ঢাকা , শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নির্বাচনের আগে জামায়াতের গাড়ি-বাড়ি লাগত না, কিন্তু পরে সব লাগে: রাশেদ খান

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০২:৩৫:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬
  • ১৪১ বার পড়া হয়েছে

এবার বিএনপি নেতা রাশেদ খান বলেছেন, নির্বাচনের আগে জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) গাড়ি, বাড়ি, অফিস লাগত না, কিন্তু নির্বাচনের পরে সব লাগে। মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন। গণ অধিকার পরিষদ ছেড়ে বিএনপিতে আসা এ নেতা লেখেন, ‘শুরুতে জামায়াতএনসিপি জোট বললো, তারা ক্ষমতায় গেলে সরকারি বাড়িগাড়ির সুবিধা নেবে না। অথচ তারা সংসদে ঢুকেই গাড়ি চেয়ে বসলো, এরপরে অফিস।

রাশেদ খান বলেছেন, ‘এখন আবার সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি মারদিয়া মমতাজ আপা বলছেন, আত্মীয়ের বাসায় থেকে সংসদে আসতে খুব কষ্ট হয়। তিনি নাকি কোন প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিকা ছিলেন, আবার নিয়মিত টকশোতে যেতেন। তাহলে আমার প্রশ্ন হলো আপা কি এতদিন আত্মীয়ের বাসায় থেকেই শিক্ষকতা ও টকশো করে বেড়াতেন?’

বিএনপি নেতা আরও বলেন, ‘তিনি একদিন আমার সঙ্গে গ্লোবাল টেলিভিশনে শিক্ষক ও রাজনৈতিক পরিচয়ে টকশোতে ছিলেন। জামায়াতের পক্ষে তার বক্তব্য শুনে আমি বলে ফেলি, ‘আপা, জামায়াত করেন, কিন্তু শিক্ষক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক পরিচয়ে টকশোতে আসা কি দরকার? পরিচয় প্রকাশ করে টকশো করলে তো সমস্যা নেই।

তিনি শেষমেশ স্বীকার করেন, তিনি (মারদিয়া মমতাজ) জামায়াতের কোনো পদে নাই, তিনি কর্মীও নন। তিনি একজন সমর্থক! আপা একটা বক্তব্য বলেছিলেন, শরিয়া আইন আসমান থেকে আসা কোন জিনিস না যে, রাতারাতি বাস্তবায়ন হয়ে যাবে! শরিয়া আইন তো জামায়াতের নিজস্ব আইন! ঠিক জামায়াতে ইসলামের মত! রাশেদ খান বলেছেন, এই আইন এতো শক্তিশালী যে, নির্বাচনের আগে গাড়ি, বাড়ি, অফিস লাগে না, কিন্তু নির্বাচনের পরে সব লাগে!

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাচনের আগে জামায়াতের গাড়ি-বাড়ি লাগত না, কিন্তু পরে সব লাগে: রাশেদ খান

আপডেট সময় ০২:৩৫:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬

এবার বিএনপি নেতা রাশেদ খান বলেছেন, নির্বাচনের আগে জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) গাড়ি, বাড়ি, অফিস লাগত না, কিন্তু নির্বাচনের পরে সব লাগে। মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন। গণ অধিকার পরিষদ ছেড়ে বিএনপিতে আসা এ নেতা লেখেন, ‘শুরুতে জামায়াতএনসিপি জোট বললো, তারা ক্ষমতায় গেলে সরকারি বাড়িগাড়ির সুবিধা নেবে না। অথচ তারা সংসদে ঢুকেই গাড়ি চেয়ে বসলো, এরপরে অফিস।

রাশেদ খান বলেছেন, ‘এখন আবার সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি মারদিয়া মমতাজ আপা বলছেন, আত্মীয়ের বাসায় থেকে সংসদে আসতে খুব কষ্ট হয়। তিনি নাকি কোন প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিকা ছিলেন, আবার নিয়মিত টকশোতে যেতেন। তাহলে আমার প্রশ্ন হলো আপা কি এতদিন আত্মীয়ের বাসায় থেকেই শিক্ষকতা ও টকশো করে বেড়াতেন?’

বিএনপি নেতা আরও বলেন, ‘তিনি একদিন আমার সঙ্গে গ্লোবাল টেলিভিশনে শিক্ষক ও রাজনৈতিক পরিচয়ে টকশোতে ছিলেন। জামায়াতের পক্ষে তার বক্তব্য শুনে আমি বলে ফেলি, ‘আপা, জামায়াত করেন, কিন্তু শিক্ষক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক পরিচয়ে টকশোতে আসা কি দরকার? পরিচয় প্রকাশ করে টকশো করলে তো সমস্যা নেই।

তিনি শেষমেশ স্বীকার করেন, তিনি (মারদিয়া মমতাজ) জামায়াতের কোনো পদে নাই, তিনি কর্মীও নন। তিনি একজন সমর্থক! আপা একটা বক্তব্য বলেছিলেন, শরিয়া আইন আসমান থেকে আসা কোন জিনিস না যে, রাতারাতি বাস্তবায়ন হয়ে যাবে! শরিয়া আইন তো জামায়াতের নিজস্ব আইন! ঠিক জামায়াতে ইসলামের মত! রাশেদ খান বলেছেন, এই আইন এতো শক্তিশালী যে, নির্বাচনের আগে গাড়ি, বাড়ি, অফিস লাগে না, কিন্তু নির্বাচনের পরে সব লাগে!