ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি বৃহস্পতিবার বলেছেন, প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছ থেকে ইরানের অধিকার এবং রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট-এর স্বার্থ সুরক্ষিত রাখার আশ্বাস পাওয়ার পর, ভিন্ন মত পোষণ করা সত্ত্বেও তিনি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষরিত একটি সমঝোতা স্মারকে অনুমোদন দিয়েছেন।
ইরানি জাতির উদ্দেশে এক লিখিত বার্তায় খামেনি বলেছেন, সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান হিসেবে পেজেশকিয়ান এই চুক্তি যাতে ইরানের স্বার্থ রক্ষা করে, তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন এবং ওয়াশিংটন যদি তার ভাষায় অতিরিক্ত দাবি জানায়, তবে তিনি নতি স্বীকার করবেন না বলে অঙ্গীকার করেছেন।
চুক্তি স্বাক্ষরের পর দেয়া বার্তাটিতে খামেনি বলেন, চুক্তিটি সম্পাদনের জন্য ইরানি কর্মকর্তারা সহানুভূতি ও সদিচ্ছা থেকে ব্যাপক প্রচেষ্টা চালিয়েছেন। অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প হতাশা থেকে কাজ করেছেন এবং এটি নিশ্চিত করতে সব ধরনের প্রভাব খাটিয়েছেন বলে তিনি বর্ণনা করেন।
তবে তিনি এও স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, মার্কিন পক্ষ যদি অতিরিক্ত দাবি করে, তবে তারা তা মেনে নেবে না, খামেনি বলেন।
এই বার্তাটি চুক্তিবিরোধী কট্টরপন্থিদের সমালোচনার জবাব দেয়ার উদ্দেশ্যে দেয়া হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। খামেনি বলেছেন, ইরান জাতি এবং তিনি নিজে এখন চুক্তিতে উল্লিখিত শর্তগুলো পূরণের অপেক্ষায় থাকবেন।
তিনি আরও সতর্ক করে দেন যে, ভবিষ্যতে মুখোমুখি আলোচনা শত্রুপক্ষের অবস্থান মেনে নেয়ার শামিল হবে না।
সর্বোচ্চ নেতা আরও বলেন, ‘এই মুহূর্ত থেকে আমরা- আপনারা, এই গর্বিত জাতি এবং এই নগণ্য সেবক- উল্লিখিত শর্তগুলো বাস্তবায়নের অপেক্ষায় থাকব।’
২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের হামলার পর কয়েক মাসের সংঘাতের অবসান ঘটাতে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর চেষ্টা চালায় মধ্যস্থতাকারীরা। শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারকের ঘোষণা দেন।

ডেস্ক রিপোর্ট 























