সরকার চলতি বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের হার্টের রিং বা স্টেন্টের দাম ১ থেকে ৭ হাজার টাকা পর্যন্ত কমিয়ে নতুন মূল্যতালিকা নির্ধারণ করে। তবে অভিযোগ উঠেছে, সেই সিদ্ধান্ত কার্যকর না করে এখনো পুরোনো দামেই বিক্রি হচ্ছে স্টেন্ট।
ঢাকার জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটসহ কয়েকটি হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, নোটিশ বোর্ডে এখনো ঝুলছে আগের বছরের মূল্যতালিকা। রোগীদের কাছ থেকেও নতুন দামের চেয়ে ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা বেশি নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, দাম কমানোর সরকারি সিদ্ধান্ত সম্পর্কে তাদের জানানো হয়নি। তবে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর বলছে, সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল ও আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিষয়টি জানানো হয়েছে এবং এটি সবার জন্য উন্মুক্ত তথ্য।
অন্যদিকে আমদানিকারকদের দাবি, আন্তর্জাতিক বাজার ও আমদানি ব্যয়ের কারণে দাম কমানো বাস্তবসম্মত নয়। তবে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ মানতে নারাজ নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশে প্রতিদিন গড়ে ১৮৫ জন রোগীর হার্টে রিং বসানো হয়। প্রতি রিংয়ে গড়ে ৩ হাজার টাকা অতিরিক্ত নেওয়া হলে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকা এবং গত তিন মাসে প্রায় পাঁচ কোটি টাকা অতিরিক্ত আদায় করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ অবস্থায় রোগীদের প্রশ্ন—সরকার নির্ধারিত দামে হার্টের রিং কবে পাওয়া যাবে?

ডেস্ক রিপোর্ট 
























