ঢাকা , শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নেতানিয়াহুর ভাষণ বর্জন করে কাসেম সোলাইমানির ছবি রেখে গেল ইরান আল্লাহর আইন যারা চায়, তাদের মধ্যে জামায়াতে ইসলামী অগ্রগামী: জামায়াত আমির ইউক্রেনে রাশিয়ার ড্রোন হামলায় ইসরায়েলি কিশোরসহ নিহত ৫ সুইডেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক জিয়া মঞ্চের ’জিয়া’ গ্রেপ্তার ইয়াবা দিয়ে বাবা ও মেয়েকে ফাঁসাতে গিয়ে এসআই প্রত্যাহার তুরস্কের নারী প্রতিনিধিদলের সাথে জামায়াতের মতবিনিময় ও সেমিনার নরসিংদী শহরে মদের দোকান বন্ধের দাবি স্থানীয়দের, তালা দিল যুবদল-ছাত্রদল ভেরিফিকেশনের নামে মেধাবীদের হয়রানির দায় সরকারকেই নিতে হবে: জামায়াত টাঙ্গাইলে মাদক ব্যবসায়ির বাড়ি ভেঙে দিল এলাকাবাসী

পায়ে হেঁটে বাসা থেকে বিএনপির অফিসে গেলেন তারেক রহমান, এগিয়ে আসা পথচারীদের সাথে করলেন মুসাফা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:২৮:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২৬২ বার পড়া হয়েছে

এবার সবাইকে অবাক করে পায়ে হেঁটে নিজ বাসভবন থেকে গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে যান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য আতিকুর রহমান রুমন বলেন, তারেক রহমান বিকাল পৌনে চারটায় গুলশান এভিনিউর বাসা থেকে পায়ে হেঁটে গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ের উদ্দেশে রওনা হন। গতকাল বিকেল ৪টা ৪ মিনিটে অফিসে পৌঁছান।

দলীয় নেতারা জানান, তারেক রহমান নৌবাহিনীর সদর দপ্তর মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করেন। সেখান থেকে গুলশান-২-এর বাসায় যান। হঠাৎ করে তিনি সিদ্ধান্ত নেন পায়ে হেঁটেই অফিসে যাবেন। নিরাপত্তায় নিয়োজিত কর্মকর্তারাও দ্রুত তৎপর হয়ে উঠে। এর কিছুক্ষণ পরই কালো স্যুট পড়ে তিনি অফিসে আসেন। তার সঙ্গে ছিলেন আতিকুর রহমান রুমন এবং প্রধান নির্বাপত্তা কর্মকর্তা অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এটিএম শামসুল ইসলাম।

তাৎক্ষনিক যেসব নেতাকর্মী-সাধারণ মানুষজন তারেক রহমানকে চিনতে পেরেছেন তারা নেতাকে এরকম হেঁটে যাওয়ার অবস্থায় দেখে খুশিতে হাত নেড়ে স্বাগত জানাতে দেখা যায়। অনেকে হাতও মেলান। গুলশানের ফুটপাতে দাঁড়িয়ে থাকার সোহরাব উদ্দিন বলেন, ‘আমি প্রথমে বুঝতে পারিনি। হঠাৎ দেখি, ফুটপাত দিয়ে তারেক রহমান হেঁটে গুলশান অফিসের দিকে যাচ্ছেন। এটা আমার কাছে ‘ব্যাতিক্রম’ মনে হয়েছে।’

দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় লন্ডনে থাকার পরে গত ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। তার মা, দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মত্যুতে শোকের মধ্যেও তিনি অফিস করছেন নিয়মিত। বিদেশী রাষ্ট্রদূত, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করছেন। পাশাপাশি সংসদ নির্বাচনকে সামনের রেখে বিভিন্ন সাংগঠনিক কাজও সবসময় খোঁজ-খবর রাখছেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নেতানিয়াহুর ভাষণ বর্জন করে কাসেম সোলাইমানির ছবি রেখে গেল ইরান

পায়ে হেঁটে বাসা থেকে বিএনপির অফিসে গেলেন তারেক রহমান, এগিয়ে আসা পথচারীদের সাথে করলেন মুসাফা

আপডেট সময় ০৯:২৮:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬

এবার সবাইকে অবাক করে পায়ে হেঁটে নিজ বাসভবন থেকে গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে যান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য আতিকুর রহমান রুমন বলেন, তারেক রহমান বিকাল পৌনে চারটায় গুলশান এভিনিউর বাসা থেকে পায়ে হেঁটে গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ের উদ্দেশে রওনা হন। গতকাল বিকেল ৪টা ৪ মিনিটে অফিসে পৌঁছান।

দলীয় নেতারা জানান, তারেক রহমান নৌবাহিনীর সদর দপ্তর মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করেন। সেখান থেকে গুলশান-২-এর বাসায় যান। হঠাৎ করে তিনি সিদ্ধান্ত নেন পায়ে হেঁটেই অফিসে যাবেন। নিরাপত্তায় নিয়োজিত কর্মকর্তারাও দ্রুত তৎপর হয়ে উঠে। এর কিছুক্ষণ পরই কালো স্যুট পড়ে তিনি অফিসে আসেন। তার সঙ্গে ছিলেন আতিকুর রহমান রুমন এবং প্রধান নির্বাপত্তা কর্মকর্তা অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এটিএম শামসুল ইসলাম।

তাৎক্ষনিক যেসব নেতাকর্মী-সাধারণ মানুষজন তারেক রহমানকে চিনতে পেরেছেন তারা নেতাকে এরকম হেঁটে যাওয়ার অবস্থায় দেখে খুশিতে হাত নেড়ে স্বাগত জানাতে দেখা যায়। অনেকে হাতও মেলান। গুলশানের ফুটপাতে দাঁড়িয়ে থাকার সোহরাব উদ্দিন বলেন, ‘আমি প্রথমে বুঝতে পারিনি। হঠাৎ দেখি, ফুটপাত দিয়ে তারেক রহমান হেঁটে গুলশান অফিসের দিকে যাচ্ছেন। এটা আমার কাছে ‘ব্যাতিক্রম’ মনে হয়েছে।’

দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় লন্ডনে থাকার পরে গত ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। তার মা, দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মত্যুতে শোকের মধ্যেও তিনি অফিস করছেন নিয়মিত। বিদেশী রাষ্ট্রদূত, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করছেন। পাশাপাশি সংসদ নির্বাচনকে সামনের রেখে বিভিন্ন সাংগঠনিক কাজও সবসময় খোঁজ-খবর রাখছেন।