ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সন্ত্রাসী কার্যক্রম রুখে দেয়া হবে: রিজভী শিবিরের সাবেক সদস্যদের সংখ্যাও কোটি ছাড়িয়েছে: সভাপতি সাদ্দাম সাড়ে তিন মাস পর হরমুজ পাড়ি, এগিয়ে চলেছে ‘বাংলার জয়যাত্রা’ রাজধানীজুড়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা, বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা গ্যালারিতে শাকিরার সঙ্গে থাকা ছেলেটা কে? ইসরাইলকে অন্ধ সমর্থন করে ডুবেছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী স্টারমার নিষিদ্ধ আ. লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে গোপালগঞ্জে প্রশাসনের কড়া নজরদারি ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে ‘আওয়ামী লীগের দোসর’ আখ্যা দিয়ে সাংবাদিকের উপর জামায়াতের হামলা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ জামায়াতে ইসলামীর নাম ‘আওয়ামী জামায়াত লীগ’ দিলেন রাশেদ খাঁন

গাইবান্ধায় তিন ছেলে-মেয়ের যোগসাজশে মাকে হত্যার অভিযোগ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:১৬:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৬৬৯ বার পড়া হয়েছে

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় ২৩ শতাংশ জমির লোভে মাকে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নের হাসানপাড়া গ্রামে বাড়ির পেছনের জঙ্গল থেকে মমতাজ বেওয়া (৭০)-এর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) নিহতের পুত্র ও পুত্রবধূসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।নিহত মমতাজ বেওয়া উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নের হাসানপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল মজিদ ওরফে বাদশা মুনশির স্ত্রী।

 

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- নিহতের তিন ছেলে আব্দুর গফুর চৌধুরী (৫০), নুর আলম চৌধুরী (৪০) ও রুহল আমিন সজীব চৌধুরী (২৮)। এ ছাড়া নুর আলমের স্ত্রী সুমি আক্তার (৩০) ও শ্যালিকা মুকুল চৌধুরী (৪৯)।

 

প্রতিবেশীরা জানান, স্বামীর মৃত্যুর পর থেকে জমিজমা ও পারিবারিক নানা বিষয়ে মা-ছেলেদের মধ্যে বিরোধ চলছিল। মমতাজ মেজো ছেলে নুর আলমের সঙ্গে পুরোনো বাড়ির একটি মাটির ঘরে থাকতেন। সেখানে প্রায়ই ছেলে ও তার স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া হতো তার। এ কারণে কখনও মেয়ের বাড়ি, কখনও প্রতিবেশীদের বাড়িতে আশ্রয় নিতেন। শুক্রবার সকাল থেকে নিখোঁজের বিষয়টি নুর আলমের পরিবারের পক্ষ থেকে প্রচার করা হয়।

 

এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্বের জেরে তিন ছেলে পরিকল্পিতভাবে মাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে লাশ জঙ্গলে ফেলে রাখে। কেউ কেউ দাবি করছেন, পুরোনো বাড়িতে থাকার কারণে নুর আলম সরাসরি হত্যার সঙ্গে জড়িত। এ ঘটনায় তার স্ত্রী, শ্যালিকাসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজনের সম্পৃক্ততা রয়েছে।

 

সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজ উদ্দিন খন্দকার বলেন, “৭ সেপ্টেম্বর নিহতের মেয়ে নুরিনা বেগম বাদী হয়ে দণ্ডবিধি ৩০২/২০১/৩৪ ধারায় পরিকল্পিতভাবে খুন ও লাশ গোপনের অভিযোগে মামলা করেছেন। মামলায় আসামি করা হয়েছে নিহতের পুত্র ও পুত্রবধূসহ ৫ জনকে। মামলা নাম্বার -৯।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সন্ত্রাসী কার্যক্রম রুখে দেয়া হবে: রিজভী

গাইবান্ধায় তিন ছেলে-মেয়ের যোগসাজশে মাকে হত্যার অভিযোগ

আপডেট সময় ০১:১৬:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় ২৩ শতাংশ জমির লোভে মাকে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নের হাসানপাড়া গ্রামে বাড়ির পেছনের জঙ্গল থেকে মমতাজ বেওয়া (৭০)-এর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) নিহতের পুত্র ও পুত্রবধূসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।নিহত মমতাজ বেওয়া উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নের হাসানপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল মজিদ ওরফে বাদশা মুনশির স্ত্রী।

 

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- নিহতের তিন ছেলে আব্দুর গফুর চৌধুরী (৫০), নুর আলম চৌধুরী (৪০) ও রুহল আমিন সজীব চৌধুরী (২৮)। এ ছাড়া নুর আলমের স্ত্রী সুমি আক্তার (৩০) ও শ্যালিকা মুকুল চৌধুরী (৪৯)।

 

প্রতিবেশীরা জানান, স্বামীর মৃত্যুর পর থেকে জমিজমা ও পারিবারিক নানা বিষয়ে মা-ছেলেদের মধ্যে বিরোধ চলছিল। মমতাজ মেজো ছেলে নুর আলমের সঙ্গে পুরোনো বাড়ির একটি মাটির ঘরে থাকতেন। সেখানে প্রায়ই ছেলে ও তার স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া হতো তার। এ কারণে কখনও মেয়ের বাড়ি, কখনও প্রতিবেশীদের বাড়িতে আশ্রয় নিতেন। শুক্রবার সকাল থেকে নিখোঁজের বিষয়টি নুর আলমের পরিবারের পক্ষ থেকে প্রচার করা হয়।

 

এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্বের জেরে তিন ছেলে পরিকল্পিতভাবে মাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে লাশ জঙ্গলে ফেলে রাখে। কেউ কেউ দাবি করছেন, পুরোনো বাড়িতে থাকার কারণে নুর আলম সরাসরি হত্যার সঙ্গে জড়িত। এ ঘটনায় তার স্ত্রী, শ্যালিকাসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজনের সম্পৃক্ততা রয়েছে।

 

সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজ উদ্দিন খন্দকার বলেন, “৭ সেপ্টেম্বর নিহতের মেয়ে নুরিনা বেগম বাদী হয়ে দণ্ডবিধি ৩০২/২০১/৩৪ ধারায় পরিকল্পিতভাবে খুন ও লাশ গোপনের অভিযোগে মামলা করেছেন। মামলায় আসামি করা হয়েছে নিহতের পুত্র ও পুত্রবধূসহ ৫ জনকে। মামলা নাম্বার -৯।