ঢাকা , শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জামায়াত আমিরের বক্তব্য শরিয়া আইনের প্রতি ধৃষ্টতার শামিল: মাওলানা ইউসুফী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:০৫:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১২৩ বার পড়া হয়েছে

এবার জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সিনিয়র সহ-সভাপতি মাওলানা আবদুর রব ইউসুফী শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে বলেছেন, ইসলামি রাজনীতির মূল লক্ষ্যই হলো ক্ষমতায় গেলে শরিয়া আইন প্রতিষ্ঠা করা। মহানবী হজরত মুহাম্মদ মোস্তফা সাল্লাল্লকহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে আরম্ভ করে খোলাফায়ে রাশেদীন শরিয়া আইনের ভিত্তিতেই রাষ্ট্র পরিচালনা করে গেছেন। পরবর্তী সময়ে অনেক আমির উমারাও রাষ্ট্র পরিচালনায় শরিয়া আইনকেই অনুসরণ করেছেন। ‘ক্ষমতায় গেলে শরিয়া আইন কায়েম করবেন না’ জামায়াতে ইসলামীর আমিরের এমন বক্তব্য শরিয়ার প্রতি ধৃষ্টতার শামিল।

মাওলানা ইউসুফী বলেন, এমনিতেই দেশ বিদেশের আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামাতের শীর্ষ উলামায়ে কেরাম তাদের প্রতিষ্ঠাতার ভ্রান্ত আকিদা ও দৃষ্টিভঙ্গির ব্যাপারে মুসলিম উম্মাহকে সতর্ক করে আসছেন। এরপর বর্তমান আমিরের এমন বক্তব্য ইসলামের নাম নিয়ে জনগণের সাথে প্রতারণায় লিপ্ত রয়েছেন বলেই প্রতীয়মান হয়। জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ জনগণকে এদের ব্যাপারে সদা সর্বদা সতর্ক করে আসছে।

তিনি বলেন, জমিয়ত কোনো সেক্যুলার ব্যক্তি কর্তৃক এমন বক্তব্য হলে যেমন কঠোরভাবে প্রতিবাদ জানায়, তেমনি ইসলামের পরিচয় বহনকারী কোনো দল বা ব্যক্তি এ ধরনের বক্তব্য দিলে দেশবাসীকে সতর্ক করার অধিকতর প্রয়োজন বোধ করে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

জামায়াত আমিরের বক্তব্য শরিয়া আইনের প্রতি ধৃষ্টতার শামিল: মাওলানা ইউসুফী

আপডেট সময় ০৩:০৫:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

এবার জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সিনিয়র সহ-সভাপতি মাওলানা আবদুর রব ইউসুফী শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে বলেছেন, ইসলামি রাজনীতির মূল লক্ষ্যই হলো ক্ষমতায় গেলে শরিয়া আইন প্রতিষ্ঠা করা। মহানবী হজরত মুহাম্মদ মোস্তফা সাল্লাল্লকহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে আরম্ভ করে খোলাফায়ে রাশেদীন শরিয়া আইনের ভিত্তিতেই রাষ্ট্র পরিচালনা করে গেছেন। পরবর্তী সময়ে অনেক আমির উমারাও রাষ্ট্র পরিচালনায় শরিয়া আইনকেই অনুসরণ করেছেন। ‘ক্ষমতায় গেলে শরিয়া আইন কায়েম করবেন না’ জামায়াতে ইসলামীর আমিরের এমন বক্তব্য শরিয়ার প্রতি ধৃষ্টতার শামিল।

মাওলানা ইউসুফী বলেন, এমনিতেই দেশ বিদেশের আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামাতের শীর্ষ উলামায়ে কেরাম তাদের প্রতিষ্ঠাতার ভ্রান্ত আকিদা ও দৃষ্টিভঙ্গির ব্যাপারে মুসলিম উম্মাহকে সতর্ক করে আসছেন। এরপর বর্তমান আমিরের এমন বক্তব্য ইসলামের নাম নিয়ে জনগণের সাথে প্রতারণায় লিপ্ত রয়েছেন বলেই প্রতীয়মান হয়। জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ জনগণকে এদের ব্যাপারে সদা সর্বদা সতর্ক করে আসছে।

তিনি বলেন, জমিয়ত কোনো সেক্যুলার ব্যক্তি কর্তৃক এমন বক্তব্য হলে যেমন কঠোরভাবে প্রতিবাদ জানায়, তেমনি ইসলামের পরিচয় বহনকারী কোনো দল বা ব্যক্তি এ ধরনের বক্তব্য দিলে দেশবাসীকে সতর্ক করার অধিকতর প্রয়োজন বোধ করে।