ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
দেশে তিন বছরে বন্ধ ৪ শতাধিক গার্মেন্টস কারখানা দেশে প্রধান অপরাধের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেশে প্রধান অপরাধের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গ্যাস সংকটে নরসিংদীতে কাঠ পুড়িয়ে শতাধিক কারখানা সচলের চেষ্টা স্থানীয় নির্বাচনে এককভাবে অংশ নেওয়ার ঘোষণা এনসিপির বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানি বন্ধ করল নেপাল জামালপুরে রাজিব বাস ইস্যুতে এনসিপির মানববন্ধনে হামলা জ্বালানি পরিশোধনের সক্ষমতা বাড়াতে ইস্টার্ন রিফাইনারি সম্প্রসারণে ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার দিচ্ছে আইডিবি এমপি হয়ে প্রথমবার সংসদে নিজ দপ্তরে মির্জা আব্বাস এনআইডিসহ সকল পরিচয়পত্রের পরিবর্তে আসছে ‘এক-আইডি’

ভারতে নয় বাংলাদেশ-পাকিস্তানে গিয়ে নামাজ পড়ুন কেউ কিছু বলবে না: বিজেপির মন্ত্রী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:০৯:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
  • ১৫১ বার পড়া হয়েছে

আগামী ২১ জুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে শনিবার পশ্চিমবঙ্গে আসছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রোববারআন্তর্জাতিক যোগ দিবসেরঅনুষ্ঠানে যোগ দেবেন তিনি। সেই উপলক্ষ্যে রেড রোডের ওই কর্মসূচিতে যোগ দেবেন বহু মানুষ। মোদির পাশাপাশি সেখানে থাকবেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও। যোগ দিবসের এই কর্মসূচির হবে রেড রোডে। এজন্য কলকাতার অন্যতম ব্যস্ততম এই রাস্তা সাত দিনের জন্য বন্ধ রাখা হচ্ছে। ইতোমধ্যেই মঞ্চ নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। সেই কারণে গত রোববার রাত ১০টা থেকে আগামী রবিবার ২১ জুন পর্যন্ত রেড রোডে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে।

এদিকে, রেড রোডে যোগ দিবসের অনুষ্ঠানের অনুমতি দেওয়া হলেও সম্প্রতি ঈদের নামাজ সেখানে আয়োজনের অনুমতি দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ তুলেছেন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের একাংশ। রেড রোডে নামাজে অনুমতি দেয়া না হলে, যোগ দিবসের অনুষ্ঠানের অনুমতি দেয়া হচ্ছে কেন? তাদের দাবি, একই স্থানে এক অনুষ্ঠানের অনুমতি দেওয়া হলে অন্যটির ক্ষেত্রেও সমান সুযোগ থাকা উচিত।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) এ বিষয় নিয়ে রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী এলে তো সব রাস্তায় বন্ধ থাকে, তিনি যেখানেই যাবেন সেখানেই বন্ধ হয়। যেখানে যান চলাচল কম (রেড রোড) সেখানে তার কর্মসূচি করা হয়েছে অন্য কোনো রাস্তায় করলে আরও বেশি সমস্যা হতো।

তবে ঈদের নামাজের জন্য রেড রোড ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়ার প্রসঙ্গে তিনি আরও কঠোর মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ‘উনারা কোনহরিদাসপালযে তাদের জন্য রাস্তা আটকাতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর জন্য রাস্তা আটকানো যায়, মুখ্যমন্ত্রীর জন্য রাস্তা আটকানো যায়, এটা ঠিকই আছে। বছরে উনি (প্রধানমন্ত্রী) একবারই আসছেন। ১০৭ বছর ধরে তো চলেছে, একবার বন্ধ করে দেয়াতে দমবন্ধ হয়ে যাচ্ছে।এ সময় তিনি বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ‘যান বাংলাদেশ, পাকিস্তানে চলে যান, সেখানে গিয়ে নামাজ পড়ুন, কেউ কিছু বলবে না। এখানে এসব কিছু চলবে না। সরকার পাল্টে গেছে। এগুলো বন্ধ করার জন্য লোকে পাল্টেছে। আর এগুলো বন্ধ হবেই।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশে তিন বছরে বন্ধ ৪ শতাধিক গার্মেন্টস কারখানা

ভারতে নয় বাংলাদেশ-পাকিস্তানে গিয়ে নামাজ পড়ুন কেউ কিছু বলবে না: বিজেপির মন্ত্রী

আপডেট সময় ১০:০৯:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

আগামী ২১ জুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে শনিবার পশ্চিমবঙ্গে আসছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রোববারআন্তর্জাতিক যোগ দিবসেরঅনুষ্ঠানে যোগ দেবেন তিনি। সেই উপলক্ষ্যে রেড রোডের ওই কর্মসূচিতে যোগ দেবেন বহু মানুষ। মোদির পাশাপাশি সেখানে থাকবেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও। যোগ দিবসের এই কর্মসূচির হবে রেড রোডে। এজন্য কলকাতার অন্যতম ব্যস্ততম এই রাস্তা সাত দিনের জন্য বন্ধ রাখা হচ্ছে। ইতোমধ্যেই মঞ্চ নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। সেই কারণে গত রোববার রাত ১০টা থেকে আগামী রবিবার ২১ জুন পর্যন্ত রেড রোডে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে।

এদিকে, রেড রোডে যোগ দিবসের অনুষ্ঠানের অনুমতি দেওয়া হলেও সম্প্রতি ঈদের নামাজ সেখানে আয়োজনের অনুমতি দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ তুলেছেন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের একাংশ। রেড রোডে নামাজে অনুমতি দেয়া না হলে, যোগ দিবসের অনুষ্ঠানের অনুমতি দেয়া হচ্ছে কেন? তাদের দাবি, একই স্থানে এক অনুষ্ঠানের অনুমতি দেওয়া হলে অন্যটির ক্ষেত্রেও সমান সুযোগ থাকা উচিত।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) এ বিষয় নিয়ে রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী এলে তো সব রাস্তায় বন্ধ থাকে, তিনি যেখানেই যাবেন সেখানেই বন্ধ হয়। যেখানে যান চলাচল কম (রেড রোড) সেখানে তার কর্মসূচি করা হয়েছে অন্য কোনো রাস্তায় করলে আরও বেশি সমস্যা হতো।

তবে ঈদের নামাজের জন্য রেড রোড ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়ার প্রসঙ্গে তিনি আরও কঠোর মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ‘উনারা কোনহরিদাসপালযে তাদের জন্য রাস্তা আটকাতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর জন্য রাস্তা আটকানো যায়, মুখ্যমন্ত্রীর জন্য রাস্তা আটকানো যায়, এটা ঠিকই আছে। বছরে উনি (প্রধানমন্ত্রী) একবারই আসছেন। ১০৭ বছর ধরে তো চলেছে, একবার বন্ধ করে দেয়াতে দমবন্ধ হয়ে যাচ্ছে।এ সময় তিনি বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ‘যান বাংলাদেশ, পাকিস্তানে চলে যান, সেখানে গিয়ে নামাজ পড়ুন, কেউ কিছু বলবে না। এখানে এসব কিছু চলবে না। সরকার পাল্টে গেছে। এগুলো বন্ধ করার জন্য লোকে পাল্টেছে। আর এগুলো বন্ধ হবেই।