ঢাকা , মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সংসদে ‘ঋণখেলাপি’ প্রসঙ্গ তুলে জামায়াত এমপির প্রশ্ন, যা বললেন স্পিকার মেসিকে বিশেষ উপহার দেওয়ার ঘোষণা দিলেন কেপ ভার্দের প্রেসিডেন্ট মাদক কারবারিকে এআই দিয়ে ব্রাজিলের জার্সি পরানো সেই এসআইকে শোকজ চাঁদাবাজিসহ নানা অভিযোগে কাঞ্চন পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বহিষ্কার ইকরার আত্মহত্যা: দুই দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে যাহের আলভী গোপালগঞ্জে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাস খাদে, আহত ২৫ জুলাই মাসের জ্বালানি তেলের দাম নির্ধারণ কেপ ভার্দের কাছে হেরে আর্জেন্টিনার বিদায়: ওঝার ভবিষ্যদ্বাণী অনলাইন জুয়া-বেটিংয়ে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড, ৫ কোটি টাকা জরিমানা মা-বাবার মানসিক কষ্ট ‘সইতে না পেরে’ হিন্দু ধর্মে ফিরলেন সেই আয়ুষ মালিক

সাংবাদিক হলে এনসিপির প্রচারণায় নির্দ্বিধায় অংশ নিতাম: প্রেস সচিব

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:১৭:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৫ জুলাই ২০২৫
  • ৪২৪ বার পড়া হয়েছে

এবার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা পরিষদের প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, যদি আমি সাংবাদিক হতাম, বিশেষ করে একজন ফ্রিল্যান্স রিপোর্টার, তবে নির্দ্বিধায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিতাম।

তিনি যদি সাংবাদিক হতেন, বিশেষ করে একজন ফ্রিল্যান্স রিপোর্টার, তবে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নির্বাচনী প্রচারণায় নির্দ্বিধায় অংশ নিতেন। আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই মন্তব্য করেন।

শফিকুল আলম লেখেন, “যদি আমি সাংবাদিক হতাম, বিশেষ করে একজন ফ্রিল্যান্স রিপোর্টার, তবে নির্দ্বিধায় জাতীয় নাগরিক পার্টির তেঁতুলিয়া থেকে টেকনাফ যাত্রায় অংশ নিতাম। কারণ, এ সফর কেবল একটি প্রচারণা নয়—এটি হয়ে উঠছে এক নতুন রাজনৈতিক ভোরের সূচনা, যা বাংলাদেশের ভবিষ্যতের গতিপথ পাল্টে দিতে পারে।”

তিনি আরও লেখেন, “মাত্র এক বছর আগেই তরুণদের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা আন্দোলন এক নৃশংস শাসকের পতন ঘটায়। সেসব তরুণই আজ দেশের প্রান্তে প্রান্তে ঘুরে বেড়াচ্ছেন, তৃণমূলের সমর্থন জোগাড় করে একটি নতুন রাজনৈতিক শৃঙ্খলা গঠনের লক্ষ্যে। কয়েক মাস আগেও যাদের ক্লান্ত ও বিতর্কিত মনে হয়েছিল, আজ তারা নতুন উদ্দীপনায় পথে নেমেছেন। এ যাত্রা যেন তাদের আন্দোলনে নতুন প্রাণ সঞ্চার করেছে। তাদের আশা এখন আকাশ ছোঁয়া, লক্ষ্যও স্পষ্ট।”

এনসিপির চলমান কর্মসূচি সম্পর্কে তিনি লিখেছেন, “এনসিপির বহর যখন শহর থেকে গ্রাম, মাঠ থেকে মোড়ে মোড়ে এগিয়ে চলেছে, তখন স্পষ্ট হয়ে উঠেছে তারুণ্যের জোয়ার। উদ্দীপনা নিয়ে ছেলেমেয়ে মিলে হাজারো তরুণ এ অভিযাত্রায় অংশ নিয়েছে। তবে প্রশ্নও উঠছে—তারা কি পারবে সত্যিই টক্কর দিতে বিএনপি বা জামায়াতের মতো পুরনো দলের শক্তির বিরুদ্ধে?”

এই যাত্রাকে রাজনৈতিক পরীক্ষার অংশ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি লেখেন, “এ সফর আসলে এক পরীক্ষা—বাংলাদেশের গণতন্ত্র ঠিক কোন পথে হাঁটবে। গোটা বিশ্ব তাকিয়ে আছে, কেমনভাবে এই তরুণ প্রজন্ম দেশের রাজনীতিকে নতুন করে সংজ্ঞায়িত করতে চায়। যদি তারা জনসমর্থন ধরে রাখতে পারে, হয়তো আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমও তাদের পাশে এসে দাঁড়াবে।”

সাংবাদিকদের উদ্দেশে দেওয়া বার্তায় শফিকুল আলম বলেন, “মাঠপর্যায়ে থাকা সংবাদকর্মীদের জন্য এটি এক অনন্য সুযোগ—যা কেবল একটি রাজনৈতিক আন্দোলনের খবর নয়, বরং ইতিহাস নির্মাণের অংশ হয়ে ওঠার সুযোগও বটে। এ যাত্রার স্বপ্ন, সংকট ও পরিবর্তনের যে প্রক্রিয়া চলছে, তা তুলে ধরতে পারলে তা সাংবাদিকতার গণ্ডি ছাড়িয়ে একটি যুগান্তকারী সময়ের প্রামাণ্য দলিলে পরিণত হতে পারে।”

তিনি আরও বলেন, “ফেসবুক কিংবা এক্সের মতো সামাজিক মাধ্যমে নিয়মিত প্রতিবেদন ও ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণ শেয়ার করলে, এ পরিবর্তনের অন্তরাল চিত্র স্পষ্টভাবে ফুটে উঠতে পারে। আপনার লেখাগুলো হয়ে উঠতে পারে বাংলাদেশের নতুন রাজনৈতিক ভোরের পথচলার গুরুত্বপূর্ণ দলিল। সামনে এগিয়ে আসুন—লিখুন, আর এ রূপান্তরকালের একজন প্রত্যক্ষ অংশীদার হয়ে উঠুন।”

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সংসদে ‘ঋণখেলাপি’ প্রসঙ্গ তুলে জামায়াত এমপির প্রশ্ন, যা বললেন স্পিকার

সাংবাদিক হলে এনসিপির প্রচারণায় নির্দ্বিধায় অংশ নিতাম: প্রেস সচিব

আপডেট সময় ১০:১৭:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৫ জুলাই ২০২৫

এবার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা পরিষদের প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, যদি আমি সাংবাদিক হতাম, বিশেষ করে একজন ফ্রিল্যান্স রিপোর্টার, তবে নির্দ্বিধায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিতাম।

তিনি যদি সাংবাদিক হতেন, বিশেষ করে একজন ফ্রিল্যান্স রিপোর্টার, তবে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নির্বাচনী প্রচারণায় নির্দ্বিধায় অংশ নিতেন। আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই মন্তব্য করেন।

শফিকুল আলম লেখেন, “যদি আমি সাংবাদিক হতাম, বিশেষ করে একজন ফ্রিল্যান্স রিপোর্টার, তবে নির্দ্বিধায় জাতীয় নাগরিক পার্টির তেঁতুলিয়া থেকে টেকনাফ যাত্রায় অংশ নিতাম। কারণ, এ সফর কেবল একটি প্রচারণা নয়—এটি হয়ে উঠছে এক নতুন রাজনৈতিক ভোরের সূচনা, যা বাংলাদেশের ভবিষ্যতের গতিপথ পাল্টে দিতে পারে।”

তিনি আরও লেখেন, “মাত্র এক বছর আগেই তরুণদের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা আন্দোলন এক নৃশংস শাসকের পতন ঘটায়। সেসব তরুণই আজ দেশের প্রান্তে প্রান্তে ঘুরে বেড়াচ্ছেন, তৃণমূলের সমর্থন জোগাড় করে একটি নতুন রাজনৈতিক শৃঙ্খলা গঠনের লক্ষ্যে। কয়েক মাস আগেও যাদের ক্লান্ত ও বিতর্কিত মনে হয়েছিল, আজ তারা নতুন উদ্দীপনায় পথে নেমেছেন। এ যাত্রা যেন তাদের আন্দোলনে নতুন প্রাণ সঞ্চার করেছে। তাদের আশা এখন আকাশ ছোঁয়া, লক্ষ্যও স্পষ্ট।”

এনসিপির চলমান কর্মসূচি সম্পর্কে তিনি লিখেছেন, “এনসিপির বহর যখন শহর থেকে গ্রাম, মাঠ থেকে মোড়ে মোড়ে এগিয়ে চলেছে, তখন স্পষ্ট হয়ে উঠেছে তারুণ্যের জোয়ার। উদ্দীপনা নিয়ে ছেলেমেয়ে মিলে হাজারো তরুণ এ অভিযাত্রায় অংশ নিয়েছে। তবে প্রশ্নও উঠছে—তারা কি পারবে সত্যিই টক্কর দিতে বিএনপি বা জামায়াতের মতো পুরনো দলের শক্তির বিরুদ্ধে?”

এই যাত্রাকে রাজনৈতিক পরীক্ষার অংশ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি লেখেন, “এ সফর আসলে এক পরীক্ষা—বাংলাদেশের গণতন্ত্র ঠিক কোন পথে হাঁটবে। গোটা বিশ্ব তাকিয়ে আছে, কেমনভাবে এই তরুণ প্রজন্ম দেশের রাজনীতিকে নতুন করে সংজ্ঞায়িত করতে চায়। যদি তারা জনসমর্থন ধরে রাখতে পারে, হয়তো আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমও তাদের পাশে এসে দাঁড়াবে।”

সাংবাদিকদের উদ্দেশে দেওয়া বার্তায় শফিকুল আলম বলেন, “মাঠপর্যায়ে থাকা সংবাদকর্মীদের জন্য এটি এক অনন্য সুযোগ—যা কেবল একটি রাজনৈতিক আন্দোলনের খবর নয়, বরং ইতিহাস নির্মাণের অংশ হয়ে ওঠার সুযোগও বটে। এ যাত্রার স্বপ্ন, সংকট ও পরিবর্তনের যে প্রক্রিয়া চলছে, তা তুলে ধরতে পারলে তা সাংবাদিকতার গণ্ডি ছাড়িয়ে একটি যুগান্তকারী সময়ের প্রামাণ্য দলিলে পরিণত হতে পারে।”

তিনি আরও বলেন, “ফেসবুক কিংবা এক্সের মতো সামাজিক মাধ্যমে নিয়মিত প্রতিবেদন ও ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণ শেয়ার করলে, এ পরিবর্তনের অন্তরাল চিত্র স্পষ্টভাবে ফুটে উঠতে পারে। আপনার লেখাগুলো হয়ে উঠতে পারে বাংলাদেশের নতুন রাজনৈতিক ভোরের পথচলার গুরুত্বপূর্ণ দলিল। সামনে এগিয়ে আসুন—লিখুন, আর এ রূপান্তরকালের একজন প্রত্যক্ষ অংশীদার হয়ে উঠুন।”