ঢাকা , সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
রপ্তানিতে ইতিবাচক ধারা, দুই মাসে আয় ৭.৫০ বিলিয়ন ডলার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ব্যানার পুড়িয়ে দিল ছাত্রদল জর্দার কৌটায় জমিয়ে ছিলেন ১০ বছরের সঞ্চয়, খুলে দেখলেন সব টাকা পচে-ঝাঁঝরা আমার অনুপস্থিতিতে আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ সেলিম: শেখ হাসিনা ইরান যুদ্ধে নিহত মার্কিন সৈন্যদের আর্থিক সুবিধা দিতে অস্বীকৃতি পেন্টাগনের বন্যায় মৃত্যু ভেবে শেষকৃত্যের প্রস্তুতি, ১০ দিন পর ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধার নারী প্রতিবেশীর গোপন খবর বিক্রি করে দুই বাড়ির মালিক বৃদ্ধা! থাইল্যান্ড ছাড়ল মার্কিন বিমানবাহী রণতরি আব্রাহাম লিংকন এশিয়া কাপ ফাইনালে থাকছেন নাকভি, এবারও কি ‘খালি হাতে’ ফিরবে ভারত? প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অভিমুখে ৩৫০ গাড়ির লংমার্চ হবে: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

বন্যায় মৃত্যু ভেবে শেষকৃত্যের প্রস্তুতি, ১০ দিন পর ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধার নারী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৫৫:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

এবার নেপালের ভয়াবহ বন্যায় মৃত ভেবে এক বৃদ্ধার শেষকৃত্যের প্রস্তুতি শুরু করেছিল পরিবার। কিন্তু ১০ দিন পর ধ্বংসস্তূপের নিচে একটি সরু ফাঁকা জায়গা থেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে তাকে। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, নেপালের নুওয়াকোট জেলার বেত্রাওয়াতি গ্রামের বাসিন্দা চণ্ডিকা কুমারী শ্রেষ্ঠকে ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়া একটি বাড়ি থেকে উদ্ধার করে নিরাপত্তা বাহিনী। উদ্ধারের পর তাকে সেনাবাহিনীর হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। পুলিশ কর্মকর্তা মহেন্দ্র দারনালের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানায়, বন্যার পানির স্রোতে চারতলা বাড়িটি ভেসে গিয়ে কাদামাটির মধ্যে আটকে যায়। ধ্বংসস্তূপের আশপাশে তল্লাশি চালানোর সময় উদ্ধারকারীরা হঠাৎবাঁচাওবলে চিৎকার শুনতে পান।

প্রায় ৪৫ মিনিটের অভিযানে উদ্ধারকারীরা বাড়িটির ধ্বংসস্তূপের ভেতরের একটি সংকীর্ণ জায়গায় চণ্ডিকা কুমারীকে খুঁজে পান। সেখানে পানি ও কাদার মধ্যে সামান্য বাতাসের জায়গায় তিনি এতদিন বেঁচে ছিলেন। দারনাল বলেন, তিনি চণ্ডিকার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন এবং পরিবার তার মৃত্যুর আশঙ্কায় ১১ দিনের শোক পালনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু করেছিল।

বেত্রাওয়াতি নেপালের বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর একটি। সেখানে কয়েকতলা ভবনসহ অধিকাংশ আবাসিক স্থাপনা ও বাজার কাদামাটি ও ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েছে। উদ্ধারকারীরা এখনো সেখানে নিখোঁজদের সন্ধানে অভিযান চালাচ্ছেন এবং ধ্বংসস্তূপ থেকে মরদেহ উদ্ধার করছেন। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বন্যায় নেপালজুড়ে ১ হাজার ৩০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। এখনো প্রায় ৫ হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

এদিকে, গত শুক্রবার থেকে ধ্বংসস্তূপের বিভিন্ন সুড়ঙ্গ থেকে তিনজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ত্রিশূলী নদীর কাছে একজন চীনা নাগরিকও রয়েছেন। ওই এলাকায় ৯০০ জনের বেশি মানুষ আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। বন্যার পরও উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপের নিচে জীবিত মানুষের সন্ধানে তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছেন। চণ্ডিকার মতো আরও কয়েকজনের বেঁচে থাকার ঘটনায় উদ্ধার অভিযানে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে। এর আগে ৮ বছর বয়সী এক শিশুকেও জীবিত উদ্ধার করে তার মায়ের সঙ্গে পুনর্মিলন করানো হয়েছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রপ্তানিতে ইতিবাচক ধারা, দুই মাসে আয় ৭.৫০ বিলিয়ন ডলার

বন্যায় মৃত্যু ভেবে শেষকৃত্যের প্রস্তুতি, ১০ দিন পর ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধার নারী

আপডেট সময় ১০:৫৫:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এবার নেপালের ভয়াবহ বন্যায় মৃত ভেবে এক বৃদ্ধার শেষকৃত্যের প্রস্তুতি শুরু করেছিল পরিবার। কিন্তু ১০ দিন পর ধ্বংসস্তূপের নিচে একটি সরু ফাঁকা জায়গা থেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে তাকে। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, নেপালের নুওয়াকোট জেলার বেত্রাওয়াতি গ্রামের বাসিন্দা চণ্ডিকা কুমারী শ্রেষ্ঠকে ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়া একটি বাড়ি থেকে উদ্ধার করে নিরাপত্তা বাহিনী। উদ্ধারের পর তাকে সেনাবাহিনীর হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। পুলিশ কর্মকর্তা মহেন্দ্র দারনালের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানায়, বন্যার পানির স্রোতে চারতলা বাড়িটি ভেসে গিয়ে কাদামাটির মধ্যে আটকে যায়। ধ্বংসস্তূপের আশপাশে তল্লাশি চালানোর সময় উদ্ধারকারীরা হঠাৎবাঁচাওবলে চিৎকার শুনতে পান।

প্রায় ৪৫ মিনিটের অভিযানে উদ্ধারকারীরা বাড়িটির ধ্বংসস্তূপের ভেতরের একটি সংকীর্ণ জায়গায় চণ্ডিকা কুমারীকে খুঁজে পান। সেখানে পানি ও কাদার মধ্যে সামান্য বাতাসের জায়গায় তিনি এতদিন বেঁচে ছিলেন। দারনাল বলেন, তিনি চণ্ডিকার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন এবং পরিবার তার মৃত্যুর আশঙ্কায় ১১ দিনের শোক পালনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু করেছিল।

বেত্রাওয়াতি নেপালের বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর একটি। সেখানে কয়েকতলা ভবনসহ অধিকাংশ আবাসিক স্থাপনা ও বাজার কাদামাটি ও ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েছে। উদ্ধারকারীরা এখনো সেখানে নিখোঁজদের সন্ধানে অভিযান চালাচ্ছেন এবং ধ্বংসস্তূপ থেকে মরদেহ উদ্ধার করছেন। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বন্যায় নেপালজুড়ে ১ হাজার ৩০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। এখনো প্রায় ৫ হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

এদিকে, গত শুক্রবার থেকে ধ্বংসস্তূপের বিভিন্ন সুড়ঙ্গ থেকে তিনজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ত্রিশূলী নদীর কাছে একজন চীনা নাগরিকও রয়েছেন। ওই এলাকায় ৯০০ জনের বেশি মানুষ আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। বন্যার পরও উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপের নিচে জীবিত মানুষের সন্ধানে তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছেন। চণ্ডিকার মতো আরও কয়েকজনের বেঁচে থাকার ঘটনায় উদ্ধার অভিযানে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে। এর আগে ৮ বছর বয়সী এক শিশুকেও জীবিত উদ্ধার করে তার মায়ের সঙ্গে পুনর্মিলন করানো হয়েছে।