ঢাকা , বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নুসার দুর্দান্ত গোলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে নরওয়ে দুরন্ত ফ্রান্সকে হারানোর কঠিন মিশনে সুইডেন সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ভুলে ধন্যবাদ দিলেন আমির হামজা কর্ণফুলীতে ফিশিং ভেসেলে বিস্ফোরণ, ৬ নাবিক দগ্ধ আনচেলত্তি ফ্যাক্টরেই বিশ্বকাপে এক প্রজন্মের সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা এড়াল ব্রাজিল জাতীয় সংসদে আইনজীবীর পোশাকে রুমিন ফারহানা, সংসদে আলোচনা ‘ধন্যবাদ বাংলাদেশ, আমরা ব্রাজিলিয়ানরাও তোমাদের ভালোবাসি‘ জার্মান সেই গণিতবিদকে এক হাত নিলেন নেইমার যাঁরা বাংলাদেশ চাননি, তাঁদের কেন রাষ্ট্রপতি–প্রধানমন্ত্রী বানিয়েছিলেন: বিএনপিকে পরওয়ার শেখ পরিবারের ৫ স্থাপনার নাম পরিবর্তন না করায় সিনেট থেকে ডাকসু নেতাদের ওয়াকআউট

দুর্নীতির অভিযোগে মমতাজের চারটি বাড়ি ও পাঁচটি প্লট জব্দ করলো আদালত

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:০১:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২০১ বার পড়া হয়েছে

এবার দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত চলমান থাকায় সংগীত শিল্পী ও মানিকগঞ্জ-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মমতাজ বেগমের ঢাকা ও মানিকগঞ্জের চারটি বাড়ি, পূর্বাচলের প্লট ও জমি জব্দের আদেশ দিয়েছে আদালত। দুদকের আবেদনের প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এদিকে মমতাজের জব্দ হওয়া এসব স্থাবর সম্পত্তির মধ্যে আছে, মহাখালী ডিওএইচএসের ৫ তলা বাড়ি, মানিকগঞ্জের সিংগাইরের দুই তলা দুটি বাড়ি, মানিকগঞ্জ সদরের চারতলা একটি বাড়ি ও পূর্বাচলের ৯ কাঠা জমি। এছাড়া আরও আছে মানিকগঞ্জে ৫ শতাংশ, সিংগাইরে ৭ শতাংশ ও সিংগাইরে আরেক জায়গায় ৪১২ দশমিক ৫১ শতাংশ জমি।

মানিকগঞ্জে পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া দুই তলা একটি বাড়ি বাদে এসব সম্পত্তির মূল্য দেখানো হয়েছে ১১ কোটি ৮১ লাখ ৭৩ হাজার ৫৮৪ টাকা। দুদকের পক্ষে সংস্থার উপ-পরিচালক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম এসব বাড়ি ও জমি জব্দ চেয়ে আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, মমতাজ বেগম এবং তার স্বার্থ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের অভিযোগের অনুসন্ধান চলছে। অনুসন্ধান চলমান থাকায় এসব স্থাবর সম্পদ জব্দ করা প্রয়োজন বলে মনে করছে দুদক।

গত বছরের ১৩ মে রাত পৌনে ১২ টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডি থেকে মমতাজ বেগমকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পরে তাকে বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে রিমান্ডে নেয়া হয়। বর্তমানে তিনি কারাগারে রয়েছেন। লোকসংগীতের প্রতিষ্ঠিত শিল্পী মমতাজ আওয়ামী লীগের মনোনয়নে ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে সদস্য হন। পরের দুইবার নির্বাচিত হন নৌকা প্রতীকে। তবে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দাঁড়ানো এক আওয়ামী লীগ নেতার কাছে হেরে যান তিনি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

নুসার দুর্দান্ত গোলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে নরওয়ে

দুর্নীতির অভিযোগে মমতাজের চারটি বাড়ি ও পাঁচটি প্লট জব্দ করলো আদালত

আপডেট সময় ০৩:০১:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬

এবার দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত চলমান থাকায় সংগীত শিল্পী ও মানিকগঞ্জ-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মমতাজ বেগমের ঢাকা ও মানিকগঞ্জের চারটি বাড়ি, পূর্বাচলের প্লট ও জমি জব্দের আদেশ দিয়েছে আদালত। দুদকের আবেদনের প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এদিকে মমতাজের জব্দ হওয়া এসব স্থাবর সম্পত্তির মধ্যে আছে, মহাখালী ডিওএইচএসের ৫ তলা বাড়ি, মানিকগঞ্জের সিংগাইরের দুই তলা দুটি বাড়ি, মানিকগঞ্জ সদরের চারতলা একটি বাড়ি ও পূর্বাচলের ৯ কাঠা জমি। এছাড়া আরও আছে মানিকগঞ্জে ৫ শতাংশ, সিংগাইরে ৭ শতাংশ ও সিংগাইরে আরেক জায়গায় ৪১২ দশমিক ৫১ শতাংশ জমি।

মানিকগঞ্জে পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া দুই তলা একটি বাড়ি বাদে এসব সম্পত্তির মূল্য দেখানো হয়েছে ১১ কোটি ৮১ লাখ ৭৩ হাজার ৫৮৪ টাকা। দুদকের পক্ষে সংস্থার উপ-পরিচালক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম এসব বাড়ি ও জমি জব্দ চেয়ে আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, মমতাজ বেগম এবং তার স্বার্থ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের অভিযোগের অনুসন্ধান চলছে। অনুসন্ধান চলমান থাকায় এসব স্থাবর সম্পদ জব্দ করা প্রয়োজন বলে মনে করছে দুদক।

গত বছরের ১৩ মে রাত পৌনে ১২ টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডি থেকে মমতাজ বেগমকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পরে তাকে বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে রিমান্ডে নেয়া হয়। বর্তমানে তিনি কারাগারে রয়েছেন। লোকসংগীতের প্রতিষ্ঠিত শিল্পী মমতাজ আওয়ামী লীগের মনোনয়নে ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে সদস্য হন। পরের দুইবার নির্বাচিত হন নৌকা প্রতীকে। তবে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দাঁড়ানো এক আওয়ামী লীগ নেতার কাছে হেরে যান তিনি।