ঢাকা , শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
মাদক নির্মূলে নির্মুহভাবে তালিকা প্রণয়ন করবে ট্রাস্কফোর্স: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আ.লীগ শত্রু নয় আমাদের মিত্র, অচিরেই আমাদের সঙ্গে মিশে যাবে: বিএনপির এমপি শুধু মসজিদের ইমামতি নয়, জাতির দায়িত্ব নিতে হবে ওলামায়ে কেরামকে: নাসীরুদ্দীন পশ্চিমবঙ্গে মসজিদ থেকে খুলে ফেলা হচ্ছে মাইক, শুভেন্দু বলছেন- ‘আদালতের নির্দেশ’ দেশের স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান পানিসম্পদমন্ত্রীর ৮ দফা দাবিতে মেহেরপুরে জামায়াতের স্মারকলিপি এবার বিএনপিকে ব্যবহার করতে চায় ভারত: রাশেদ প্রধান মেহেরপুরে অনলাইন ক্যাসিনো মাস্টারমাইন্ড ওয়াসিম হালদার গ্রেপ্তার আওয়ামী লীগের ‘জঙ্গিবাদের ন্যারেটিভ’ পুরনো রাজনীতি : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটার তালিকা প্রকাশ, ভোট দেবেন ৩৪৯ এমপি

আজ বিশ্ব ব্যর্থতা দিবস

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৫৬:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৫
  • ৪৩৯৮ বার পড়া হয়েছে

ভাবুন তো, আপনি কোনো নতুন কিছু শুরু করেছিলেন—হয়তো একটি প্রজেক্ট, একটি উদ্যোগ, বা এমন কিছু যা আপনাকে কমফোর্ট জোন থেকে বের করে এনেছিল। কিন্তু ফলটা হলো প্রত্যাশার ঠিক বিপরীত—চেষ্টা সত্ত্বেও সফলতা এলো না। ব্যর্থ হলেন। তারপর কী ঘটল? আপনি নিজেকে দোষারোপ করলেন? বললেন, ‘আমার দ্বারা হয়তো সম্ভব নয়?’

যদি এমন হয়ে থাকে, তাহলে আজকের এ দিনটি ঠিক আপনার জন্যই। ১৩ অক্টোবর—বিশ্ব ব্যর্থতা দিবস। একটি দিন যেখানে ব্যর্থতাকে দুর্বলতা হিসেবে নয়, বরং সাহসিকতার প্রমাণ হিসেবে দেখা হয়। এই দিনটি মনে করিয়ে দেয়—ব্যর্থতা মানে থেমে যাওয়া নয়; বরং আপনি সাহস করে চেষ্টা করেছিলেন, সেটাই বড় কথা। ব্যর্থতা হলো শেখার শুরু, এবং যাত্রার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

বিশ্ব ব্যর্থতা দিবস প্রথম শুরু হয়েছিল ২০১০ সালে, ফিনল্যান্ডের Aalto বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ছাত্রছাত্রীর মাধ্যমে। তারা লক্ষ্য করেছিল, অনেকেই নতুন কিছু শুরু করতে ভয় পাচ্ছে, কারণ ব্যর্থ হওয়ার আশঙ্কা সবকিছু আটকে দিচ্ছে। তখনই তারা ভাবল—ব্যর্থতাকে নিয়ে যদি খোলাখুলি কথা বলা যায়, যদি একে স্বাভাবিক বলে গ্রহণ করা যায়, তাহলে মানুষ আরও সাহসী হবে, উদ্যোগ নেবে। সেই ভাবনা থেকেই জন্ম নেয় এই বিশেষ দিবসের। শুরুটা ছিল ছোট পরিসরে, কিন্তু কয়েক বছরের মধ্যেই এটি আন্তর্জাতিকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। ব্যক্তিগত উদ্যোগ থেকে শুরু করে বড় বড় প্রতিষ্ঠানও এই দিনটিকে গুরুত্ব দিতে শুরু করে।

আমরা সাধারণভাবে ব্যর্থতাকে নেতিবাচক চোখে দেখি—লজ্জার কিছু, এমনকি কখনো কখনো হারের সমান মনে করি। কিন্তু এ দিবসটি চেষ্টা করে সেই মানসিকতা বদলাতে। এটি আমাদের শেখায়, ব্যর্থ হওয়া মানেই আপনি ব্যর্থ মানুষ নন। বরং আপনি এমন একজন, যিনি নতুন কিছু করার সাহস দেখিয়েছেন। সফল মানুষদের পেছনের গল্পে গেলে দেখা যাবে, সবার জীবনেই আছে প্রচুর না-পারা, হোঁচট, ভুল সিদ্ধান্ত। সাফল্যের আগে একাধিকবার ব্যর্থ হওয়াই বরং সবচেয়ে সাধারণ ঘটনা। তাই এ দিনটি মানুষকে উৎসাহ দেয়—তারা যেন তাদের ভুলের, হোঁচট খাওয়ার অভিজ্ঞতা শেয়ার করে। এতে করে অন্যরাও বোঝে—আমি একা নই, ব্যর্থতা আমাদের সবার জীবনেরই অংশ।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদক নির্মূলে নির্মুহভাবে তালিকা প্রণয়ন করবে ট্রাস্কফোর্স: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আজ বিশ্ব ব্যর্থতা দিবস

আপডেট সময় ১০:৫৬:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৫

ভাবুন তো, আপনি কোনো নতুন কিছু শুরু করেছিলেন—হয়তো একটি প্রজেক্ট, একটি উদ্যোগ, বা এমন কিছু যা আপনাকে কমফোর্ট জোন থেকে বের করে এনেছিল। কিন্তু ফলটা হলো প্রত্যাশার ঠিক বিপরীত—চেষ্টা সত্ত্বেও সফলতা এলো না। ব্যর্থ হলেন। তারপর কী ঘটল? আপনি নিজেকে দোষারোপ করলেন? বললেন, ‘আমার দ্বারা হয়তো সম্ভব নয়?’

যদি এমন হয়ে থাকে, তাহলে আজকের এ দিনটি ঠিক আপনার জন্যই। ১৩ অক্টোবর—বিশ্ব ব্যর্থতা দিবস। একটি দিন যেখানে ব্যর্থতাকে দুর্বলতা হিসেবে নয়, বরং সাহসিকতার প্রমাণ হিসেবে দেখা হয়। এই দিনটি মনে করিয়ে দেয়—ব্যর্থতা মানে থেমে যাওয়া নয়; বরং আপনি সাহস করে চেষ্টা করেছিলেন, সেটাই বড় কথা। ব্যর্থতা হলো শেখার শুরু, এবং যাত্রার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

বিশ্ব ব্যর্থতা দিবস প্রথম শুরু হয়েছিল ২০১০ সালে, ফিনল্যান্ডের Aalto বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ছাত্রছাত্রীর মাধ্যমে। তারা লক্ষ্য করেছিল, অনেকেই নতুন কিছু শুরু করতে ভয় পাচ্ছে, কারণ ব্যর্থ হওয়ার আশঙ্কা সবকিছু আটকে দিচ্ছে। তখনই তারা ভাবল—ব্যর্থতাকে নিয়ে যদি খোলাখুলি কথা বলা যায়, যদি একে স্বাভাবিক বলে গ্রহণ করা যায়, তাহলে মানুষ আরও সাহসী হবে, উদ্যোগ নেবে। সেই ভাবনা থেকেই জন্ম নেয় এই বিশেষ দিবসের। শুরুটা ছিল ছোট পরিসরে, কিন্তু কয়েক বছরের মধ্যেই এটি আন্তর্জাতিকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। ব্যক্তিগত উদ্যোগ থেকে শুরু করে বড় বড় প্রতিষ্ঠানও এই দিনটিকে গুরুত্ব দিতে শুরু করে।

আমরা সাধারণভাবে ব্যর্থতাকে নেতিবাচক চোখে দেখি—লজ্জার কিছু, এমনকি কখনো কখনো হারের সমান মনে করি। কিন্তু এ দিবসটি চেষ্টা করে সেই মানসিকতা বদলাতে। এটি আমাদের শেখায়, ব্যর্থ হওয়া মানেই আপনি ব্যর্থ মানুষ নন। বরং আপনি এমন একজন, যিনি নতুন কিছু করার সাহস দেখিয়েছেন। সফল মানুষদের পেছনের গল্পে গেলে দেখা যাবে, সবার জীবনেই আছে প্রচুর না-পারা, হোঁচট, ভুল সিদ্ধান্ত। সাফল্যের আগে একাধিকবার ব্যর্থ হওয়াই বরং সবচেয়ে সাধারণ ঘটনা। তাই এ দিনটি মানুষকে উৎসাহ দেয়—তারা যেন তাদের ভুলের, হোঁচট খাওয়ার অভিজ্ঞতা শেয়ার করে। এতে করে অন্যরাও বোঝে—আমি একা নই, ব্যর্থতা আমাদের সবার জীবনেরই অংশ।