ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বোয়িং থেকে ১১ উড়োজাহাজ কিনছে বিমান বাংলাদেশ, অভিনন্দন জানালেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রতিমন্ত্রীর সামনেই ছাত্রদলের দু’গ্রুপের হট্টগোল-হাতাহাতি ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় সমর্থন না দিতে কালাসকে সতর্ক করলেন আরাগচি হজের কোটায় বিশ্বের শীর্ষ ১০ দেশের তালিকায় বাংলাদেশ ৫ম জাতিসংঘে ইসরায়েলের হয়ে ‘ব্যাট করলেন’ আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট ইরানকে আত্মসমর্পণ করানো যাবে না: জাতিসংঘে পেজেশকিয়ান হাঁস-মুরগি-লাউ নিয়ে ওসিকে বিদায় জানাতে এলেন এলাকাবাসী গণমানুষের কষ্ট লাঘব না হলে রাজপথে নামতে বাধ্য হব: চরমোনাই পীর নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে যেখানে পাওয়া যাবে সেখানেই গণধোলাইয়ের নির্দেশ বিএনপি নেতার শিবির সভাপতি ইমরান ক্ষমা না চাইলে ‘চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত’ নেবে ছাত্রদল, ২৪ ঘণ্টার আল্টেমেটাম

বাগেরহাটে সাড়ে ৩ লাখ টাকায় বিক্রি হলো একটি মাছ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৫:৩০:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬
  • ৫৩ বার পড়া হয়েছে

বঙ্গোপসাগরে জেলেদের জালে ধরা পড়া সাড়ে ২২ কেজি ওজনের একটি ‘দাতিনা ভোল’ মাছ বিক্রি হয়েছে ৩ লাখ ৫৫ হাজার টাকায়। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকালে বাগেরহাটের কেবি বাজার মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে উন্মুক্ত নিলামে মাছটি বিক্রি হয়।

মিরাজ হাওলদার আড়তে অনুষ্ঠিত নিলামে প্রতি মণ মাছের দাম ওঠে ৬ লাখ ৯৪ হাজার টাকা। সে হিসাবে প্রতি কেজির দাম পড়ে প্রায় ১৫ হাজার ৭৭৭ টাকা। মাছটি কিনেছেন ব্যবসায়ী হারুন মীর।

এর আগে গত ১১ আগস্ট বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার সময় বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার বগা গ্রামের জেলে ইলিয়াছ হোসেনের ট্রলারে মাছটি ধরা পড়ে। ট্রলারটির নাম ‘এফবি মায়ের দোয়া’।

ট্রলির মালিক ও মাঝি ইলিয়াছ হোসেন জানান, সাগরে আবহাওয়া খারাপ থাকায় ইলিশ তেমন ধরা পড়ছিল না। তাই বাড়ি ফেরার আগে শেষবারের মতো সাগরে জাল ফেলেন তারা। রাতে জাল তোলার সময় বিশাল আকারের দাতিনা ভোল মাছটি ধরা পড়ে।

মাছটির ক্রেতা হারুন মীর বলেন, প্রতি মণ ৬ লাখ ৯৪ হাজার টাকা হিসাবে সাড়ে ২২ কেজি মাছটি ৩ লাখ ৫৫ হাজার টাকায় কিনেছেন তিনি। মাছটি বরফ দিয়ে বড় মোকামে নেওয়ার পর সেখান থেকে চট্টগ্রামে পাঠানো হবে। এতে প্রায় ৫০ হাজার টাকা লাভ হতে পারে বলে আশা করছেন তিনি।

উপকূলীয় মৎস্য সমবায় সমিতির সভাপতি ইদ্রিস আলী বলেন, ছোট জালের কারণে অনেক সময় এ ধরনের মাছ আকারে বড় হওয়ার আগেই ধরা পড়ে যায়। দীর্ঘদিন পর সাড়ে ২২ কেজি ওজনের একটি দাতিনা ভোল ধরা পড়ায় স্থানীয় জেলেরা খুশি।

ব্যবসায়ীদের তথ্য অনুযায়ী, দাতিনা ভোল মাছের পটকার চীন, থাইল্যান্ডসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। মাছের পটকা ওষুধ, চিকিৎসায় ব্যবহৃত বিশেষ ধরনের সুতা এবং প্রসাধনী তৈরিসহ বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে এর মূল্যও বেশি।

বিরল এই মাছ ধরা পড়ায় স্থানীয় জেলেদের মধ্যে যেমন আনন্দ দেখা দিয়েছে, তেমনি এক মাছেই বড় অঙ্কের অর্থ পাওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে। উপকূলীয় জেলেদের ভাষায়, মাঝেমধ্যে এমন বিরল মাছই তাদের ভাগ্য বদলে দেয়।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বোয়িং থেকে ১১ উড়োজাহাজ কিনছে বিমান বাংলাদেশ, অভিনন্দন জানালেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত

বাগেরহাটে সাড়ে ৩ লাখ টাকায় বিক্রি হলো একটি মাছ

আপডেট সময় ০৫:৩০:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

বঙ্গোপসাগরে জেলেদের জালে ধরা পড়া সাড়ে ২২ কেজি ওজনের একটি ‘দাতিনা ভোল’ মাছ বিক্রি হয়েছে ৩ লাখ ৫৫ হাজার টাকায়। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকালে বাগেরহাটের কেবি বাজার মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে উন্মুক্ত নিলামে মাছটি বিক্রি হয়।

মিরাজ হাওলদার আড়তে অনুষ্ঠিত নিলামে প্রতি মণ মাছের দাম ওঠে ৬ লাখ ৯৪ হাজার টাকা। সে হিসাবে প্রতি কেজির দাম পড়ে প্রায় ১৫ হাজার ৭৭৭ টাকা। মাছটি কিনেছেন ব্যবসায়ী হারুন মীর।

এর আগে গত ১১ আগস্ট বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার সময় বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার বগা গ্রামের জেলে ইলিয়াছ হোসেনের ট্রলারে মাছটি ধরা পড়ে। ট্রলারটির নাম ‘এফবি মায়ের দোয়া’।

ট্রলির মালিক ও মাঝি ইলিয়াছ হোসেন জানান, সাগরে আবহাওয়া খারাপ থাকায় ইলিশ তেমন ধরা পড়ছিল না। তাই বাড়ি ফেরার আগে শেষবারের মতো সাগরে জাল ফেলেন তারা। রাতে জাল তোলার সময় বিশাল আকারের দাতিনা ভোল মাছটি ধরা পড়ে।

মাছটির ক্রেতা হারুন মীর বলেন, প্রতি মণ ৬ লাখ ৯৪ হাজার টাকা হিসাবে সাড়ে ২২ কেজি মাছটি ৩ লাখ ৫৫ হাজার টাকায় কিনেছেন তিনি। মাছটি বরফ দিয়ে বড় মোকামে নেওয়ার পর সেখান থেকে চট্টগ্রামে পাঠানো হবে। এতে প্রায় ৫০ হাজার টাকা লাভ হতে পারে বলে আশা করছেন তিনি।

উপকূলীয় মৎস্য সমবায় সমিতির সভাপতি ইদ্রিস আলী বলেন, ছোট জালের কারণে অনেক সময় এ ধরনের মাছ আকারে বড় হওয়ার আগেই ধরা পড়ে যায়। দীর্ঘদিন পর সাড়ে ২২ কেজি ওজনের একটি দাতিনা ভোল ধরা পড়ায় স্থানীয় জেলেরা খুশি।

ব্যবসায়ীদের তথ্য অনুযায়ী, দাতিনা ভোল মাছের পটকার চীন, থাইল্যান্ডসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। মাছের পটকা ওষুধ, চিকিৎসায় ব্যবহৃত বিশেষ ধরনের সুতা এবং প্রসাধনী তৈরিসহ বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে এর মূল্যও বেশি।

বিরল এই মাছ ধরা পড়ায় স্থানীয় জেলেদের মধ্যে যেমন আনন্দ দেখা দিয়েছে, তেমনি এক মাছেই বড় অঙ্কের অর্থ পাওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে। উপকূলীয় জেলেদের ভাষায়, মাঝেমধ্যে এমন বিরল মাছই তাদের ভাগ্য বদলে দেয়।