ঢাকা , বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ইরানে হামলা না চালালে আজ ইসরায়েলের অস্তিত্ব থাকত না: ট্রাম্প বিকেলে বাবার দাফন, রাতে এটিএম বুথে ডিউটি, সকালে এইচএসসি পরীক্ষা পারেদেসের লাল কার্ড ‘বাতিল করল’ ফিফা ফিফায় ইনফান্তিনোর সময় শেষ হয়ে গেছে: স্প্যানিশ লা লিগা সভাপতি নতুন বাংলাদেশ গড়তে এনসিপি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: হাসনাত আব্দুল্লাহ রাহুলকে কোথায় নেওয়া হয়েছে জানাচ্ছে না দিল্লি পুলিশ: কংগ্রেস রক্তে ইনফেকশন, প্লাটিলেট ৩৪ হাজার—গুরুতর অসুস্থ নয়ন দোয়া চাইলেন ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীর কাছে নিরাপত্তা চাইলেন এমপি নজরুলের ড্রাইভার বাবা-ভাইসহ এনসিপি নেতা কাফির বিরুদ্ধে মামলা শিক্ষক ছাড়াও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না যারা

সাংবাদিক হলে এনসিপির প্রচারণায় নির্দ্বিধায় অংশ নিতাম: প্রেস সচিব

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:১৭:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৫ জুলাই ২০২৫
  • ৪৪০ বার পড়া হয়েছে

এবার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা পরিষদের প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, যদি আমি সাংবাদিক হতাম, বিশেষ করে একজন ফ্রিল্যান্স রিপোর্টার, তবে নির্দ্বিধায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিতাম।

তিনি যদি সাংবাদিক হতেন, বিশেষ করে একজন ফ্রিল্যান্স রিপোর্টার, তবে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নির্বাচনী প্রচারণায় নির্দ্বিধায় অংশ নিতেন। আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই মন্তব্য করেন।

শফিকুল আলম লেখেন, “যদি আমি সাংবাদিক হতাম, বিশেষ করে একজন ফ্রিল্যান্স রিপোর্টার, তবে নির্দ্বিধায় জাতীয় নাগরিক পার্টির তেঁতুলিয়া থেকে টেকনাফ যাত্রায় অংশ নিতাম। কারণ, এ সফর কেবল একটি প্রচারণা নয়—এটি হয়ে উঠছে এক নতুন রাজনৈতিক ভোরের সূচনা, যা বাংলাদেশের ভবিষ্যতের গতিপথ পাল্টে দিতে পারে।”

তিনি আরও লেখেন, “মাত্র এক বছর আগেই তরুণদের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা আন্দোলন এক নৃশংস শাসকের পতন ঘটায়। সেসব তরুণই আজ দেশের প্রান্তে প্রান্তে ঘুরে বেড়াচ্ছেন, তৃণমূলের সমর্থন জোগাড় করে একটি নতুন রাজনৈতিক শৃঙ্খলা গঠনের লক্ষ্যে। কয়েক মাস আগেও যাদের ক্লান্ত ও বিতর্কিত মনে হয়েছিল, আজ তারা নতুন উদ্দীপনায় পথে নেমেছেন। এ যাত্রা যেন তাদের আন্দোলনে নতুন প্রাণ সঞ্চার করেছে। তাদের আশা এখন আকাশ ছোঁয়া, লক্ষ্যও স্পষ্ট।”

এনসিপির চলমান কর্মসূচি সম্পর্কে তিনি লিখেছেন, “এনসিপির বহর যখন শহর থেকে গ্রাম, মাঠ থেকে মোড়ে মোড়ে এগিয়ে চলেছে, তখন স্পষ্ট হয়ে উঠেছে তারুণ্যের জোয়ার। উদ্দীপনা নিয়ে ছেলেমেয়ে মিলে হাজারো তরুণ এ অভিযাত্রায় অংশ নিয়েছে। তবে প্রশ্নও উঠছে—তারা কি পারবে সত্যিই টক্কর দিতে বিএনপি বা জামায়াতের মতো পুরনো দলের শক্তির বিরুদ্ধে?”

এই যাত্রাকে রাজনৈতিক পরীক্ষার অংশ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি লেখেন, “এ সফর আসলে এক পরীক্ষা—বাংলাদেশের গণতন্ত্র ঠিক কোন পথে হাঁটবে। গোটা বিশ্ব তাকিয়ে আছে, কেমনভাবে এই তরুণ প্রজন্ম দেশের রাজনীতিকে নতুন করে সংজ্ঞায়িত করতে চায়। যদি তারা জনসমর্থন ধরে রাখতে পারে, হয়তো আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমও তাদের পাশে এসে দাঁড়াবে।”

সাংবাদিকদের উদ্দেশে দেওয়া বার্তায় শফিকুল আলম বলেন, “মাঠপর্যায়ে থাকা সংবাদকর্মীদের জন্য এটি এক অনন্য সুযোগ—যা কেবল একটি রাজনৈতিক আন্দোলনের খবর নয়, বরং ইতিহাস নির্মাণের অংশ হয়ে ওঠার সুযোগও বটে। এ যাত্রার স্বপ্ন, সংকট ও পরিবর্তনের যে প্রক্রিয়া চলছে, তা তুলে ধরতে পারলে তা সাংবাদিকতার গণ্ডি ছাড়িয়ে একটি যুগান্তকারী সময়ের প্রামাণ্য দলিলে পরিণত হতে পারে।”

তিনি আরও বলেন, “ফেসবুক কিংবা এক্সের মতো সামাজিক মাধ্যমে নিয়মিত প্রতিবেদন ও ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণ শেয়ার করলে, এ পরিবর্তনের অন্তরাল চিত্র স্পষ্টভাবে ফুটে উঠতে পারে। আপনার লেখাগুলো হয়ে উঠতে পারে বাংলাদেশের নতুন রাজনৈতিক ভোরের পথচলার গুরুত্বপূর্ণ দলিল। সামনে এগিয়ে আসুন—লিখুন, আর এ রূপান্তরকালের একজন প্রত্যক্ষ অংশীদার হয়ে উঠুন।”

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানে হামলা না চালালে আজ ইসরায়েলের অস্তিত্ব থাকত না: ট্রাম্প

সাংবাদিক হলে এনসিপির প্রচারণায় নির্দ্বিধায় অংশ নিতাম: প্রেস সচিব

আপডেট সময় ১০:১৭:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৫ জুলাই ২০২৫

এবার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা পরিষদের প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, যদি আমি সাংবাদিক হতাম, বিশেষ করে একজন ফ্রিল্যান্স রিপোর্টার, তবে নির্দ্বিধায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিতাম।

তিনি যদি সাংবাদিক হতেন, বিশেষ করে একজন ফ্রিল্যান্স রিপোর্টার, তবে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নির্বাচনী প্রচারণায় নির্দ্বিধায় অংশ নিতেন। আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই মন্তব্য করেন।

শফিকুল আলম লেখেন, “যদি আমি সাংবাদিক হতাম, বিশেষ করে একজন ফ্রিল্যান্স রিপোর্টার, তবে নির্দ্বিধায় জাতীয় নাগরিক পার্টির তেঁতুলিয়া থেকে টেকনাফ যাত্রায় অংশ নিতাম। কারণ, এ সফর কেবল একটি প্রচারণা নয়—এটি হয়ে উঠছে এক নতুন রাজনৈতিক ভোরের সূচনা, যা বাংলাদেশের ভবিষ্যতের গতিপথ পাল্টে দিতে পারে।”

তিনি আরও লেখেন, “মাত্র এক বছর আগেই তরুণদের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা আন্দোলন এক নৃশংস শাসকের পতন ঘটায়। সেসব তরুণই আজ দেশের প্রান্তে প্রান্তে ঘুরে বেড়াচ্ছেন, তৃণমূলের সমর্থন জোগাড় করে একটি নতুন রাজনৈতিক শৃঙ্খলা গঠনের লক্ষ্যে। কয়েক মাস আগেও যাদের ক্লান্ত ও বিতর্কিত মনে হয়েছিল, আজ তারা নতুন উদ্দীপনায় পথে নেমেছেন। এ যাত্রা যেন তাদের আন্দোলনে নতুন প্রাণ সঞ্চার করেছে। তাদের আশা এখন আকাশ ছোঁয়া, লক্ষ্যও স্পষ্ট।”

এনসিপির চলমান কর্মসূচি সম্পর্কে তিনি লিখেছেন, “এনসিপির বহর যখন শহর থেকে গ্রাম, মাঠ থেকে মোড়ে মোড়ে এগিয়ে চলেছে, তখন স্পষ্ট হয়ে উঠেছে তারুণ্যের জোয়ার। উদ্দীপনা নিয়ে ছেলেমেয়ে মিলে হাজারো তরুণ এ অভিযাত্রায় অংশ নিয়েছে। তবে প্রশ্নও উঠছে—তারা কি পারবে সত্যিই টক্কর দিতে বিএনপি বা জামায়াতের মতো পুরনো দলের শক্তির বিরুদ্ধে?”

এই যাত্রাকে রাজনৈতিক পরীক্ষার অংশ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি লেখেন, “এ সফর আসলে এক পরীক্ষা—বাংলাদেশের গণতন্ত্র ঠিক কোন পথে হাঁটবে। গোটা বিশ্ব তাকিয়ে আছে, কেমনভাবে এই তরুণ প্রজন্ম দেশের রাজনীতিকে নতুন করে সংজ্ঞায়িত করতে চায়। যদি তারা জনসমর্থন ধরে রাখতে পারে, হয়তো আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমও তাদের পাশে এসে দাঁড়াবে।”

সাংবাদিকদের উদ্দেশে দেওয়া বার্তায় শফিকুল আলম বলেন, “মাঠপর্যায়ে থাকা সংবাদকর্মীদের জন্য এটি এক অনন্য সুযোগ—যা কেবল একটি রাজনৈতিক আন্দোলনের খবর নয়, বরং ইতিহাস নির্মাণের অংশ হয়ে ওঠার সুযোগও বটে। এ যাত্রার স্বপ্ন, সংকট ও পরিবর্তনের যে প্রক্রিয়া চলছে, তা তুলে ধরতে পারলে তা সাংবাদিকতার গণ্ডি ছাড়িয়ে একটি যুগান্তকারী সময়ের প্রামাণ্য দলিলে পরিণত হতে পারে।”

তিনি আরও বলেন, “ফেসবুক কিংবা এক্সের মতো সামাজিক মাধ্যমে নিয়মিত প্রতিবেদন ও ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণ শেয়ার করলে, এ পরিবর্তনের অন্তরাল চিত্র স্পষ্টভাবে ফুটে উঠতে পারে। আপনার লেখাগুলো হয়ে উঠতে পারে বাংলাদেশের নতুন রাজনৈতিক ভোরের পথচলার গুরুত্বপূর্ণ দলিল। সামনে এগিয়ে আসুন—লিখুন, আর এ রূপান্তরকালের একজন প্রত্যক্ষ অংশীদার হয়ে উঠুন।”