ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার: আনোয়ার ইব্রাহিম ব্যারিকেড ভেঙে ভোপালে ২০০০ কৃষক, যোগ দিলো জেন-জিরাও থানার বাইরে বিএনপির অস্ত্রধারীদের টহলের দাবি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বৃহস্পতি ও শুক্রবার সিলেটের পাঁচ উপজেলায় এনসিপির পদযাত্রা ঘোষণা ‘দেশকে এগিয়ে নিতে প্রধানমন্ত্রী দিনে প্রায় ১৮ ঘণ্টা কাজ করেন’ হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ছাড়ার কোনো প্রশ্নই আসে না: ইরান সরকার স্বৈরাচারের পথেই হাঁটছে: নাহিদ ইসলাম ইনসাফ নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধ থামবে না হাসিনাকে ‘কওমি জননী’ উপাধি দেওয়া মুফতি রুহুল আমিন শিক্ষাবোর্ডের সভায় সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী গ্রেপ্তার

জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগান দিয়ে জুলাই স্মৃতি স্তম্ভে আগুন

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৩২:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬
  • ৮৭ বার পড়া হয়েছে

এবার নোয়াখালীতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত শহীদদের স্মরণে নির্মিত স্মৃতি স্তম্ভে অগ্নি সংযোগ করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনার সাথে জড়িতদের শনাক্তে কাজ শুরু করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। শনিবার (১৩ জুন) ভোরে জেলা শহর মাইজদী জজ আদালত সড়কের উত্তর পাশে অবস্থিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ও মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের স্মৃতি স্তম্ভের মাঝখানে নির্মিত জুলাই স্মৃতি স্তম্ভে এ ঘটনা ঘটে।

তবে দিনের বেলায় বিষয়টি কারও নজরে না আসায় ঘটনাটি জানাজানি হয়নি। পরে শনিবার সন্ধ্যার দিকে স্মৃতি স্তম্ভে অগ্নিসংযোগের ২৫ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। এরপর পুলিশ ঘটনাটি তদন্তে তৎপর হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, একদল তরুণ স্মৃতি স্তম্ভ ও এর আশপাশে দাহ্য পদার্থ ছিটিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে স্মৃতি স্তম্ভের নিচের অংশের কিছু অংশ পুড়ে যায়। ভিডিওতে উপস্থিত একজনকে বলতে শোনা যায়, ‘স্বাধীন সার্বভৌম এই দেশ থেকে রাজাকারের চিহ্ন মুছে ফেলার জন্য বাংলাদেশ ছাত্রলীগই যথেষ্ট। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু। শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে। নোয়াখালী থেকে রাজাকার বিতাড়িত করার জন্য বাংলাদেশ ছাত্রলীগ প্রস্তুত। এ সময় তারা বিভিন্ন স্লোগান দিতে দিতে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

এ ঘটনায় সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ কামরুল ইসলাম রোববার সকালে বলেন, ‘জুলাই স্মৃতি স্তম্ভে কারা এবং কখন আগুন দিয়েছে, সে বিষয়ে আমাদের কাছে পূর্বে কোনো তথ্য ছিল না। যারা এ অপরাধ করেছে, তারাই একটি ভিডিও ফেসবুকে আপলোড করেছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দেখা গেছে, আগুনের কারণে স্মৃতি স্তম্ভের কিছু অংশ পুড়ে গেছে। ভিডিও ফুটেজ ও সিসিটিভি পর্যবেক্ষণ করে জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার: আনোয়ার ইব্রাহিম

জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগান দিয়ে জুলাই স্মৃতি স্তম্ভে আগুন

আপডেট সময় ১০:৩২:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

এবার নোয়াখালীতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত শহীদদের স্মরণে নির্মিত স্মৃতি স্তম্ভে অগ্নি সংযোগ করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনার সাথে জড়িতদের শনাক্তে কাজ শুরু করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। শনিবার (১৩ জুন) ভোরে জেলা শহর মাইজদী জজ আদালত সড়কের উত্তর পাশে অবস্থিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ও মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের স্মৃতি স্তম্ভের মাঝখানে নির্মিত জুলাই স্মৃতি স্তম্ভে এ ঘটনা ঘটে।

তবে দিনের বেলায় বিষয়টি কারও নজরে না আসায় ঘটনাটি জানাজানি হয়নি। পরে শনিবার সন্ধ্যার দিকে স্মৃতি স্তম্ভে অগ্নিসংযোগের ২৫ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। এরপর পুলিশ ঘটনাটি তদন্তে তৎপর হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, একদল তরুণ স্মৃতি স্তম্ভ ও এর আশপাশে দাহ্য পদার্থ ছিটিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে স্মৃতি স্তম্ভের নিচের অংশের কিছু অংশ পুড়ে যায়। ভিডিওতে উপস্থিত একজনকে বলতে শোনা যায়, ‘স্বাধীন সার্বভৌম এই দেশ থেকে রাজাকারের চিহ্ন মুছে ফেলার জন্য বাংলাদেশ ছাত্রলীগই যথেষ্ট। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু। শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে। নোয়াখালী থেকে রাজাকার বিতাড়িত করার জন্য বাংলাদেশ ছাত্রলীগ প্রস্তুত। এ সময় তারা বিভিন্ন স্লোগান দিতে দিতে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

এ ঘটনায় সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ কামরুল ইসলাম রোববার সকালে বলেন, ‘জুলাই স্মৃতি স্তম্ভে কারা এবং কখন আগুন দিয়েছে, সে বিষয়ে আমাদের কাছে পূর্বে কোনো তথ্য ছিল না। যারা এ অপরাধ করেছে, তারাই একটি ভিডিও ফেসবুকে আপলোড করেছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দেখা গেছে, আগুনের কারণে স্মৃতি স্তম্ভের কিছু অংশ পুড়ে গেছে। ভিডিও ফুটেজ ও সিসিটিভি পর্যবেক্ষণ করে জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।