ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ইকনের পড়ালেখার দায়িত্ব নিচ্ছেন শিক্ষামন্ত্রী যন্তর মন্তরে বিক্ষোভকারীদের পাশে স্বেচ্ছাসেবী চিকিৎসকেরা শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি অ্যাকশনে বিজেপি ও শরিকদের অস্বস্তি রান্নার সময় মাংসের রং হলো সবুজ, কড়াই নিয়ে থানায় হাজির শিশুকে বলাৎকার করে মাদরাসাশিক্ষক বললেন, ‘মনে করো তুমি স্বপ্ন দেখতেছ’ তারেক রহমানের পাঙ্খা গজাইছে, সব পাঙ্খা ভেঙে মাটিতে পড়ে যাবে: পাটওয়ারী যে মঞ্চে প্রধানমন্ত্রীকে লাল কার্ড ধরিয়ে দিতে চান পাটওয়ারী, সেই মঞ্চে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানালেন সারজিস আলম সরকারি নির্দেশেই দিল্লিতে ইন্টারনেট বন্ধ, দাবি টেলিকম সংস্থাগুলোর বাবাকে হারিয়েও থামেনি জীবন, রাতের ডিউটি শেষে সকালে এইচএসসি পরীক্ষা দিলেন ইকন মেয়েটা যে অরক্ষিত হলো, এই দায়ভার কে নেবে: মনিরা শারমিন

জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগান দিয়ে জুলাই স্মৃতি স্তম্ভে আগুন

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৩২:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬
  • ৮১ বার পড়া হয়েছে

এবার নোয়াখালীতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত শহীদদের স্মরণে নির্মিত স্মৃতি স্তম্ভে অগ্নি সংযোগ করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনার সাথে জড়িতদের শনাক্তে কাজ শুরু করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। শনিবার (১৩ জুন) ভোরে জেলা শহর মাইজদী জজ আদালত সড়কের উত্তর পাশে অবস্থিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ও মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের স্মৃতি স্তম্ভের মাঝখানে নির্মিত জুলাই স্মৃতি স্তম্ভে এ ঘটনা ঘটে।

তবে দিনের বেলায় বিষয়টি কারও নজরে না আসায় ঘটনাটি জানাজানি হয়নি। পরে শনিবার সন্ধ্যার দিকে স্মৃতি স্তম্ভে অগ্নিসংযোগের ২৫ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। এরপর পুলিশ ঘটনাটি তদন্তে তৎপর হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, একদল তরুণ স্মৃতি স্তম্ভ ও এর আশপাশে দাহ্য পদার্থ ছিটিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে স্মৃতি স্তম্ভের নিচের অংশের কিছু অংশ পুড়ে যায়। ভিডিওতে উপস্থিত একজনকে বলতে শোনা যায়, ‘স্বাধীন সার্বভৌম এই দেশ থেকে রাজাকারের চিহ্ন মুছে ফেলার জন্য বাংলাদেশ ছাত্রলীগই যথেষ্ট। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু। শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে। নোয়াখালী থেকে রাজাকার বিতাড়িত করার জন্য বাংলাদেশ ছাত্রলীগ প্রস্তুত। এ সময় তারা বিভিন্ন স্লোগান দিতে দিতে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

এ ঘটনায় সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ কামরুল ইসলাম রোববার সকালে বলেন, ‘জুলাই স্মৃতি স্তম্ভে কারা এবং কখন আগুন দিয়েছে, সে বিষয়ে আমাদের কাছে পূর্বে কোনো তথ্য ছিল না। যারা এ অপরাধ করেছে, তারাই একটি ভিডিও ফেসবুকে আপলোড করেছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দেখা গেছে, আগুনের কারণে স্মৃতি স্তম্ভের কিছু অংশ পুড়ে গেছে। ভিডিও ফুটেজ ও সিসিটিভি পর্যবেক্ষণ করে জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ইকনের পড়ালেখার দায়িত্ব নিচ্ছেন শিক্ষামন্ত্রী

জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগান দিয়ে জুলাই স্মৃতি স্তম্ভে আগুন

আপডেট সময় ১০:৩২:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

এবার নোয়াখালীতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত শহীদদের স্মরণে নির্মিত স্মৃতি স্তম্ভে অগ্নি সংযোগ করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনার সাথে জড়িতদের শনাক্তে কাজ শুরু করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। শনিবার (১৩ জুন) ভোরে জেলা শহর মাইজদী জজ আদালত সড়কের উত্তর পাশে অবস্থিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ও মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের স্মৃতি স্তম্ভের মাঝখানে নির্মিত জুলাই স্মৃতি স্তম্ভে এ ঘটনা ঘটে।

তবে দিনের বেলায় বিষয়টি কারও নজরে না আসায় ঘটনাটি জানাজানি হয়নি। পরে শনিবার সন্ধ্যার দিকে স্মৃতি স্তম্ভে অগ্নিসংযোগের ২৫ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। এরপর পুলিশ ঘটনাটি তদন্তে তৎপর হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, একদল তরুণ স্মৃতি স্তম্ভ ও এর আশপাশে দাহ্য পদার্থ ছিটিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে স্মৃতি স্তম্ভের নিচের অংশের কিছু অংশ পুড়ে যায়। ভিডিওতে উপস্থিত একজনকে বলতে শোনা যায়, ‘স্বাধীন সার্বভৌম এই দেশ থেকে রাজাকারের চিহ্ন মুছে ফেলার জন্য বাংলাদেশ ছাত্রলীগই যথেষ্ট। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু। শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে। নোয়াখালী থেকে রাজাকার বিতাড়িত করার জন্য বাংলাদেশ ছাত্রলীগ প্রস্তুত। এ সময় তারা বিভিন্ন স্লোগান দিতে দিতে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

এ ঘটনায় সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ কামরুল ইসলাম রোববার সকালে বলেন, ‘জুলাই স্মৃতি স্তম্ভে কারা এবং কখন আগুন দিয়েছে, সে বিষয়ে আমাদের কাছে পূর্বে কোনো তথ্য ছিল না। যারা এ অপরাধ করেছে, তারাই একটি ভিডিও ফেসবুকে আপলোড করেছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দেখা গেছে, আগুনের কারণে স্মৃতি স্তম্ভের কিছু অংশ পুড়ে গেছে। ভিডিও ফুটেজ ও সিসিটিভি পর্যবেক্ষণ করে জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।