ঢাকা , শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
একদলীয় শাসন কায়েমের চেষ্টা হলে জনগণ হিমালয় হয়ে দাঁড়াবে’—ডা. শফিকুর রহমান ‘শুধু হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে সব সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়’—ইসরায়েলকে কড়া বার্তা জেডি ভ্যান্সের সাকলায়েনের বাধ্যতামূলক অবসর নিয়ে ফের আলোচনায় পরীমনির পুরোনো মন্তব্য খুব শিগগিরই ইতিহাসের সবথেকে ঘৃণ্য বিরোধীদল জামায়াতের পতন হবে: রাশেদ খাঁন ১৩,৩৪৪ জুলাই যোদ্ধা মাসিক ভাতা পাচ্ছেন: মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী অভাবের কারণে মেয়েকে ২৫ হাজার টাকায় বিক্রির অভিযোগ, স্ত্রীকে দেন ‘জিন-পরীর’ গল্প ফাঁস অডিওতে এমপি শাহজাহান চৌধুরীকে গুলি করার হুমকি বুয়েনস আইরেসে বাংলাদেশের নামে সড়ক নামকরণের প্রস্তাব, সাংস্কৃতিক সম্পর্ক জোরদারে নতুন উদ্যোগ হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে সিরিয়াকে নামাতে চান ট্রাম্প, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন উত্তেজনার শঙ্কা কানাডার ঐতিহাসিক ৬-০ জয়, ডেভিডের হ্যাটট্রিক

হামলা বন্ধের শর্তে ইরানকে ২০ বিলিয়ন ডলার দিচ্ছে আরব আমিরাত

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৫৪:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
  • ৮১ বার পড়া হয়েছে

এবার যুক্তরাষ্ট্রইসরাইলের যৌথ হামলার জবাবে উপসাগরীয় দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতে একের পর এক হামলা চালায় ইরান। এই হামলা বন্ধের শর্ত হিসেবে ইরানকে শত শত কোটি ডলার ছাড় করতে সম্মত হয়েছে আমিরাত। সংশ্লিষ্ট চারটি সূত্রের বরাত দিয়ে এ কথা জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। দুটি আঞ্চলিক সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত মোট ১ হাজার কোটি (১০ বিলিয়ন) ডলার ইরানকে ছাড়তে রাজি হয়েছে। ৩০০ কোটি (৩ বিলিয়ন) ডলারের বেশি অর্থ ইতোমধ্যে দেওয়া হয়েছে।

এই সমঝোতার বিষয়ে অবগত এমন আরো দুটি সূত্র জানিয়েছে, ইরানকে ২ হাজার কোটি (২০ বিলিয়ন) ডলার দিতে পারে সংযুক্ত আরব আমিরাত। তারা আরো জানায়, ইরান আর হামলা করবে নাএমন শর্তেই এ অর্থ ছাড়বে আরব আমিরাত। তবে এই অর্থ আমিরাতের নিজস্ব নাকি আমিরাতের ব্যাংকগুলো বা অন্য কোথাও আটকে থাকা ইরানেরই অর্থ, সে বিষয়ে নিশ্চিত হতে পারেনি। অর্থ হস্তান্তরের বিষয়ে জানতে চাইলে আমিরাতের একজন কর্মকর্তা বলেছেন, উত্তেজনা কমিয়ে শান্তি ফেরানোর চেষ্টা করছেন তারা।

সমঝোতার বিষয়ে অবগত একটি সূত্র জানিয়েছে, এই পদক্ষেপের কারণে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান কেউই নিজেদের সীমানা বারেড লাইনঅতিক্রম না করে সংঘাত সমাধানের একটি উপায় পেয়েছে। কারণ আমিরাতের এই পদক্ষেপের ফলে ইরান দাবি করতে পারবে যে তারা যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ আদায় করেছে। অন্যদিকে ওয়াশিংটনও বলতে পারবে যে তারা কোনো অর্থ দেয়নি।

এ সমঝোতার বিষয়ে অবগত আরেকটি সূত্র জানায়, অর্থ ছাড় দেওয়ার বিনিময়ে ইরান আমিরাতের ওপর ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা বন্ধ করবে। সেই সঙ্গে দুই দেশের মধ্যে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতাসহ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নতুন করে গড়ে তোলা হবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

একদলীয় শাসন কায়েমের চেষ্টা হলে জনগণ হিমালয় হয়ে দাঁড়াবে’—ডা. শফিকুর রহমান

হামলা বন্ধের শর্তে ইরানকে ২০ বিলিয়ন ডলার দিচ্ছে আরব আমিরাত

আপডেট সময় ১০:৫৪:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

এবার যুক্তরাষ্ট্রইসরাইলের যৌথ হামলার জবাবে উপসাগরীয় দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতে একের পর এক হামলা চালায় ইরান। এই হামলা বন্ধের শর্ত হিসেবে ইরানকে শত শত কোটি ডলার ছাড় করতে সম্মত হয়েছে আমিরাত। সংশ্লিষ্ট চারটি সূত্রের বরাত দিয়ে এ কথা জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। দুটি আঞ্চলিক সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত মোট ১ হাজার কোটি (১০ বিলিয়ন) ডলার ইরানকে ছাড়তে রাজি হয়েছে। ৩০০ কোটি (৩ বিলিয়ন) ডলারের বেশি অর্থ ইতোমধ্যে দেওয়া হয়েছে।

এই সমঝোতার বিষয়ে অবগত এমন আরো দুটি সূত্র জানিয়েছে, ইরানকে ২ হাজার কোটি (২০ বিলিয়ন) ডলার দিতে পারে সংযুক্ত আরব আমিরাত। তারা আরো জানায়, ইরান আর হামলা করবে নাএমন শর্তেই এ অর্থ ছাড়বে আরব আমিরাত। তবে এই অর্থ আমিরাতের নিজস্ব নাকি আমিরাতের ব্যাংকগুলো বা অন্য কোথাও আটকে থাকা ইরানেরই অর্থ, সে বিষয়ে নিশ্চিত হতে পারেনি। অর্থ হস্তান্তরের বিষয়ে জানতে চাইলে আমিরাতের একজন কর্মকর্তা বলেছেন, উত্তেজনা কমিয়ে শান্তি ফেরানোর চেষ্টা করছেন তারা।

সমঝোতার বিষয়ে অবগত একটি সূত্র জানিয়েছে, এই পদক্ষেপের কারণে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান কেউই নিজেদের সীমানা বারেড লাইনঅতিক্রম না করে সংঘাত সমাধানের একটি উপায় পেয়েছে। কারণ আমিরাতের এই পদক্ষেপের ফলে ইরান দাবি করতে পারবে যে তারা যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ আদায় করেছে। অন্যদিকে ওয়াশিংটনও বলতে পারবে যে তারা কোনো অর্থ দেয়নি।

এ সমঝোতার বিষয়ে অবগত আরেকটি সূত্র জানায়, অর্থ ছাড় দেওয়ার বিনিময়ে ইরান আমিরাতের ওপর ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা বন্ধ করবে। সেই সঙ্গে দুই দেশের মধ্যে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতাসহ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নতুন করে গড়ে তোলা হবে।