ঢাকা , বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তির খসড়া ফাঁস করল সিএনএন ভারতীয় বিমানের জন্য আকাশসীমা বন্ধের মেয়াদ বাড়াল পাকিস্তান রাফিনিয়াকে ভুল পজিশনে খেলাচ্ছেন আনচেলত্তি, প্রশ্ন তুললেন রোনালদো দেশের প্রধান রুটে চালু হচ্ছে বৈদ্যুতিক ট্রেন- প্রধানমন্ত্রী নামাজের ইমামতি রেখে পালিয়ে যাওয়া বহিষ্কৃত বিএনপি নেতা গ্রেফতার ইরান আচরণ না বদলালে আবার বোমা হামলা হবে : ট্রাম্প শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার অভিযোগ গঠন শুনানি ১৪ জুলাই নিজেকে ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সন্তান’ বলা স্লিপ অব টাং: জামায়াত এমপি চুক্তি পছন্দ না হলে তাদের মাথার মাঝখানে বোমা ফেলব: ট্রাম্প স্বপ্নে জীবিত দেখার দাবি: দাফনের ১৮ দিন পর তরুণীর কবর খুঁড়লেন স্বজনরা

বিধানসভার ফল নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:২৭:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
  • ৬৮ বার পড়া হয়েছে

বিধানসভার ফল নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দাবি করেছেন, বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) কারণে পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনের ফলাফল প্রভাবিত হয়েছে।

 

সোমবার (১১ মে) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২১ সালের ভোটার তালিকা থেকে প্রায় ৯০ দশমিক ৮ লাখ নাম বাদ দেওয়া এবং এর প্রভাব নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস অভিযোগ করেছে। দলটির দাবি, এই বাদ পড়া ভোটারদের কারণে ২০২১ সালে তৃণমূল যে ৩১টি আসনে জিতেছিল, সেগুলোর ফল এবার উল্টে গেছে। এতে ওই আসনগুলো বিজেপির দখলে চলে গেছে।

 

 

তৃণমূলের সংসদ সদস্য ও সিনিয়র আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতে বলেন, এই ৩১টি আসনের প্রতিটিতে যে সংখ্যক ভোটার বাদ দেওয়া হয়েছে, তা আগের নির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থীদের জয়ের ব্যবধানের চেয়েও বেশি। কিছু ক্ষেত্রে এই সংখ্যা প্রায় একই রকম ছিল বলেও তিনি দাবি করেন।

 

 

পশ্চিমবঙ্গে নতুন সরকারে মন্ত্রণালয় বণ্টন, কে কোন দায়িত্বে

 

 

প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চ জানিয়েছে, যদি কিছু আসনে জয়ের ব্যবধান এতটাই কম হয় যে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ার কারণে ফলাফল প্রভাবিত হতে পারে, তাহলে ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ আদালতে আবেদন করতে পারে। আদালত আগের শুনানিতেও এ ধরনের আবেদন করার সুযোগের কথা বলেছিলেন। নির্বাচন কমিশনও বলেছে, নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে এ ধরনের পিটিশন দাখিল করা যেতে পারে।

 

বিজেপির প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠকে যে সিদ্ধান্ত হলো

কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় উদাহরণ দিয়ে বলেন, এক আসনে তৃণমূল প্রার্থী ৮৬২ ভোটে হেরেছিলেন। কিন্তু ওই আসনে ভোটার তালিকা থেকে ৫ হাজারের বেশি নাম বাদ দেওয়া হয়েছিল। সামগ্রিকভাবে তৃণমূল ও বিজেপির ভোটের ব্যবধান প্রায় ৩২ লাখ হলেও, ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া সংক্রান্ত ৩৫ লাখেরও বেশি আবেদন এখনো নিষ্পত্তি হয়নি।

অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশন নিজেদের তথ্য তুলে ধরে উল্টো দাবি করেছে। কমিশন জানিয়েছে, মালদা ও মুর্শিদাবাদ অঞ্চলের যেসব আসনে সবচেয়ে বেশি ভোটার বাদ দেওয়া হয়েছে, সেখানেও তৃণমূলই জয় পেয়েছে।

ইসির তথ্য অনুযায়ী, সুজাপুরে ১ দশমিক ৫০ লাখ নাম বাদ পড়েছে, রঘুনাথগঞ্জে ১ দশমিক ৩০ লাখ, সামসেরগঞ্জে ১ দশমিক ২৫ লাখ, রতুয়ায় ১ দশমিক ২৩ লাখ এবং সূতিতে ১ দশমিক ২০ লাখ নাম বাদ গেছে। তবুও এই পাঁচটি আসনই তৃণমূল কংগ্রেস জিতেছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তির খসড়া ফাঁস করল সিএনএন

বিধানসভার ফল নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

আপডেট সময় ০১:২৭:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

বিধানসভার ফল নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দাবি করেছেন, বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) কারণে পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনের ফলাফল প্রভাবিত হয়েছে।

 

সোমবার (১১ মে) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২১ সালের ভোটার তালিকা থেকে প্রায় ৯০ দশমিক ৮ লাখ নাম বাদ দেওয়া এবং এর প্রভাব নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস অভিযোগ করেছে। দলটির দাবি, এই বাদ পড়া ভোটারদের কারণে ২০২১ সালে তৃণমূল যে ৩১টি আসনে জিতেছিল, সেগুলোর ফল এবার উল্টে গেছে। এতে ওই আসনগুলো বিজেপির দখলে চলে গেছে।

 

 

তৃণমূলের সংসদ সদস্য ও সিনিয়র আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতে বলেন, এই ৩১টি আসনের প্রতিটিতে যে সংখ্যক ভোটার বাদ দেওয়া হয়েছে, তা আগের নির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থীদের জয়ের ব্যবধানের চেয়েও বেশি। কিছু ক্ষেত্রে এই সংখ্যা প্রায় একই রকম ছিল বলেও তিনি দাবি করেন।

 

 

পশ্চিমবঙ্গে নতুন সরকারে মন্ত্রণালয় বণ্টন, কে কোন দায়িত্বে

 

 

প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চ জানিয়েছে, যদি কিছু আসনে জয়ের ব্যবধান এতটাই কম হয় যে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ার কারণে ফলাফল প্রভাবিত হতে পারে, তাহলে ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ আদালতে আবেদন করতে পারে। আদালত আগের শুনানিতেও এ ধরনের আবেদন করার সুযোগের কথা বলেছিলেন। নির্বাচন কমিশনও বলেছে, নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে এ ধরনের পিটিশন দাখিল করা যেতে পারে।

 

বিজেপির প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠকে যে সিদ্ধান্ত হলো

কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় উদাহরণ দিয়ে বলেন, এক আসনে তৃণমূল প্রার্থী ৮৬২ ভোটে হেরেছিলেন। কিন্তু ওই আসনে ভোটার তালিকা থেকে ৫ হাজারের বেশি নাম বাদ দেওয়া হয়েছিল। সামগ্রিকভাবে তৃণমূল ও বিজেপির ভোটের ব্যবধান প্রায় ৩২ লাখ হলেও, ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া সংক্রান্ত ৩৫ লাখেরও বেশি আবেদন এখনো নিষ্পত্তি হয়নি।

অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশন নিজেদের তথ্য তুলে ধরে উল্টো দাবি করেছে। কমিশন জানিয়েছে, মালদা ও মুর্শিদাবাদ অঞ্চলের যেসব আসনে সবচেয়ে বেশি ভোটার বাদ দেওয়া হয়েছে, সেখানেও তৃণমূলই জয় পেয়েছে।

ইসির তথ্য অনুযায়ী, সুজাপুরে ১ দশমিক ৫০ লাখ নাম বাদ পড়েছে, রঘুনাথগঞ্জে ১ দশমিক ৩০ লাখ, সামসেরগঞ্জে ১ দশমিক ২৫ লাখ, রতুয়ায় ১ দশমিক ২৩ লাখ এবং সূতিতে ১ দশমিক ২০ লাখ নাম বাদ গেছে। তবুও এই পাঁচটি আসনই তৃণমূল কংগ্রেস জিতেছে।