ঢাকা , রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার আশঙ্কা, সারা দেশে সতর্কতা জোরদার নতুন করে মুখোমুখি আর্জেন্টিনা-যুক্তরাজ্য, কলকাঠি নাড়ছে ওয়াশিংটন বিএনপির দুপক্ষের সংঘর্ষ, নিহত ১ নোয়াখালীতে ছাত্রীকে ব্ল্যাকমেইল করে ধর্ষণ, প্রধান শিক্ষক গ্রেপ্তার ১৩ কোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগ, পূজা চেরির বাবা গ্রেপ্তার উচ্ছেদ হওয়া হকারদের দ্রুত পুনর্বাসনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর স্মার্টফোনের ন্যূনতম দাম ২৫০০ টাকার মধ্যে আনতে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যে ‘স্থায়ী শান্তি’ আসবে না: রাশিয়া হাজার চেষ্টা করলেও আ.লীগ হতে পারবেন না: বিএনপিকে জামায়াত আমির আজহারী ও জারার ছবি ব্যবহার করে যৌন উত্তেজক ওষুধের বিজ্ঞাপন, গ্রেপ্তার ১০

৫০ ঘণ্টা ধরে অনশনে চবির ৯ শিক্ষার্থী, অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ৩

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় ০৩:৪৪:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৩৭৭ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) প্রক্টরিয়াল বডির পদত্যাগসহ সাত দফা দাবিতে নয় শিক্ষার্থী আমরণ অনশনে বসেছেন। শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টা পর্যন্ত অনশন কর্মসূচির ৫০ ঘণ্টা অতিক্রম হয়েছে। এ সময় তিন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, আর বাকি ছয়জন স্যালাইন নিয়ে অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন।

অনশনরতদের মধ্যে রয়েছেন—বাংলা বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী ওমর সমুদ্র, স্পোর্টস সায়েন্স বিভাগের রাম্রা সাইন মারমা, ইংরেজি বিভাগের মুগ্ধ ও নাইম শাহ জান, বাংলা বিভাগের ধ্রুব বড়ুয়া ও সুদর্শন চাকমা, মার্কেটিং বিভাগের সুমাইয়া শিকদার এবং সংগীত বিভাগের ঈশা দে।

গত বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের কার্যালয়ের সামনে ‘অধিকার সচেতন শিক্ষার্থী’ ব্যানারে নয় শিক্ষার্থী এ অনশন শুরু করেন। শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, এর আগে একই দাবিতে কর্মসূচি দিলেও তা আমলে নেয়নি কর্তৃপক্ষ। তাই এবার দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তারা।

এর মধ্যে গতকাল বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষার্থীদের অনশন ভাঙতে এবং আগামী রোববার আলোচনায় বসার প্রস্তাব দিলেও শিক্ষার্থীরা তা প্রত্যাখ্যান করেন।

শিক্ষার্থীদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—সংঘর্ষে আহতদের তালিকা প্রকাশ ও উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা, অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের নিরাপদ আবাসনের নিশ্চয়তা, আবাসনচ্যুতদের মালামাল উদ্ধারে পদক্ষেপ, চিহ্নিত শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, প্রকৃত অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনা, হয়রানি বন্ধ করা, দ্বন্দ্ব-সংঘাত নিরসনে সমন্বয় কমিটি গঠন, নিরাপদ ক্যাম্পাসের রোডম্যাপ বাস্তবায়ন এবং প্রশাসনের ব্যর্থতার দায় স্বীকার করে প্রক্টরিয়াল বডির প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়ে পদত্যাগ।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার আশঙ্কা, সারা দেশে সতর্কতা জোরদার

৫০ ঘণ্টা ধরে অনশনে চবির ৯ শিক্ষার্থী, অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ৩

আপডেট সময় ০৩:৪৪:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) প্রক্টরিয়াল বডির পদত্যাগসহ সাত দফা দাবিতে নয় শিক্ষার্থী আমরণ অনশনে বসেছেন। শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টা পর্যন্ত অনশন কর্মসূচির ৫০ ঘণ্টা অতিক্রম হয়েছে। এ সময় তিন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, আর বাকি ছয়জন স্যালাইন নিয়ে অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন।

অনশনরতদের মধ্যে রয়েছেন—বাংলা বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী ওমর সমুদ্র, স্পোর্টস সায়েন্স বিভাগের রাম্রা সাইন মারমা, ইংরেজি বিভাগের মুগ্ধ ও নাইম শাহ জান, বাংলা বিভাগের ধ্রুব বড়ুয়া ও সুদর্শন চাকমা, মার্কেটিং বিভাগের সুমাইয়া শিকদার এবং সংগীত বিভাগের ঈশা দে।

গত বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের কার্যালয়ের সামনে ‘অধিকার সচেতন শিক্ষার্থী’ ব্যানারে নয় শিক্ষার্থী এ অনশন শুরু করেন। শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, এর আগে একই দাবিতে কর্মসূচি দিলেও তা আমলে নেয়নি কর্তৃপক্ষ। তাই এবার দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তারা।

এর মধ্যে গতকাল বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষার্থীদের অনশন ভাঙতে এবং আগামী রোববার আলোচনায় বসার প্রস্তাব দিলেও শিক্ষার্থীরা তা প্রত্যাখ্যান করেন।

শিক্ষার্থীদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—সংঘর্ষে আহতদের তালিকা প্রকাশ ও উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা, অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের নিরাপদ আবাসনের নিশ্চয়তা, আবাসনচ্যুতদের মালামাল উদ্ধারে পদক্ষেপ, চিহ্নিত শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, প্রকৃত অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনা, হয়রানি বন্ধ করা, দ্বন্দ্ব-সংঘাত নিরসনে সমন্বয় কমিটি গঠন, নিরাপদ ক্যাম্পাসের রোডম্যাপ বাস্তবায়ন এবং প্রশাসনের ব্যর্থতার দায় স্বীকার করে প্রক্টরিয়াল বডির প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়ে পদত্যাগ।