ঢাকা , বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::

দেশে অনেক বড় আকারে বিদেশি বিনিয়োগ আসছে: অর্থমন্ত্রী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:০১:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬
  • ২৭ বার পড়া হয়েছে

দেশে বড় পরিসরে বিদেশি বিনিয়োগ আসছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। ব্যবসার পরিবেশ ও প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বাড়ানো গেলে আগামী দিনে বাংলাদেশ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির পথে এগিয়ে যাবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে চট্টগ্রাম বন্দর ভবনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন অর্থমন্ত্রী।

চট্টগ্রাম বন্দর নিয়ে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) বড় পরিকল্পনা রয়েছে জানিয়ে আমির খসরু বলেন, এডিবির ভাইস প্রেসিডেন্ট ফিলিপাইন থেকে বাংলাদেশে এসে চট্টগ্রাম বন্দরের বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে আলোচনা করছেন। এটি চট্টগ্রামকে ঘিরে তাদের বড় ধরনের পরিকল্পনার ইঙ্গিত দেয়।

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম এখন শুধু লজিস্টিকস হাব নয়; এ অঞ্চলকে দেশের উন্নয়নের অগ্রপথিক হিসেবে গড়ে তুলতে চায় এডিবি। বন্দরকে কেন্দ্র করে লজিস্টিকস হাবের পাশাপাশি অন্যান্য উন্নয়ন কার্যক্রমও গড়ে উঠবে। এডিবির সঙ্গে বৈঠকের পর তাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে এগিয়ে যাওয়ার কথা জানান তিনি।

ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্যের বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, ব্যবসার খরচ বেড়ে গেলে সরবরাহ ব্যবস্থা বাধাগ্রস্ত হয়। বিশেষ করে বন্দর ও কাস্টমসের খরচ বাড়লে এর প্রভাব শেষ পর্যন্ত জনগণের ওপর পড়ে। তাই ব্যবসায়িক ব্যয় কমিয়ে প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ তৈরি করা জরুরি।

বন্দর ও কাস্টমসের কার্যক্রম আরও সমন্বিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, দুই পক্ষকে নিয়ে ইতোমধ্যে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত হয়েছে। এসব সিদ্ধান্ত দ্রুত বাস্তবায়ন হলে পণ্য খালাস ও রপ্তানি কার্যক্রমে সময় কমবে। এতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতি আস্থা বাড়বে এবং অর্থনীতিও শক্তিশালী হবে।

নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) বিদেশি প্রতিষ্ঠানের হাতে দেওয়ার বিষয়ে আমির খসরু বলেন, বন্দর দেশি বা বিদেশি—যে প্রতিষ্ঠানই পরিচালনা করুক, তাদের মূল লক্ষ্য হতে হবে জনগণ, ব্যবসা, শিল্প এবং দেশের অর্থনীতির স্বার্থ রক্ষা করা।

শিল্পকারখানার কার্যক্রম নির্বিঘ্ন করার বিষয়েও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী। তার মতে, ব্যবসায়িক খরচ কমানো এবং আন্তর্জাতিক বাজারে দেশের শিল্পকে প্রতিযোগিতায় সক্ষম করে তুলতে পারলে বিনিয়োগ বাড়বে, অর্থনীতির গতি ত্বরান্বিত হবে এবং ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্য অর্জনের পথ আরও সহজ হবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

গভীর রাতে পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক নারীসহ আটক

দেশে অনেক বড় আকারে বিদেশি বিনিয়োগ আসছে: অর্থমন্ত্রী

আপডেট সময় ১১:০১:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

দেশে বড় পরিসরে বিদেশি বিনিয়োগ আসছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। ব্যবসার পরিবেশ ও প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বাড়ানো গেলে আগামী দিনে বাংলাদেশ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির পথে এগিয়ে যাবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে চট্টগ্রাম বন্দর ভবনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন অর্থমন্ত্রী।

চট্টগ্রাম বন্দর নিয়ে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) বড় পরিকল্পনা রয়েছে জানিয়ে আমির খসরু বলেন, এডিবির ভাইস প্রেসিডেন্ট ফিলিপাইন থেকে বাংলাদেশে এসে চট্টগ্রাম বন্দরের বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে আলোচনা করছেন। এটি চট্টগ্রামকে ঘিরে তাদের বড় ধরনের পরিকল্পনার ইঙ্গিত দেয়।

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম এখন শুধু লজিস্টিকস হাব নয়; এ অঞ্চলকে দেশের উন্নয়নের অগ্রপথিক হিসেবে গড়ে তুলতে চায় এডিবি। বন্দরকে কেন্দ্র করে লজিস্টিকস হাবের পাশাপাশি অন্যান্য উন্নয়ন কার্যক্রমও গড়ে উঠবে। এডিবির সঙ্গে বৈঠকের পর তাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে এগিয়ে যাওয়ার কথা জানান তিনি।

ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্যের বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, ব্যবসার খরচ বেড়ে গেলে সরবরাহ ব্যবস্থা বাধাগ্রস্ত হয়। বিশেষ করে বন্দর ও কাস্টমসের খরচ বাড়লে এর প্রভাব শেষ পর্যন্ত জনগণের ওপর পড়ে। তাই ব্যবসায়িক ব্যয় কমিয়ে প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ তৈরি করা জরুরি।

বন্দর ও কাস্টমসের কার্যক্রম আরও সমন্বিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, দুই পক্ষকে নিয়ে ইতোমধ্যে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত হয়েছে। এসব সিদ্ধান্ত দ্রুত বাস্তবায়ন হলে পণ্য খালাস ও রপ্তানি কার্যক্রমে সময় কমবে। এতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতি আস্থা বাড়বে এবং অর্থনীতিও শক্তিশালী হবে।

নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) বিদেশি প্রতিষ্ঠানের হাতে দেওয়ার বিষয়ে আমির খসরু বলেন, বন্দর দেশি বা বিদেশি—যে প্রতিষ্ঠানই পরিচালনা করুক, তাদের মূল লক্ষ্য হতে হবে জনগণ, ব্যবসা, শিল্প এবং দেশের অর্থনীতির স্বার্থ রক্ষা করা।

শিল্পকারখানার কার্যক্রম নির্বিঘ্ন করার বিষয়েও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী। তার মতে, ব্যবসায়িক খরচ কমানো এবং আন্তর্জাতিক বাজারে দেশের শিল্পকে প্রতিযোগিতায় সক্ষম করে তুলতে পারলে বিনিয়োগ বাড়বে, অর্থনীতির গতি ত্বরান্বিত হবে এবং ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্য অর্জনের পথ আরও সহজ হবে।