বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দ্বিপক্ষীয় সফরে ভারত যাওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছে নয়াদিল্লি। একই সঙ্গে আগামী সেপ্টেম্বরে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচ অধিবেশনে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণও পেয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) নয়াদিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল।
রণধীর জয়সোয়াল বলেন, বাংলাদেশে নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দ্বিপক্ষীয় সফরে ভারত যাওয়ার জন্য আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। এর পাশাপাশি, বিমসটেকের (বহুপক্ষীয় কারিগরি ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার উদ্যোগ) বর্তমান সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশকে ব্রিকসের আউটরিচ অধিবেশনে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৈঠকের বিষয়েও কথা বলেন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র। তিনি ওই বৈঠককে ইতিবাচক ও আশাব্যঞ্জক হিসেবে উল্লেখ করেন।
রণধীর জয়সোয়াল বলেন, বৈঠকে ভারত ও বাংলাদেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের নানা দিকও আলোচনায় উঠে আসে।
আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর ভারতের আয়োজনে নয়াদিল্লিতে ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ব্রিকসের নিয়ম অনুযায়ী, বিভিন্ন আঞ্চলিক জোটের নেতাদের সম্মেলনের আউটরিচ অধিবেশনে আমন্ত্রণ জানানো হয়।
বিমসটেকের বর্তমান চেয়ারম্যান বাংলাদেশ। সেই সূত্রে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ব্রিকসের আউটরিচ অধিবেশনে অংশ নেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত।
গত ১৪ জুলাই ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের মাধ্যমে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি কূটনৈতিক পত্র পাঠিয়ে এ আমন্ত্রণ জানানো হয়।
বাংলাদেশে নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দ্বিপক্ষীয় সফরে ভারত যাওয়ার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল বলে জানিয়েছেন রণধীর জয়সোয়াল।
তবে প্রধানমন্ত্রী কবে ভারত সফরে যাবেন, সে বিষয়ে মঙ্গলবারের ব্রিফিংয়ে নির্দিষ্ট কোনো সময়সূচি জানানো হয়নি।

ডেস্ক রিপোর্ট 


















