বৈধ ভারতীয় পরিচয়পত্র থাকার দাবি করলেও নিজের দেশেই ঠাঁই হয়নি শাহিদা ফকিরের। তার অভিযোগ, জোর করে বাংলাদেশে পুশইন করার পর এখন সাতক্ষীরার একটি কৃষক পরিবারের আশ্রয়ে দিন কাটছে তার।
বর্তমানে সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার ভাদিয়ালি গ্রামের কৃষক আবুল বাশারের বাড়িতে অবস্থান করছেন শাহিদা। তিনি দাবি করেন, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার স্থায়ী বাসিন্দা তিনি। প্রায় ২০ বছর ধরে স্বামী ও দুই সন্তানকে নিয়ে মুম্বাইয়ে বসবাস করছিলেন।
শাহিদার ভাষ্য, গত ১৮ বা ১৯ জুলাই রাতে বাজার থেকে ফেরার পথে নিজেদের সিআইডি পরিচয় দেওয়া কয়েকজন ব্যক্তি তাকে আটক করেন। এরপর কয়েকদিন একটি ডিটেনশন ক্যাম্পে আটকে রাখার পর বিমানে আসাম সীমান্তে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে তাকে জোর করে বাংলাদেশ সীমান্তে ঠেলে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ তার।
অসুস্থ অবস্থায় বেনাপোল সীমান্তে পৌঁছালে মানবিক কারণে তাকে আশ্রয় দেন কলারোয়ার ভাদিয়ালি গ্রামের কৃষক আবুল বাশার। স্থানীয়রাও তার পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করছেন।
এদিকে, কলারোয়া থানা পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিজেকে ভারতের নাগরিক দাবি করলেও বর্তমানে বাংলাদেশেই অনিশ্চিত অবস্থায় দিন কাটছে শাহিদা ফকিরের। তার আশা, দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে দ্রুত বিষয়টির সমাধান হবে এবং তিনি আবার স্বামী-সন্তানদের কাছে ফিরতে পারবেন।

ডেস্ক রিপোর্ট 























