ঢাকা , সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
জ্বালানি ছাড়াই বিদ্যুৎ উৎপাদন: বগুড়ায় ফ্লাইহুইল প্রযুক্তির সফল পরীক্ষা ঢাবির ফজলুল হক মুসলিম হলে সংঘর্ষ, ভিপি-জিএসসহ আহত ৬ ইরানের সামরিক নীতি আক্রমণাত্মক করার ঘোষণা আইআরজিসির জিম্বাবুয়েতে ফেরিডুবি: মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮৪ জনে  কাল থেকে রাজধানীতে চলবে বিআরটিসির ‘মহিলা বাস’, চালক-কন্ডাক্টরও নারী অসুস্থ সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন, পা অবশ হওয়ায় চলাফেরা সীমিত ৯০০ কর্মী ছাঁটাই করা সিইও এবার নিজেই হারালেন চাকরি মসজিদ রক্ষায় লড়েছিলেন এক পায়ে, সেই নেপালি যুবককে পুরস্কৃত করল সৌদি প্রতিটি মার্কিন সেনাকে হত্যা বা আটক করলে ৩০ হাজার ডলার পুরস্কার: ইরানের সেনাপ্রধান গাজায় প্রতি রাতে ৩০-৪০ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করতে বললেন ইসরায়েলি মন্ত্রী

ম্যাডাম যুবলীগ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৪৯:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬
  • ৯৪ বার পড়া হয়েছে

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী নাহিদ সুলতানা যুথি আদালত অঙ্গনের পাশাপাশি যুবলীগের রাজনীতিতেও প্রভাবশালী ভূমিকা পালন করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশের স্ত্রী হওয়ার সুবাদে তিনি সংগঠনের বিভিন্ন সিদ্ধান্তে প্রভাব বিস্তার করতেন এবং একটি শক্তিশালী ক্ষমতার বলয় গড়ে তুলেছিলেন বলে দাবি করেছেন সংগঠনটির একাধিক নেতা-কর্মী।

যুবলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের অভিযোগ, যুথির বিরুদ্ধে কমিটি গঠনে হস্তক্ষেপ, পদবাণিজ্য, মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে পদ দেওয়ার আশ্বাস, কমিটি ঝুলিয়ে রাখা, কমিশন আদায় এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের মতো নানা অভিযোগ রয়েছে। তাদের দাবি, অনেক জেলা ও মহানগর কমিটি দীর্ঘদিন গঠন না হওয়ার পেছনেও তার ভূমিকা ছিল। ফলে সংগঠনের কার্যক্রমে স্থবিরতা নেমে আসে এবং অনেক নেতা হতাশ হয়ে রাজনীতি থেকে সরে যান।

অভিযোগ রয়েছে, যুবলীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়েও ছিল তার বিশেষ প্রভাব। তার অনুমতি ছাড়া চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশের সঙ্গে দেখা করাও অনেকের জন্য কঠিন ছিল বলে দাবি করেছেন কয়েকজন নেতা-কর্মী। একই সঙ্গে ব্যক্তিগত বিভিন্ন আয়োজনেও সংগঠনের নেতা-কর্মীদের ব্যবহার করা হতো বলেও অভিযোগ তাদের।

এদিকে, ২০২৪ সালে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে সম্পাদক পদকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনাতেও নাহিদ সুলতানা যুথির নাম আলোচনায় আসে। অভিযোগ রয়েছে, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা, হামলা এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনায় তার বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় হত্যাচেষ্টাসহ একাধিক অভিযোগে মামলা হয়। পরে তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পান।

যুবলীগের একাধিক নেতা দাবি করেন, সংগঠনের ভেতরে ভিন্নমত দমন, পদ বাণিজ্য এবং ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণের কারণে যুবলীগ সাংগঠনিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বর্তমানে নাহিদ সুলতানা যুথি তার স্বামী, যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশের সঙ্গে কানাডায় অবস্থান করছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, নাহিদ সুলতানা যুথির বিরুদ্ধে উত্থাপিত এসব অভিযোগের বিষয়ে তার বা শেখ ফজলে শামস পরশের কোনো বক্তব্য এই প্রতিবেদনের জন্য পাওয়া যায়নি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

জ্বালানি ছাড়াই বিদ্যুৎ উৎপাদন: বগুড়ায় ফ্লাইহুইল প্রযুক্তির সফল পরীক্ষা

ম্যাডাম যুবলীগ

আপডেট সময় ১১:৪৯:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী নাহিদ সুলতানা যুথি আদালত অঙ্গনের পাশাপাশি যুবলীগের রাজনীতিতেও প্রভাবশালী ভূমিকা পালন করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশের স্ত্রী হওয়ার সুবাদে তিনি সংগঠনের বিভিন্ন সিদ্ধান্তে প্রভাব বিস্তার করতেন এবং একটি শক্তিশালী ক্ষমতার বলয় গড়ে তুলেছিলেন বলে দাবি করেছেন সংগঠনটির একাধিক নেতা-কর্মী।

যুবলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের অভিযোগ, যুথির বিরুদ্ধে কমিটি গঠনে হস্তক্ষেপ, পদবাণিজ্য, মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে পদ দেওয়ার আশ্বাস, কমিটি ঝুলিয়ে রাখা, কমিশন আদায় এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের মতো নানা অভিযোগ রয়েছে। তাদের দাবি, অনেক জেলা ও মহানগর কমিটি দীর্ঘদিন গঠন না হওয়ার পেছনেও তার ভূমিকা ছিল। ফলে সংগঠনের কার্যক্রমে স্থবিরতা নেমে আসে এবং অনেক নেতা হতাশ হয়ে রাজনীতি থেকে সরে যান।

অভিযোগ রয়েছে, যুবলীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়েও ছিল তার বিশেষ প্রভাব। তার অনুমতি ছাড়া চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশের সঙ্গে দেখা করাও অনেকের জন্য কঠিন ছিল বলে দাবি করেছেন কয়েকজন নেতা-কর্মী। একই সঙ্গে ব্যক্তিগত বিভিন্ন আয়োজনেও সংগঠনের নেতা-কর্মীদের ব্যবহার করা হতো বলেও অভিযোগ তাদের।

এদিকে, ২০২৪ সালে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে সম্পাদক পদকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনাতেও নাহিদ সুলতানা যুথির নাম আলোচনায় আসে। অভিযোগ রয়েছে, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা, হামলা এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনায় তার বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় হত্যাচেষ্টাসহ একাধিক অভিযোগে মামলা হয়। পরে তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পান।

যুবলীগের একাধিক নেতা দাবি করেন, সংগঠনের ভেতরে ভিন্নমত দমন, পদ বাণিজ্য এবং ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণের কারণে যুবলীগ সাংগঠনিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বর্তমানে নাহিদ সুলতানা যুথি তার স্বামী, যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশের সঙ্গে কানাডায় অবস্থান করছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, নাহিদ সুলতানা যুথির বিরুদ্ধে উত্থাপিত এসব অভিযোগের বিষয়ে তার বা শেখ ফজলে শামস পরশের কোনো বক্তব্য এই প্রতিবেদনের জন্য পাওয়া যায়নি।