ঢাকা , বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
মারা গেলেন সাবেক শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনির স্বামী তৌফিক নেওয়াজ প্রধানমন্ত্রীকে ভারতে স্মরণীয় অভ্যর্থনা জানানো হবে: দীনেশ ত্রিবেদী কলকাতা নিউ মার্কেটের পাশের হোটেলে ভয়াবহ আগুনে নিহত ৯, সবাই হতে পারেন বাংলাদেশি ভারতে মুসলিম যুবকের পরিবারের জন্য ৪ দফা দাবি ককরোচদের নুরের চরিত্র জাতির সামনে উন্মোচনের ঘোষণা সাংবাদিক ইলিয়াসের সাবেক মন্ত্রী দীপু মনির স্বামী তৌফিক নেওয়াজ আর নেই এনএসআই পরিচয়ে মাদক উদ্ধারে গিয়ে যুবক আটক জনসভায় প্রকাশ্যে ছাত্রলীগের নাম উল্লেখ করে বিতর্কে ইউএনও আগ্নেয়াস্ত্র হাতে মহড়া: সেই বাপ্পিকে ছেড়ে দেওয়ায় থানা ঘেরাও, সড়ক অবরোধ রাজশাহীতে চলন্ত ট্রেন থেকে তেল চুরি, তদন্ত কমিটি গঠন

দুর্নীতির অভিযোগে মমতাজের চারটি বাড়ি ও পাঁচটি প্লট জব্দ করলো আদালত

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:০১:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২৫৩ বার পড়া হয়েছে

এবার দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত চলমান থাকায় সংগীত শিল্পী ও মানিকগঞ্জ-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মমতাজ বেগমের ঢাকা ও মানিকগঞ্জের চারটি বাড়ি, পূর্বাচলের প্লট ও জমি জব্দের আদেশ দিয়েছে আদালত। দুদকের আবেদনের প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এদিকে মমতাজের জব্দ হওয়া এসব স্থাবর সম্পত্তির মধ্যে আছে, মহাখালী ডিওএইচএসের ৫ তলা বাড়ি, মানিকগঞ্জের সিংগাইরের দুই তলা দুটি বাড়ি, মানিকগঞ্জ সদরের চারতলা একটি বাড়ি ও পূর্বাচলের ৯ কাঠা জমি। এছাড়া আরও আছে মানিকগঞ্জে ৫ শতাংশ, সিংগাইরে ৭ শতাংশ ও সিংগাইরে আরেক জায়গায় ৪১২ দশমিক ৫১ শতাংশ জমি।

মানিকগঞ্জে পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া দুই তলা একটি বাড়ি বাদে এসব সম্পত্তির মূল্য দেখানো হয়েছে ১১ কোটি ৮১ লাখ ৭৩ হাজার ৫৮৪ টাকা। দুদকের পক্ষে সংস্থার উপ-পরিচালক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম এসব বাড়ি ও জমি জব্দ চেয়ে আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, মমতাজ বেগম এবং তার স্বার্থ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের অভিযোগের অনুসন্ধান চলছে। অনুসন্ধান চলমান থাকায় এসব স্থাবর সম্পদ জব্দ করা প্রয়োজন বলে মনে করছে দুদক।

গত বছরের ১৩ মে রাত পৌনে ১২ টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডি থেকে মমতাজ বেগমকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পরে তাকে বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে রিমান্ডে নেয়া হয়। বর্তমানে তিনি কারাগারে রয়েছেন। লোকসংগীতের প্রতিষ্ঠিত শিল্পী মমতাজ আওয়ামী লীগের মনোনয়নে ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে সদস্য হন। পরের দুইবার নির্বাচিত হন নৌকা প্রতীকে। তবে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দাঁড়ানো এক আওয়ামী লীগ নেতার কাছে হেরে যান তিনি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

মারা গেলেন সাবেক শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনির স্বামী তৌফিক নেওয়াজ

দুর্নীতির অভিযোগে মমতাজের চারটি বাড়ি ও পাঁচটি প্লট জব্দ করলো আদালত

আপডেট সময় ০৩:০১:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬

এবার দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত চলমান থাকায় সংগীত শিল্পী ও মানিকগঞ্জ-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মমতাজ বেগমের ঢাকা ও মানিকগঞ্জের চারটি বাড়ি, পূর্বাচলের প্লট ও জমি জব্দের আদেশ দিয়েছে আদালত। দুদকের আবেদনের প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এদিকে মমতাজের জব্দ হওয়া এসব স্থাবর সম্পত্তির মধ্যে আছে, মহাখালী ডিওএইচএসের ৫ তলা বাড়ি, মানিকগঞ্জের সিংগাইরের দুই তলা দুটি বাড়ি, মানিকগঞ্জ সদরের চারতলা একটি বাড়ি ও পূর্বাচলের ৯ কাঠা জমি। এছাড়া আরও আছে মানিকগঞ্জে ৫ শতাংশ, সিংগাইরে ৭ শতাংশ ও সিংগাইরে আরেক জায়গায় ৪১২ দশমিক ৫১ শতাংশ জমি।

মানিকগঞ্জে পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া দুই তলা একটি বাড়ি বাদে এসব সম্পত্তির মূল্য দেখানো হয়েছে ১১ কোটি ৮১ লাখ ৭৩ হাজার ৫৮৪ টাকা। দুদকের পক্ষে সংস্থার উপ-পরিচালক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম এসব বাড়ি ও জমি জব্দ চেয়ে আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, মমতাজ বেগম এবং তার স্বার্থ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের অভিযোগের অনুসন্ধান চলছে। অনুসন্ধান চলমান থাকায় এসব স্থাবর সম্পদ জব্দ করা প্রয়োজন বলে মনে করছে দুদক।

গত বছরের ১৩ মে রাত পৌনে ১২ টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডি থেকে মমতাজ বেগমকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পরে তাকে বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে রিমান্ডে নেয়া হয়। বর্তমানে তিনি কারাগারে রয়েছেন। লোকসংগীতের প্রতিষ্ঠিত শিল্পী মমতাজ আওয়ামী লীগের মনোনয়নে ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে সদস্য হন। পরের দুইবার নির্বাচিত হন নৌকা প্রতীকে। তবে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দাঁড়ানো এক আওয়ামী লীগ নেতার কাছে হেরে যান তিনি।