গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় ২৩ শতাংশ জমির লোভে মাকে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নের হাসানপাড়া গ্রামে বাড়ির পেছনের জঙ্গল থেকে মমতাজ বেওয়া (৭০)-এর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) নিহতের পুত্র ও পুত্রবধূসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।নিহত মমতাজ বেওয়া উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নের হাসানপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল মজিদ ওরফে বাদশা মুনশির স্ত্রী।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- নিহতের তিন ছেলে আব্দুর গফুর চৌধুরী (৫০), নুর আলম চৌধুরী (৪০) ও রুহল আমিন সজীব চৌধুরী (২৮)। এ ছাড়া নুর আলমের স্ত্রী সুমি আক্তার (৩০) ও শ্যালিকা মুকুল চৌধুরী (৪৯)।
প্রতিবেশীরা জানান, স্বামীর মৃত্যুর পর থেকে জমিজমা ও পারিবারিক নানা বিষয়ে মা-ছেলেদের মধ্যে বিরোধ চলছিল। মমতাজ মেজো ছেলে নুর আলমের সঙ্গে পুরোনো বাড়ির একটি মাটির ঘরে থাকতেন। সেখানে প্রায়ই ছেলে ও তার স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া হতো তার। এ কারণে কখনও মেয়ের বাড়ি, কখনও প্রতিবেশীদের বাড়িতে আশ্রয় নিতেন। শুক্রবার সকাল থেকে নিখোঁজের বিষয়টি নুর আলমের পরিবারের পক্ষ থেকে প্রচার করা হয়।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্বের জেরে তিন ছেলে পরিকল্পিতভাবে মাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে লাশ জঙ্গলে ফেলে রাখে। কেউ কেউ দাবি করছেন, পুরোনো বাড়িতে থাকার কারণে নুর আলম সরাসরি হত্যার সঙ্গে জড়িত। এ ঘটনায় তার স্ত্রী, শ্যালিকাসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজনের সম্পৃক্ততা রয়েছে।
সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজ উদ্দিন খন্দকার বলেন, “৭ সেপ্টেম্বর নিহতের মেয়ে নুরিনা বেগম বাদী হয়ে দণ্ডবিধি ৩০২/২০১/৩৪ ধারায় পরিকল্পিতভাবে খুন ও লাশ গোপনের অভিযোগে মামলা করেছেন। মামলায় আসামি করা হয়েছে নিহতের পুত্র ও পুত্রবধূসহ ৫ জনকে। মামলা নাম্বার -৯।

ডেস্ক রিপোর্ট 





















