ঢাকা , বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আইভরিকোস্টকে ২–১ গোলে হারিয়ে শেষ ১৬-য় ব্রাজিলের মুখোমুখি নরওয়ে হালান্ডের শেষ মুহূর্তের গোলে নরওয়ের রুদ্ধশ্বাস জয়, শেষ ষোলো নিশ্চিত নুসার দুর্দান্ত গোলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে নরওয়ে দুরন্ত ফ্রান্সকে হারানোর কঠিন মিশনে সুইডেন সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ভুলে ধন্যবাদ দিলেন আমির হামজা কর্ণফুলীতে ফিশিং ভেসেলে বিস্ফোরণ, ৬ নাবিক দগ্ধ আনচেলত্তি ফ্যাক্টরেই বিশ্বকাপে এক প্রজন্মের সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা এড়াল ব্রাজিল জাতীয় সংসদে আইনজীবীর পোশাকে রুমিন ফারহানা, সংসদে আলোচনা ‘ধন্যবাদ বাংলাদেশ, আমরা ব্রাজিলিয়ানরাও তোমাদের ভালোবাসি‘ জার্মান সেই গণিতবিদকে এক হাত নিলেন নেইমার

ট্রাম্প-মাস্ক সম্পর্কের অবনতি: “সম্পর্ক শেষ”, বললেন ট্রাম্প

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৪৫:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ জুন ২০২৫
  • ৩৪৪ বার পড়া হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্কের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক শেষ হয়ে গেছে। সম্প্রতি এনবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “আমি এটাই ধরে নেব, হ্যাঁ।” সাক্ষাৎকারে যখন জানতে চাওয়া হয় তিনি কি সম্পর্ক জোড়া লাগাতে চান, তখন ট্রাম্প স্পষ্টভাবে “না” বলে উত্তর দেন।

মূলত প্রেসিডেন্টের কর ও ব্যয় সংক্রান্ত একটি বিল নিয়ে মাস্কের প্রকাশ্য সমালোচনার পর থেকেই এই সম্পর্কের অবনতি ঘটে। বিলটি রিপাবলিকানদের উদ্যোগে হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভে পাস হয়ে বর্তমানে সেনেটে রয়েছে।

ইলন মাস্ক এর আগে ট্রাম্পের নির্বাচনি প্রচারে বিপুল অর্থ অনুদান দেন এবং হোয়াইট হাউসে কাজ করার সুযোগ পান। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে তিনি উল্লেখ করেন, এই বিল জাতীয় বাজেটে কয়েক ট্রিলিয়ন ডলারের ঘাটতি তৈরি করবে। মাস্ক ১২৯ দিন কাজ করার পর সরকারী দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ান।

ট্রাম্প এক বক্তব্যে মাস্কের আচরণে ‘হতাশ’ হওয়ার কথা জানান। এর জবাবে মাস্ক সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) লেখেন, তিনি না থাকলে ট্রাম্প নির্বাচনে জয়ী হতে পারতেন না। এমনকি তিনি প্রয়াত যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টাইনের গোপন ফাইলের সঙ্গে ট্রাম্পের নাম জড়িত থাকার ইঙ্গিতও দেন। যদিও পরে মাস্ক এসব পোস্ট মুছে ফেলেন এবং এপস্টাইনের আইনজীবীরাও এ অভিযোগ অস্বীকার করেন।

এর পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্প তাঁর সামাজিক মাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যালে’ মাস্ককে “পাগল” আখ্যা দেন এবং ফেডারেল সরকারের সঙ্গে মাস্কের চুক্তি বাতিলের হুমকি দেন। ট্রাম্প আরও বলেন, মাস্ক প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের প্রতি অসম্মানজনক আচরণ করেছেন।

বিশ্বের শীর্ষ ধনী ইলন মাস্ক ট্রাম্পের প্রচারে প্রায় ২৫০ মিলিয়ন ডলার অনুদান দিয়েছিলেন। তবে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, আগামী নির্বাচনে তিনি কয়েকজন ট্রাম্পবিরোধী প্রার্থীকে সমর্থন করতে পারেন। ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, মাস্ক যদি ডেমোক্র্যাট প্রার্থীকে সমর্থন করেন, তবে তাকে “মারাত্মক পরিণতির” মুখে পড়তে হতে পারে।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আইভরিকোস্টকে ২–১ গোলে হারিয়ে শেষ ১৬-য় ব্রাজিলের মুখোমুখি নরওয়ে

ট্রাম্প-মাস্ক সম্পর্কের অবনতি: “সম্পর্ক শেষ”, বললেন ট্রাম্প

আপডেট সময় ১০:৪৫:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ জুন ২০২৫

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্কের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক শেষ হয়ে গেছে। সম্প্রতি এনবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “আমি এটাই ধরে নেব, হ্যাঁ।” সাক্ষাৎকারে যখন জানতে চাওয়া হয় তিনি কি সম্পর্ক জোড়া লাগাতে চান, তখন ট্রাম্প স্পষ্টভাবে “না” বলে উত্তর দেন।

মূলত প্রেসিডেন্টের কর ও ব্যয় সংক্রান্ত একটি বিল নিয়ে মাস্কের প্রকাশ্য সমালোচনার পর থেকেই এই সম্পর্কের অবনতি ঘটে। বিলটি রিপাবলিকানদের উদ্যোগে হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভে পাস হয়ে বর্তমানে সেনেটে রয়েছে।

ইলন মাস্ক এর আগে ট্রাম্পের নির্বাচনি প্রচারে বিপুল অর্থ অনুদান দেন এবং হোয়াইট হাউসে কাজ করার সুযোগ পান। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে তিনি উল্লেখ করেন, এই বিল জাতীয় বাজেটে কয়েক ট্রিলিয়ন ডলারের ঘাটতি তৈরি করবে। মাস্ক ১২৯ দিন কাজ করার পর সরকারী দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ান।

ট্রাম্প এক বক্তব্যে মাস্কের আচরণে ‘হতাশ’ হওয়ার কথা জানান। এর জবাবে মাস্ক সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) লেখেন, তিনি না থাকলে ট্রাম্প নির্বাচনে জয়ী হতে পারতেন না। এমনকি তিনি প্রয়াত যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টাইনের গোপন ফাইলের সঙ্গে ট্রাম্পের নাম জড়িত থাকার ইঙ্গিতও দেন। যদিও পরে মাস্ক এসব পোস্ট মুছে ফেলেন এবং এপস্টাইনের আইনজীবীরাও এ অভিযোগ অস্বীকার করেন।

এর পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্প তাঁর সামাজিক মাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যালে’ মাস্ককে “পাগল” আখ্যা দেন এবং ফেডারেল সরকারের সঙ্গে মাস্কের চুক্তি বাতিলের হুমকি দেন। ট্রাম্প আরও বলেন, মাস্ক প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের প্রতি অসম্মানজনক আচরণ করেছেন।

বিশ্বের শীর্ষ ধনী ইলন মাস্ক ট্রাম্পের প্রচারে প্রায় ২৫০ মিলিয়ন ডলার অনুদান দিয়েছিলেন। তবে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, আগামী নির্বাচনে তিনি কয়েকজন ট্রাম্পবিরোধী প্রার্থীকে সমর্থন করতে পারেন। ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, মাস্ক যদি ডেমোক্র্যাট প্রার্থীকে সমর্থন করেন, তবে তাকে “মারাত্মক পরিণতির” মুখে পড়তে হতে পারে।

সূত্র: বিবিসি বাংলা