ঢাকা , সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আসিফ মাহমুদ অন্তর্বর্তী সরকারের সময় আ.লীগ ব্যবসায়ী ও এমপিদের প্রটেকশন দিয়েছে: রাশেদ খাঁন এআই না জানলে মুসলিমরা পিছিয়ে পড়বে: মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীকে যথাযথ মর্যাদায় আমন্ত্রণ জানানো হয়নি: স্পিকার নতুন পোশাক আইন করছে ভারত, বিপাকে মুসলিমরা ক্ষমতায় না যেতেই মজলুম থেকে জালিমে পরিণত হয়েছে জামায়াত: রাশেদ খাঁন জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শিবির নিয়ন্ত্রিত ডাকসু ‘পাকিস্তান প্রেম’ জাহির করছে: ছাত্রদল মসজিদের মাইকে ‘ডাকাত’ ঘোষণা দিয়ে যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা ভেনেজুয়েলার মতো ইরানের তেলও দখলে নিতে চান ট্রাম্প ছোট ভাইকে ১৮৫০ শতাংশ জমি লিখে দেন ডিবি হারুন

বাগেরহাটে সাড়ে ৩ লাখ টাকায় বিক্রি হলো একটি মাছ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৫:৩০:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬
  • ৪৫ বার পড়া হয়েছে

বঙ্গোপসাগরে জেলেদের জালে ধরা পড়া সাড়ে ২২ কেজি ওজনের একটি ‘দাতিনা ভোল’ মাছ বিক্রি হয়েছে ৩ লাখ ৫৫ হাজার টাকায়। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকালে বাগেরহাটের কেবি বাজার মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে উন্মুক্ত নিলামে মাছটি বিক্রি হয়।

মিরাজ হাওলদার আড়তে অনুষ্ঠিত নিলামে প্রতি মণ মাছের দাম ওঠে ৬ লাখ ৯৪ হাজার টাকা। সে হিসাবে প্রতি কেজির দাম পড়ে প্রায় ১৫ হাজার ৭৭৭ টাকা। মাছটি কিনেছেন ব্যবসায়ী হারুন মীর।

এর আগে গত ১১ আগস্ট বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার সময় বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার বগা গ্রামের জেলে ইলিয়াছ হোসেনের ট্রলারে মাছটি ধরা পড়ে। ট্রলারটির নাম ‘এফবি মায়ের দোয়া’।

ট্রলির মালিক ও মাঝি ইলিয়াছ হোসেন জানান, সাগরে আবহাওয়া খারাপ থাকায় ইলিশ তেমন ধরা পড়ছিল না। তাই বাড়ি ফেরার আগে শেষবারের মতো সাগরে জাল ফেলেন তারা। রাতে জাল তোলার সময় বিশাল আকারের দাতিনা ভোল মাছটি ধরা পড়ে।

মাছটির ক্রেতা হারুন মীর বলেন, প্রতি মণ ৬ লাখ ৯৪ হাজার টাকা হিসাবে সাড়ে ২২ কেজি মাছটি ৩ লাখ ৫৫ হাজার টাকায় কিনেছেন তিনি। মাছটি বরফ দিয়ে বড় মোকামে নেওয়ার পর সেখান থেকে চট্টগ্রামে পাঠানো হবে। এতে প্রায় ৫০ হাজার টাকা লাভ হতে পারে বলে আশা করছেন তিনি।

উপকূলীয় মৎস্য সমবায় সমিতির সভাপতি ইদ্রিস আলী বলেন, ছোট জালের কারণে অনেক সময় এ ধরনের মাছ আকারে বড় হওয়ার আগেই ধরা পড়ে যায়। দীর্ঘদিন পর সাড়ে ২২ কেজি ওজনের একটি দাতিনা ভোল ধরা পড়ায় স্থানীয় জেলেরা খুশি।

ব্যবসায়ীদের তথ্য অনুযায়ী, দাতিনা ভোল মাছের পটকার চীন, থাইল্যান্ডসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। মাছের পটকা ওষুধ, চিকিৎসায় ব্যবহৃত বিশেষ ধরনের সুতা এবং প্রসাধনী তৈরিসহ বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে এর মূল্যও বেশি।

বিরল এই মাছ ধরা পড়ায় স্থানীয় জেলেদের মধ্যে যেমন আনন্দ দেখা দিয়েছে, তেমনি এক মাছেই বড় অঙ্কের অর্থ পাওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে। উপকূলীয় জেলেদের ভাষায়, মাঝেমধ্যে এমন বিরল মাছই তাদের ভাগ্য বদলে দেয়।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আসিফ মাহমুদ অন্তর্বর্তী সরকারের সময় আ.লীগ ব্যবসায়ী ও এমপিদের প্রটেকশন দিয়েছে: রাশেদ খাঁন

বাগেরহাটে সাড়ে ৩ লাখ টাকায় বিক্রি হলো একটি মাছ

আপডেট সময় ০৫:৩০:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

বঙ্গোপসাগরে জেলেদের জালে ধরা পড়া সাড়ে ২২ কেজি ওজনের একটি ‘দাতিনা ভোল’ মাছ বিক্রি হয়েছে ৩ লাখ ৫৫ হাজার টাকায়। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকালে বাগেরহাটের কেবি বাজার মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে উন্মুক্ত নিলামে মাছটি বিক্রি হয়।

মিরাজ হাওলদার আড়তে অনুষ্ঠিত নিলামে প্রতি মণ মাছের দাম ওঠে ৬ লাখ ৯৪ হাজার টাকা। সে হিসাবে প্রতি কেজির দাম পড়ে প্রায় ১৫ হাজার ৭৭৭ টাকা। মাছটি কিনেছেন ব্যবসায়ী হারুন মীর।

এর আগে গত ১১ আগস্ট বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার সময় বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার বগা গ্রামের জেলে ইলিয়াছ হোসেনের ট্রলারে মাছটি ধরা পড়ে। ট্রলারটির নাম ‘এফবি মায়ের দোয়া’।

ট্রলির মালিক ও মাঝি ইলিয়াছ হোসেন জানান, সাগরে আবহাওয়া খারাপ থাকায় ইলিশ তেমন ধরা পড়ছিল না। তাই বাড়ি ফেরার আগে শেষবারের মতো সাগরে জাল ফেলেন তারা। রাতে জাল তোলার সময় বিশাল আকারের দাতিনা ভোল মাছটি ধরা পড়ে।

মাছটির ক্রেতা হারুন মীর বলেন, প্রতি মণ ৬ লাখ ৯৪ হাজার টাকা হিসাবে সাড়ে ২২ কেজি মাছটি ৩ লাখ ৫৫ হাজার টাকায় কিনেছেন তিনি। মাছটি বরফ দিয়ে বড় মোকামে নেওয়ার পর সেখান থেকে চট্টগ্রামে পাঠানো হবে। এতে প্রায় ৫০ হাজার টাকা লাভ হতে পারে বলে আশা করছেন তিনি।

উপকূলীয় মৎস্য সমবায় সমিতির সভাপতি ইদ্রিস আলী বলেন, ছোট জালের কারণে অনেক সময় এ ধরনের মাছ আকারে বড় হওয়ার আগেই ধরা পড়ে যায়। দীর্ঘদিন পর সাড়ে ২২ কেজি ওজনের একটি দাতিনা ভোল ধরা পড়ায় স্থানীয় জেলেরা খুশি।

ব্যবসায়ীদের তথ্য অনুযায়ী, দাতিনা ভোল মাছের পটকার চীন, থাইল্যান্ডসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। মাছের পটকা ওষুধ, চিকিৎসায় ব্যবহৃত বিশেষ ধরনের সুতা এবং প্রসাধনী তৈরিসহ বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে এর মূল্যও বেশি।

বিরল এই মাছ ধরা পড়ায় স্থানীয় জেলেদের মধ্যে যেমন আনন্দ দেখা দিয়েছে, তেমনি এক মাছেই বড় অঙ্কের অর্থ পাওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে। উপকূলীয় জেলেদের ভাষায়, মাঝেমধ্যে এমন বিরল মাছই তাদের ভাগ্য বদলে দেয়।