ঢাকা , শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
গ্যাস ও বিদ্যুতের বর্তমান সংকটের জন্য বিগত সরকার দায়ী: ডিএসসিসি প্রশাসক নো গ্যাস নো বিল, নো সার্ভিস নো ট্যাক্স: রুমিন ফারহানা ছয় দফা না মানলে সরকার পতনে এক দফা: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী কানাডায় ২ শিশুকে ৯ মাস যৌন নিপীড়ন, প্রবাসী আর্ট শিক্ষক গ্রেপ্তার জাতিসংঘে ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে বিএনপি নায়ক হতে পারতো, কিন্তু ভিলেনে পরিণত হয়েছে: তাজুল ইসলাম জাতিসংঘে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতি তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ফিলিস্তিনে ধ্বংসস্তূপ থেকে একই পরিবারের ৫৫ লাশ উদ্ধার ‘আমি চলে গেলে কেউ আমার নাম দেবে না’, তাই সবকিছুতে নিজের নাম দিচ্ছেন ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে আকস্মিক হামলা চালাতে পারে ইরান

হাত মেলাতে এসেছিল পাকিস্তান দল, মুখের ওপর দরজা বন্ধ করেদিল অহংকারী ভারত

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:০৮:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৪৩৩ বার পড়া হয়েছে

এবার এশিয়া কাপের মঞ্চে আবারও বাড়ল ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেটের উত্তাপ। রোববারের গ্রুপ পর্বের ম্যাচে পাকিস্তানের বিপক্ষে বড় জয় পাওয়ার পর ভারতীয় ক্রিকেটাররা কোনো ধরনের হ্যান্ডশেক ছাড়াই সোজা ড্রেসিংরুমে ফিরে যান। পাকিস্তানি খেলোয়াড়রা অপেক্ষা করলেও দরজা বন্ধ করে দেয় ভারতীয়রা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, সুর্যকুমার যাদব আর শিভম দুবে মাঠ ছাড়ার পর ভারতীয় ড্রেসিংরুমের দরজা বন্ধ হয়ে যায় এবং পাকিস্তান দল হ্যান্ডশেকের সুযোগই পায়নি।

এর আগে টসের সময়ও একই রকম অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। ম্যাচ শেষে পাকিস্তান অধিনায়ক সালমান আলি আগা সতীর্থদের নিয়ে হ্যান্ডশেকের জন্য ভারতীয়দের দিকে এগিয়েও কোনো সাড়া পাননি। ভারতের এই অবস্থান কেবল মাঠের প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সীমাবদ্ধ নয়। এপ্রিল মাসে পেহেলগামে ভয়াবহ জঙ্গি হামলা এবং মে মাসে ভারতীয় সেনাদের ‘অপারেশন সিন্দুর’-এর পর থেকেই দুই দেশের সম্পর্ক আরও উত্তপ্ত। সেই আবহেই এশিয়া কাপের ম্যাচকে ঘিরে বয়কটের দাবিও উঠেছিল। তবে ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হলেও ভারতীয় দলের ‘নো-হ্যান্ডশেক’ সিদ্ধান্ত আসলে এক প্রকার বার্তা হিসেবেই ধরা হচ্ছে।

ম্যাচ শেষে অধিনায়ক সুর্যকুমার যাদব বলেন, ‘আমরা দলীয়ভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। খেলতে এসেছিলাম, জবাবও দিয়েছি। কিছু বিষয় খেলোয়াড়সুলভ আচরণের ঊর্ধ্বে। এই জয় আমরা উৎসর্গ করছি আমাদের সেনাদের, যারা অপারেশন সিঁদুরে অংশ নিয়েছিলেন এবং পেহেলগামের শহীদদের পরিবারের প্রতি।’

খেলা প্রসঙ্গে বলতে গেলে, টস জিতে ব্যাটিং নেওয়া পাকিস্তান নির্ধারিত ২০ ওভারে করতে পারে মাত্র ১২৭ রান। ভারতের স্পিন আক্রমণের সামনে ব্যর্থ হয় তাদের ব্যাটাররা। কুলদীপ যাদব নেন তিন উইকেট, অক্ষর প্যাটেল দুইটি আর বরুণ চক্রবর্তী একটি উইকেট নেন। জবাবে ভারতের ওপেনার অভিষেক শর্মা ঝড়ো ১৩ বলে ৩১ রান করেন। শেষ পর্যন্ত সুর্যকুমারের অপরাজিত ৪৭ রানের ইনিংসে ২৫ বল হাতে রেখেই জয় তুলে নেয় ভারত। টানা দ্বিতীয় জয় পেয়ে সুপার ফোর পর্বে প্রায় নিশ্চিতভাবেই পৌঁছে গেছে বর্তমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

গ্যাস ও বিদ্যুতের বর্তমান সংকটের জন্য বিগত সরকার দায়ী: ডিএসসিসি প্রশাসক

হাত মেলাতে এসেছিল পাকিস্তান দল, মুখের ওপর দরজা বন্ধ করেদিল অহংকারী ভারত

আপডেট সময় ১১:০৮:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

এবার এশিয়া কাপের মঞ্চে আবারও বাড়ল ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেটের উত্তাপ। রোববারের গ্রুপ পর্বের ম্যাচে পাকিস্তানের বিপক্ষে বড় জয় পাওয়ার পর ভারতীয় ক্রিকেটাররা কোনো ধরনের হ্যান্ডশেক ছাড়াই সোজা ড্রেসিংরুমে ফিরে যান। পাকিস্তানি খেলোয়াড়রা অপেক্ষা করলেও দরজা বন্ধ করে দেয় ভারতীয়রা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, সুর্যকুমার যাদব আর শিভম দুবে মাঠ ছাড়ার পর ভারতীয় ড্রেসিংরুমের দরজা বন্ধ হয়ে যায় এবং পাকিস্তান দল হ্যান্ডশেকের সুযোগই পায়নি।

এর আগে টসের সময়ও একই রকম অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। ম্যাচ শেষে পাকিস্তান অধিনায়ক সালমান আলি আগা সতীর্থদের নিয়ে হ্যান্ডশেকের জন্য ভারতীয়দের দিকে এগিয়েও কোনো সাড়া পাননি। ভারতের এই অবস্থান কেবল মাঠের প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সীমাবদ্ধ নয়। এপ্রিল মাসে পেহেলগামে ভয়াবহ জঙ্গি হামলা এবং মে মাসে ভারতীয় সেনাদের ‘অপারেশন সিন্দুর’-এর পর থেকেই দুই দেশের সম্পর্ক আরও উত্তপ্ত। সেই আবহেই এশিয়া কাপের ম্যাচকে ঘিরে বয়কটের দাবিও উঠেছিল। তবে ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হলেও ভারতীয় দলের ‘নো-হ্যান্ডশেক’ সিদ্ধান্ত আসলে এক প্রকার বার্তা হিসেবেই ধরা হচ্ছে।

ম্যাচ শেষে অধিনায়ক সুর্যকুমার যাদব বলেন, ‘আমরা দলীয়ভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। খেলতে এসেছিলাম, জবাবও দিয়েছি। কিছু বিষয় খেলোয়াড়সুলভ আচরণের ঊর্ধ্বে। এই জয় আমরা উৎসর্গ করছি আমাদের সেনাদের, যারা অপারেশন সিঁদুরে অংশ নিয়েছিলেন এবং পেহেলগামের শহীদদের পরিবারের প্রতি।’

খেলা প্রসঙ্গে বলতে গেলে, টস জিতে ব্যাটিং নেওয়া পাকিস্তান নির্ধারিত ২০ ওভারে করতে পারে মাত্র ১২৭ রান। ভারতের স্পিন আক্রমণের সামনে ব্যর্থ হয় তাদের ব্যাটাররা। কুলদীপ যাদব নেন তিন উইকেট, অক্ষর প্যাটেল দুইটি আর বরুণ চক্রবর্তী একটি উইকেট নেন। জবাবে ভারতের ওপেনার অভিষেক শর্মা ঝড়ো ১৩ বলে ৩১ রান করেন। শেষ পর্যন্ত সুর্যকুমারের অপরাজিত ৪৭ রানের ইনিংসে ২৫ বল হাতে রেখেই জয় তুলে নেয় ভারত। টানা দ্বিতীয় জয় পেয়ে সুপার ফোর পর্বে প্রায় নিশ্চিতভাবেই পৌঁছে গেছে বর্তমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।