ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও বৈশ্বিক পর্যায়ে সহযোগিতা জোরদারে আগ্রহী বাংলাদেশ-রাশিয়া বিশ্বকাপে অতিরিক্ত ফাউলের অভিনয় করলেই দেখতে হবে হলুদ কার্ড! ইসরায়েলে হামলার সময় ইরানের কোনও ক্ষেপণাস্ত্রই ঠেকায়নি যুক্তরাষ্ট্র এবার ইরানে হামলা করলে ইসরায়েলকে একা লড়তে হবে: ট্রাম্প বাধ্য হয়ে সীমান্ত থেকে আরও ২১ জনকে ফেরত নিল বিএসএফ যুক্তরাজ্যে পাচার হওয়া ২৫ মিলিয়ন ডলারের সম্পদ জব্দ, শিগগিরই দেশে আনা হবে: গভর্নর ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর বাগযুদ্ধকে ‘প্রেমিক-প্রেমিকার ঝগড়া’ বললেন ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত আমার কথা বলে তাহেরী হুজুর আলোচনায় থাকতে চান: সামান্তা ভারতের ওপর খুশি নয় বিএনপি সরকার আর কোনো যুদ্ধ চান না ট্রাম্প, নেতানিয়াহুকে সতর্কবার্তা

‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ নির্মাণে ব্যয় ১১১ কোটি টাকা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৬:৩২:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই ২০২৫
  • ৬২১ বার পড়া হয়েছে

এবার জুলাই-আগস্টে সংঘটিত ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের স্মরণে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনকে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে’ রূপান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। এটি রূপান্তরে ব্যয় ধরা হয়েছে ১১১ কোটি ১৯ লাখ ৮১ হাজার টাকা। মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কমিটির সভায় এই অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জানা গেছে, ২০২৪ সালের ২৪ ডিসেম্বর উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন ‘গণভবন’কে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ হিসেবে রূপান্তরের সিদ্ধান্ত হয়। এই জাদুঘরে ২০২৪ সালের জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানের বিভিন্ন স্মৃতিচিহ্ন, শহিদদের স্মারক এবং বিগত ১৬ বছরের নিপীড়নের দলিল-চিত্র সংরক্ষণের পরিকল্পনা রয়েছে।

তবে উন্মুক্ত দরপত্র প্রক্রিয়ায় নির্মাণ কাজ শুরু করলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে (৫ আগস্ট ২০২৫) কাজ শেষ করা সম্ভব হবে না বলে মত দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ফলে ‘রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজন’ দেখিয়ে পিপিএ ২০০৬-এর ধারা ৬৮ ও পিপিআর ২০০৮-এর বিধি ৭৬ (২) অনুযায়ী সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে কাজ বাস্তবায়নের নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

প্রথম প্রকল্প: ইলেকট্রিক্যাল/মেকানিক্যাল অংশ: এই অংশে নির্মাণ ও সংস্কার কাজ বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে মেসার্স শুভ্রা ট্রেডার্সকে। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪০ কোটি ৮২ লাখ ৮৬ হাজার টাকা।

দ্বিতীয় প্রকল্প: সিভিল অংশ: সংশ্লিষ্ট নির্মাণ কাজ বাস্তবায়নের দায়িত্ব পাচ্ছে দি সিভিল ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড। এই প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ৭০ কোটি ৩৬ লাখ ৯৫ হাজার টাকা।

এই দুই প্রকল্পেই সরাসরি ক্রয় পদ্ধতির মাধ্যমে দ্রুত বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে আগামী ৫ আগস্ট ২০২৫-এ প্রধান উপদেষ্টা স্মৃতি জাদুঘরটি উদ্বোধন করতে পারেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও বৈশ্বিক পর্যায়ে সহযোগিতা জোরদারে আগ্রহী বাংলাদেশ-রাশিয়া

‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ নির্মাণে ব্যয় ১১১ কোটি টাকা

আপডেট সময় ০৬:৩২:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই ২০২৫

এবার জুলাই-আগস্টে সংঘটিত ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের স্মরণে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনকে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে’ রূপান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। এটি রূপান্তরে ব্যয় ধরা হয়েছে ১১১ কোটি ১৯ লাখ ৮১ হাজার টাকা। মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কমিটির সভায় এই অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জানা গেছে, ২০২৪ সালের ২৪ ডিসেম্বর উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন ‘গণভবন’কে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ হিসেবে রূপান্তরের সিদ্ধান্ত হয়। এই জাদুঘরে ২০২৪ সালের জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানের বিভিন্ন স্মৃতিচিহ্ন, শহিদদের স্মারক এবং বিগত ১৬ বছরের নিপীড়নের দলিল-চিত্র সংরক্ষণের পরিকল্পনা রয়েছে।

তবে উন্মুক্ত দরপত্র প্রক্রিয়ায় নির্মাণ কাজ শুরু করলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে (৫ আগস্ট ২০২৫) কাজ শেষ করা সম্ভব হবে না বলে মত দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ফলে ‘রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজন’ দেখিয়ে পিপিএ ২০০৬-এর ধারা ৬৮ ও পিপিআর ২০০৮-এর বিধি ৭৬ (২) অনুযায়ী সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে কাজ বাস্তবায়নের নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

প্রথম প্রকল্প: ইলেকট্রিক্যাল/মেকানিক্যাল অংশ: এই অংশে নির্মাণ ও সংস্কার কাজ বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে মেসার্স শুভ্রা ট্রেডার্সকে। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪০ কোটি ৮২ লাখ ৮৬ হাজার টাকা।

দ্বিতীয় প্রকল্প: সিভিল অংশ: সংশ্লিষ্ট নির্মাণ কাজ বাস্তবায়নের দায়িত্ব পাচ্ছে দি সিভিল ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড। এই প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ৭০ কোটি ৩৬ লাখ ৯৫ হাজার টাকা।

এই দুই প্রকল্পেই সরাসরি ক্রয় পদ্ধতির মাধ্যমে দ্রুত বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে আগামী ৫ আগস্ট ২০২৫-এ প্রধান উপদেষ্টা স্মৃতি জাদুঘরটি উদ্বোধন করতে পারেন।