ঢাকা , রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সরকারকে আর সহযোগিতা করতে পারছি না, ঢাকা থেকে বৃহত্তর কর্মসূচির ডাক: নাহিদ ইসলাম তুরস্ক সফর শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাপ্রধান রোববার বঙ্গভবন ছাড়ছেন মো. সাহাবুদ্দিন, চিকিৎসার জন্য শিগ্‌গির বিদেশে যাবেন গোপনে কারামুক্ত হলেন তৌহিদ আফ্রিদি অস্ত্র কেড়ে নিয়ে দুই ইসরায়েলি সেনাকে হত্যা করলো এক ফিলিস্তিনি শাহজালাল বিমানবন্দরে আবারও আগুন, ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিস সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে সিরাজগঞ্জে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের ৬ নেতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা ঢাকার জন্য ডাক আসবে, ঘরে ঘরে লড়াইয়ের দুর্গ গড়তে হবে: জামায়াতের আমির শফিকুর-নাহিদ-মামুনুল এক হলে সরকারের পতন অনিবার্য: কর্নেল অলি জার্মানি, ব্রাজিল, আর্জেন্টিনাকে হারানোর মানসিকতা ছড়িয়ে দিতে চান বাংলাদেশের কোচ

দিল্লি বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ডা. জাহেদকে

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:৪০:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
  • ১৪৬ বার পড়া হয়েছে

 

ভারত সফরে গেলে দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানকে রোববার আটকে দেয় ভারতীয় ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ। তার নাম ‘নজরদারি তালিকায় ’(ওয়াচলিস্ট) থাকায় তাকে অতিরিক্ত যাচাইয়ের জন্য থামানো হয়। পরে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে তাকে ভারতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়। তবে ইতোমধ্যে ইমিগ্রেশনের ‘তিক্ত অভিজ্ঞতার’ কারণে সফর বাতিল করে দেশে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।

 

রোববার ভারতীয় সংবাদমাধ্যম নিউজ১৮-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে বলা হয়, একটি সরকারি বৈঠকে অংশ নিতে প্রতিনিধিদলের সদস্য হিসেবে ভারতে পৌঁছানোর পর নিয়মিত ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়ার সময় জাহেদ উর রহমানের নাম নিরাপত্তাসংক্রান্ত একটি নজরদারি তালিকায় (ওয়াচলিস্ট) শনাক্ত হয়। এর পরপরই তাকে অতিরিক্ত যাচাইয়ের জন্য বিমানবন্দরে আটকে রাখা হয়।

 

সূত্র জানিয়েছে, ঘটনাটি মূলত প্রশাসনিক জটিলতা ও তথ্য হালনাগাদ না হওয়ার কারণে ঘটেছে। জাহেদ উর রহমানের নাম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট একটি কালোতালিকা (ব্ল্যাকলিস্ট) থেকে আগেই অপসারণ করা হয়েছিল। তবে সেই তথ্য অভিবাসন বিভাগের ওয়াচলিস্টে যথাসময়ে হালনাগাদ না হওয়ায় তার নাম সেখানে থেকে যায়। ফলে দিল্লি বিমানবন্দরে প্রবেশের সময় স্বয়ংক্রিয় নিরাপত্তা সতর্কবার্তা জারি হয় এবং তাকে আলাদা করে জিজ্ঞাসাবাদ ও যাচাইয়ের মুখোমুখি হতে হয়।

 

ঘটনার বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ভারত বা বাংলাদেশের কোনো কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেয়নি। তবে তার নাম কী কারণে ওই ওয়াচলিস্টে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল এবং তা কেন এখনো অভিবাসন বিভাগের নথিতে সক্রিয় ছিল, সে বিষয়ে এখনো স্পষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারকে আর সহযোগিতা করতে পারছি না, ঢাকা থেকে বৃহত্তর কর্মসূচির ডাক: নাহিদ ইসলাম

দিল্লি বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ডা. জাহেদকে

আপডেট সময় ০১:৪০:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

 

ভারত সফরে গেলে দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানকে রোববার আটকে দেয় ভারতীয় ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ। তার নাম ‘নজরদারি তালিকায় ’(ওয়াচলিস্ট) থাকায় তাকে অতিরিক্ত যাচাইয়ের জন্য থামানো হয়। পরে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে তাকে ভারতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়। তবে ইতোমধ্যে ইমিগ্রেশনের ‘তিক্ত অভিজ্ঞতার’ কারণে সফর বাতিল করে দেশে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।

 

রোববার ভারতীয় সংবাদমাধ্যম নিউজ১৮-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে বলা হয়, একটি সরকারি বৈঠকে অংশ নিতে প্রতিনিধিদলের সদস্য হিসেবে ভারতে পৌঁছানোর পর নিয়মিত ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়ার সময় জাহেদ উর রহমানের নাম নিরাপত্তাসংক্রান্ত একটি নজরদারি তালিকায় (ওয়াচলিস্ট) শনাক্ত হয়। এর পরপরই তাকে অতিরিক্ত যাচাইয়ের জন্য বিমানবন্দরে আটকে রাখা হয়।

 

সূত্র জানিয়েছে, ঘটনাটি মূলত প্রশাসনিক জটিলতা ও তথ্য হালনাগাদ না হওয়ার কারণে ঘটেছে। জাহেদ উর রহমানের নাম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট একটি কালোতালিকা (ব্ল্যাকলিস্ট) থেকে আগেই অপসারণ করা হয়েছিল। তবে সেই তথ্য অভিবাসন বিভাগের ওয়াচলিস্টে যথাসময়ে হালনাগাদ না হওয়ায় তার নাম সেখানে থেকে যায়। ফলে দিল্লি বিমানবন্দরে প্রবেশের সময় স্বয়ংক্রিয় নিরাপত্তা সতর্কবার্তা জারি হয় এবং তাকে আলাদা করে জিজ্ঞাসাবাদ ও যাচাইয়ের মুখোমুখি হতে হয়।

 

ঘটনার বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ভারত বা বাংলাদেশের কোনো কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেয়নি। তবে তার নাম কী কারণে ওই ওয়াচলিস্টে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল এবং তা কেন এখনো অভিবাসন বিভাগের নথিতে সক্রিয় ছিল, সে বিষয়ে এখনো স্পষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।