ঢাকা , বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তির ১৪ দফা ‘ফাঁস’, সারাদেশে নিরবিচ্ছিন্ন রেল ব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার আবাসিক হল থেকে ছাত্রের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার, হত্যার অভিযোগে ভাঙচুর চিকিৎসা নিতে অসুস্থ হনুমান নিজেই হাজির প্রাইভেট ক্লিনিকে উপসাগর থেকে তেল পাচারে ইরানের ‘চোরাচালান’ কৌশল ব্যবহার করছে যুক্তরাষ্ট্র এমবাপ্পের জোড়া গোলে জয় দিয়ে বিশ্বকাপ যাত্রা শুরু ফ্রান্সের ইরানের ড্রেসিংরুমে গিয়ে উৎসাহ দিলেন ফিফা প্রধান প্রেমের টানে বাংলাদেশে এসে ‘হুলুস্থুল কাণ্ড’ চীনা যুবকের ‘ইরানের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন ট্রাম্প’,  উদ্বিগ্ন কট্টরপন্থি রিপাবলিকানরা প্রথমার্ধে গোল নেই, সমতায় ফ্রান্স ও সেনেগাল

ইরানের ড্রেসিংরুমে গিয়ে উৎসাহ দিলেন ফিফা প্রধান

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০২:৫০:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
  • ৮ বার পড়া হয়েছে

ড্র করে বিশ্বকাপ শুরু করেছে ইরান। সোমবার (১৫ জুন) যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে ২-২ গোলে সমতায় থেকে মাঠ ছাড়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি। তবে এই মুহূর্তে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের প্রতিনিধিদের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আসার গল্পটি খেলার চেয়েও বড় আকারে একটি রাজনৈতিক রূপ নিয়েছে।

 

ম্যাচ শুরুর আগে স্টেডিয়ামের ঠিক বাইরে বিক্ষোভে শামিল হন ইরানের বংশোদ্ভূত মার্কিনরা। ইরান সরকারের বিরুদ্ধে নানা কথা লেখা পোশাক পরে এসেছিলেন কেউ কেউ। কারও হাতে ইরানের সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান লেখা প্ল্যাকার্ডও ছিল। 

এছাড়া ইরানের জাতীয় সঙ্গীত বাজানোর সময়ও এই দুয়োধ্বনি শোনা যায়। গ্যালারিতে একই সময় ইরানের সাবেক ‘শাহ আমলের’ পতাকা ওড়াতে দেখা গেছে।

ম্যাচ শেষ হওয়ার পরপরই ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো ইরানি খেলোয়াড়দের উৎসাহিত করতে তাদের ড্রেসিংরুমে যান। যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী তিনি খেলোয়াড়দের বলেন, ‘আমি জানি আপনারা কিসের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন, আমি বুঝতে পারছি। কিন্তু আপনারা সবকিছুর চেয়ে শক্তিশালী এবং আপনারা পুরো বিশ্বের কাছে একটি শক্তিশালী বার্তা পাঠাচ্ছেন। আপনাদের অনেক ধন্যবাদ।’

গত সপ্তাহেও ইনফান্তিনো ইরান দলের যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের জটিলতা নিয়ে কথা বলেছিলেন। তখন তিনি বলেছিলেন, ‘তাদের নিয়ে আসার জন্য যদি তেহরান থেকে আমাকে নিজে বাস চালাতে হতো, আমি তা-ই করতাম।’

তবে টুর্নামেন্টের সুযোগ-সুবিধা ও পরিস্থিতি নিয়ে মার্কিন কর্তৃপক্ষ ও ফিফার সমালোচনা করেছেন ইরানের মিডফিল্ডার মোহাম্মদ মোহেবি। তিনি বলেন, ‘আমরা মেক্সিকো থেকে ম্যাচ শুরুর দিন সকালে যুক্তরাষ্ট্রে এসে পৌঁছেছি, কারণ আমাদের এখানে দীর্ঘ সময় থাকার অনুমতি নেই। এখন আমাদের আবার চলে যেতে হবে, ঠিক দুইদিন পর আবার এখানে ফিরে আসার জন্য। আমাদের সঙ্গে মোটেও ন্যায্য আচরণ করা হচ্ছে না। কিন্তু আমাদের কিছু করারও নেই।’ 

 

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তির ১৪ দফা ‘ফাঁস’,

ইরানের ড্রেসিংরুমে গিয়ে উৎসাহ দিলেন ফিফা প্রধান

আপডেট সময় ০২:৫০:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

ড্র করে বিশ্বকাপ শুরু করেছে ইরান। সোমবার (১৫ জুন) যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে ২-২ গোলে সমতায় থেকে মাঠ ছাড়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি। তবে এই মুহূর্তে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের প্রতিনিধিদের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আসার গল্পটি খেলার চেয়েও বড় আকারে একটি রাজনৈতিক রূপ নিয়েছে।

 

ম্যাচ শুরুর আগে স্টেডিয়ামের ঠিক বাইরে বিক্ষোভে শামিল হন ইরানের বংশোদ্ভূত মার্কিনরা। ইরান সরকারের বিরুদ্ধে নানা কথা লেখা পোশাক পরে এসেছিলেন কেউ কেউ। কারও হাতে ইরানের সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান লেখা প্ল্যাকার্ডও ছিল। 

এছাড়া ইরানের জাতীয় সঙ্গীত বাজানোর সময়ও এই দুয়োধ্বনি শোনা যায়। গ্যালারিতে একই সময় ইরানের সাবেক ‘শাহ আমলের’ পতাকা ওড়াতে দেখা গেছে।

ম্যাচ শেষ হওয়ার পরপরই ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো ইরানি খেলোয়াড়দের উৎসাহিত করতে তাদের ড্রেসিংরুমে যান। যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী তিনি খেলোয়াড়দের বলেন, ‘আমি জানি আপনারা কিসের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন, আমি বুঝতে পারছি। কিন্তু আপনারা সবকিছুর চেয়ে শক্তিশালী এবং আপনারা পুরো বিশ্বের কাছে একটি শক্তিশালী বার্তা পাঠাচ্ছেন। আপনাদের অনেক ধন্যবাদ।’

গত সপ্তাহেও ইনফান্তিনো ইরান দলের যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের জটিলতা নিয়ে কথা বলেছিলেন। তখন তিনি বলেছিলেন, ‘তাদের নিয়ে আসার জন্য যদি তেহরান থেকে আমাকে নিজে বাস চালাতে হতো, আমি তা-ই করতাম।’

তবে টুর্নামেন্টের সুযোগ-সুবিধা ও পরিস্থিতি নিয়ে মার্কিন কর্তৃপক্ষ ও ফিফার সমালোচনা করেছেন ইরানের মিডফিল্ডার মোহাম্মদ মোহেবি। তিনি বলেন, ‘আমরা মেক্সিকো থেকে ম্যাচ শুরুর দিন সকালে যুক্তরাষ্ট্রে এসে পৌঁছেছি, কারণ আমাদের এখানে দীর্ঘ সময় থাকার অনুমতি নেই। এখন আমাদের আবার চলে যেতে হবে, ঠিক দুইদিন পর আবার এখানে ফিরে আসার জন্য। আমাদের সঙ্গে মোটেও ন্যায্য আচরণ করা হচ্ছে না। কিন্তু আমাদের কিছু করারও নেই।’