়েছে মার্কিন সিক্রেট সার্ভিস।
প্রায় তিন মিনিটের ওই ভিডিওতে ২০ বছর বয়সী ব্যারন ট্রাম্পকে হত্যার সম্ভাব্য ষড়যন্ত্র নিয়ে আলোচনা করা হয়। ভিডিওতে দাবি করা হয়, তাকে নজরদারিতে রাখা হয়েছে এবং হত্যার জন্য ১ কোটি ডলারের পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে।
তবে ভিডিওতে করা এসব দাবি বা এর পেছনে ইরান সরকারের সরাসরি সম্পৃক্ততার বিষয়ে স্বাধীনভাবে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

ডেস্ক রিপোর্ট 
























