ঢাকা , মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ২৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পলকের ঘাড়ে দুটি ও কোমরের ৩টি হাড় সরে গেছে নিজের জ্বালানি থাকতে বিদেশ থেকে কেন আমদানি করব: বিদ্যুৎমন্ত্রী জুলাই জাদুঘর যতদিন থাকবে হাসিনা আর আওয়ামী লীগকে থু থু দেবে জনগণ: স্পিকার থালাপতি’কে শুভেচ্ছা জানাতে ৬৫০ কিলোমিটার হেঁটে চেন্নাই যাচ্ছেন কেরালার দম্পতি লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় ২ বাংলাদেশি নিহত, তীব্র নিন্দা জানালো ঢাকা জিয়াউর রহমানই স্বাধীনতার ঘোষক, তবে সেটা বঙ্গবন্ধুর পক্ষে: কাদের সিদ্দিকী ভারতে নেওয়া হলো কারিনাকে, টাকার অভাবে সঙ্গে যেতে পারেননি বাবা এবার অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলে কর আরোপের পরিকল্পনা, বছরে দিতে হবে যত শ্রম আইনের জেন্ডার পরিভাষা নিয়ে ৩৩০ বিশিষ্ট নাগরিকের উদ্বেগ এবার কোরবানির অপেক্ষায় ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’!

বাকৃবিতে অতিথির আসনে ছাত্রদল নেতারা, দাঁড়ানো শিক্ষকরা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:৩৪:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
  • ২৬ বার পড়া হয়েছে

 

দেশে ৩৩টি বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশগ্রহণে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) আয়োজনে ‘আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ব্যাডমিন্টন ও টেবিল টেনিস প্রতিযোগিতা-২০২৬’-এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে বাকৃবি শাখা ছাত্রদল নেতাদের অতিথির নির্ধারিত আসনে বসা নিয়ে অসন্তোষ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। আয়োজক-শিক্ষকদের দাঁড়িয়ে থাকা এবং নেতাদের অতিথি আসনে বসা নিয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থী সর্বমহলে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

 

সোমবার (১১ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রীড়া প্রশিক্ষণ বিভাগের জিমনেশিয়ামে এ প্রতিযোগিতার সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতায় বাকৃবির সাফল্যে ক্যাম্পাসে আনন্দের পরিবেশ তৈরি হলেও অনুষ্ঠান শিক্ষকদের যথার্থ সম্মান না দেয়ায় পরে সমালোচনা শুরু হয়।

 

 

সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, অনুষ্ঠানে বাকৃবি শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির তিন শীর্ষ নেতা যথাক্রমে আহ্বায়ক মো. আতিকুর রহমান, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এ. এম. শোয়াইব এবং সদস্য-সচিব শফিকুল ইসলাম অতিথিদের জন্য নির্ধারিত আসনে বসেন। এতে বাধ্য হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির দায়িত্বে থাকা আয়োজক শিক্ষক, কর্মকর্তা ও খেলোয়াড়দের দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। যা আয়োজক শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষের জন্ম দেয়।

 

উপস্থিত শিক্ষক-কর্মকর্তাদের একাংশ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের হয়ে খেলায় অংশ নিয়ে সাফল্য অর্জনকারী খেলোয়াড় এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মকর্তাদের যথাযথ সম্মান দেয়া উচিত ছিল। তাদের বাদ দিয়ে রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে অন্যদের অগ্রাধিকার দেয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ও দৃষ্টিকটু।

 

 

এ বিষয়ে বাকৃবির সহযোগী ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ বলেন, অনুষ্ঠানের সমাপনী পর্বটি মোটেও সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালিত হয়নি। অনুষ্ঠানের সভাপতি হিসেবে ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টার উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ বিভাগ বিষয়টিকে যথাযথ গুরুত্ব দেয়নি। পুরো আয়োজনজুড়ে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি বিরাজ করেছে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। এ ধরনের আয়োজনের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের মান-মর্যাদা জড়িত। তাই ভবিষ্যতে এ ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিভাগকে আরও সতর্ক ও দায়িত্বশীল হতে হবে এবং সবকিছু নিয়মমাফিক ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করার বিষয়ে গুরুত্ব দিতে হবে।

 

 

এ বিষয়ে বাকৃবি শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক এ. এম. শোয়াইব বলেন, ক্রীড়া প্রশিক্ষণ বিভাগের পরিচালকের আমন্ত্রণে আমরা অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলাম। ওখানে সর্বপ্রথম উপাচার্য স্যার আসেন, এরপর আমরা ছিলাম, বাকিরা সবাই দেরিতে এসেছে। উপাচার্য, রেজিস্ট্রার এবং কোষাধ্যক্ষসহ অন্যান্য আমন্ত্রিত অতিথিরা আসন গ্রহণ করার পর আমরাও আসন গ্রহণ করি। অনুষ্ঠান শুরু হয়ে যাওয়ার পর পরবর্তী সময় আর কারা আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে এসেছেন, সেদিকে আলাদাভাবে খেয়াল করা হয়নি। তবে অবশ্যই সব শিক্ষক-কর্মকর্তাদের বসার পর আমরা বসেছি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

পলকের ঘাড়ে দুটি ও কোমরের ৩টি হাড় সরে গেছে

বাকৃবিতে অতিথির আসনে ছাত্রদল নেতারা, দাঁড়ানো শিক্ষকরা

আপডেট সময় ১২:৩৪:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

 

দেশে ৩৩টি বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশগ্রহণে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) আয়োজনে ‘আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ব্যাডমিন্টন ও টেবিল টেনিস প্রতিযোগিতা-২০২৬’-এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে বাকৃবি শাখা ছাত্রদল নেতাদের অতিথির নির্ধারিত আসনে বসা নিয়ে অসন্তোষ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। আয়োজক-শিক্ষকদের দাঁড়িয়ে থাকা এবং নেতাদের অতিথি আসনে বসা নিয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থী সর্বমহলে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

 

সোমবার (১১ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রীড়া প্রশিক্ষণ বিভাগের জিমনেশিয়ামে এ প্রতিযোগিতার সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতায় বাকৃবির সাফল্যে ক্যাম্পাসে আনন্দের পরিবেশ তৈরি হলেও অনুষ্ঠান শিক্ষকদের যথার্থ সম্মান না দেয়ায় পরে সমালোচনা শুরু হয়।

 

 

সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, অনুষ্ঠানে বাকৃবি শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির তিন শীর্ষ নেতা যথাক্রমে আহ্বায়ক মো. আতিকুর রহমান, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এ. এম. শোয়াইব এবং সদস্য-সচিব শফিকুল ইসলাম অতিথিদের জন্য নির্ধারিত আসনে বসেন। এতে বাধ্য হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির দায়িত্বে থাকা আয়োজক শিক্ষক, কর্মকর্তা ও খেলোয়াড়দের দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। যা আয়োজক শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষের জন্ম দেয়।

 

উপস্থিত শিক্ষক-কর্মকর্তাদের একাংশ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের হয়ে খেলায় অংশ নিয়ে সাফল্য অর্জনকারী খেলোয়াড় এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মকর্তাদের যথাযথ সম্মান দেয়া উচিত ছিল। তাদের বাদ দিয়ে রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে অন্যদের অগ্রাধিকার দেয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ও দৃষ্টিকটু।

 

 

এ বিষয়ে বাকৃবির সহযোগী ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ বলেন, অনুষ্ঠানের সমাপনী পর্বটি মোটেও সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালিত হয়নি। অনুষ্ঠানের সভাপতি হিসেবে ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টার উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ বিভাগ বিষয়টিকে যথাযথ গুরুত্ব দেয়নি। পুরো আয়োজনজুড়ে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি বিরাজ করেছে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। এ ধরনের আয়োজনের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের মান-মর্যাদা জড়িত। তাই ভবিষ্যতে এ ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিভাগকে আরও সতর্ক ও দায়িত্বশীল হতে হবে এবং সবকিছু নিয়মমাফিক ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করার বিষয়ে গুরুত্ব দিতে হবে।

 

 

এ বিষয়ে বাকৃবি শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক এ. এম. শোয়াইব বলেন, ক্রীড়া প্রশিক্ষণ বিভাগের পরিচালকের আমন্ত্রণে আমরা অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলাম। ওখানে সর্বপ্রথম উপাচার্য স্যার আসেন, এরপর আমরা ছিলাম, বাকিরা সবাই দেরিতে এসেছে। উপাচার্য, রেজিস্ট্রার এবং কোষাধ্যক্ষসহ অন্যান্য আমন্ত্রিত অতিথিরা আসন গ্রহণ করার পর আমরাও আসন গ্রহণ করি। অনুষ্ঠান শুরু হয়ে যাওয়ার পর পরবর্তী সময় আর কারা আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে এসেছেন, সেদিকে আলাদাভাবে খেয়াল করা হয়নি। তবে অবশ্যই সব শিক্ষক-কর্মকর্তাদের বসার পর আমরা বসেছি।