সাতক্ষীরা-৩ (আশাশুনি–কালিগঞ্জ) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সাবেক এমপি কাজী মো. আলাউদ্দিন বলেছেন, “বিএনপি উন্নয়নের রাজনীতি করে, আর জামায়াত বারবার বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। স্বাধীনতার পর তাদের সর্বোচ্চ আসন ছিল ১৮টি। ২০১৮ সালে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে আমাদের সঙ্গে নির্বাচন করেও প্রতিবারই বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। সেই দল কীভাবে ক্ষমতায় আসার স্বপ্ন দেখে?”
বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) বিকেলে কালিগঞ্জের কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে সনাতনী ধর্মাবলম্বীদের নিয়ে আয়োজিত উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব মন্তব্য করেন তিনি।
সাবেক এমপি আলাউদ্দিন বলেন, গত ৫৪ বছর ধরে ভোটের ভুলের কারণে স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি টিকে আছে। “যারা মুক্তিযুদ্ধের সময় ঘরবাড়ি লুট করেছে, মানুষকে শরণার্থী হতে বাধ্য করেছে — তারা এখন কোন মুখে ভোট চাইতে আসে?” এমন প্রশ্নও করেন তিনি।
তিনি দাবি করেন, বিগত পাঁচ বছরে কালিগঞ্জ উপজেলায় তিনি নানা উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন করেছেন। জনগণ আবার সুযোগ দিলে অসমাপ্ত কাজ শেষ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট ও ব্যক্তিগত তহবিল থেকে বিভিন্ন মন্দির, মসজিদ ও উপাসনালয়ে সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান।
কারেন্ট রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ধানের শীষের বিজয়কে তিনি গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও ভোটাধিকার ফেরানোর “একমাত্র পথ” হিসেবে উল্লেখ করেন।
উঠান বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন পরিতোষ কুমার মণ্ডল। বক্তব্য দেন কালিগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি শেখ এবাদুল ইসলাম, সাবেক সদস্যসচিব ডা. শফিকুল ইসলাম বাবু, সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আক্তারুজ্জামান বাপ্পি প্রমুখ।
বৈঠক শেষে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া করা হয়। পরে সুতা গ্রামের মন্দিরের জন্য হিন্দু কল্যাণ ট্রাস্ট থেকে ৩০ হাজার টাকা এবং কাজী আলাউদ্দিনের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ১০ হাজার টাকা প্রদান করা হয়।

ডেস্ক রিপোর্ট 



















