ঢাকা , শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
গরীব মানুষের জন্য আদ্-দ্বীন একটা ভরসার জায়গা: ডা. মাহমুদা মিতু ইরানের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত হামলা বাতিল করলেন ট্রাম্প বিশ্বকাপে বাঁশি বাজাতে না পারলেও সুপার কাপে বড় দায়িত্ব পেলেন সোমালি রেফারি ইতিহাসে প্রথম ফিফা বিশ্বকাপে খেলবে রেকর্ড ১৩টি মুসলিম দেশ যে বিশ্বকাপ বদলে দিয়েছিল ফুটবলের ইতিহাস কিছুক্ষণ পর শুরু হবে বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান রাতভর অভিযানে কটিয়াদীতে কৃষক লীগ-ছাত্রলীগসহ ৪ নেতা আটক আদ্‌-দ্বীনের লাইসেন্স বাতিল ইস্যুতে জামায়াত আমিরের স্ট্যাটাস বিয়ের উপহার হিসেবে বর পেলেন ব্রাজিলের জার্সি, কনে আর্জেন্টিনার ঐতিহাসিক সিরিজ জয়ের রাতেই হাসপাতালে মিরাজ

সৌদিতে যুদ্ধবিমান-আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা-সেনা মোতায়েন করল পাকিস্তান

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৩৫:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬
  • ৪২ বার পড়া হয়েছে

 

পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তির মাধ্যমে সৌদি আরবে আট হাজার সেনা, এক স্কোয়াড্রন যুদ্ধবিমান এবং একটি আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা মোতায়েন করেছে পাকিস্তান। এর আগে ইরান সংঘাতে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে সৌদি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করার পরও দেশটির সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা জোরদার করল পাকিস্তান।

রিয়াদের সঙ্গে ইসলামাবাদের প্রতিরক্ষা চুক্তির মাধ্যমে এসব নিরাপত্তা সরঞ্জাম মোতায়েনের বিষয় এবারই প্রথম সামনে এল। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ তথ্য নিশ্চিত করেছে তিনজন নিরাপত্তা কর্মকর্তা এবং দুটি সরকারি সূত্র।

 

 

তারা রিয়াদ ও ইসলামাবাদের এ চুক্তিকে একটি বড় ও যুদ্ধ-প্রস্তুত বাহিনী হিসেবে অভিহত করেছে, যার লক্ষ্য সৌদি যেন ফের কোনো হামলার শিকার হলে দেশটির সামরিক বাহিনীকে সহায়তা করা। তবে এ বিষয়ে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং সৌদির সরকারি গণমাধ্যম শাখাসহ কেউ কোনো মন্তব্যে সাড়া দেয়নি।

 

এর আগে ২০২৫ সালে স্বাক্ষরিত এ প্রতিরক্ষা চুক্তির সব শর্তাবলি গোপন রাখা হয়। কিন্তু উভয় পক্ষ থেকেই জানানো হয়, কোনো এক পক্ষ আক্রান্ত হলে পাকিস্তান ও সৌদি একে অপরের প্রতিরক্ষায় সহায়তা করতে এগিয়ে আসতে বাধ্য।

 

পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ এর আগে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, এ চুক্তির মাধ্যমে সৌদি পাকিস্তানের পারমাণবিক সুরক্ষার (নিউক্লিয়ার আমব্রেলা) অধীনে এসেছে।

 

এদিকে সূত্র জানিয়েছে, পাকিস্তান প্রায় ১৬টি যুদ্ধবিমানের একটি স্কোয়াড্রন পাঠিয়েছে সৌদিতে। এর অধিকাংশই চীনের সঙ্গে যৌথভাবে তৈরি জেএফ-১৭ ফাইটার। এগুলো গত এপ্রিলের শুরুতে পাঠানো হয় সৌদিতে। আর দু’জন নিরাপত্তা কর্মকর্তা জানিয়েছেন, দুই স্কোয়াড্রন ড্রোনও পাঠিয়েছে পাকিস্তান।

 

সবগুলো সূত্রই জানিয়েছে, এসব মোতায়েনের মধ্যে প্রায় আট হাজার সেনা সদস্য রয়েছেন এবং প্রয়োজনে অধিকতর সেনা পাঠানোর অঙ্গিকার করা হয়েছে। পাশাপাশি একটি চীনা এইচকিউ-৯ আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থাও পাঠানো হয়েছে। সরঞ্জামগুলো পরিচালনা করছেন পাকিস্তানি কর্মীরা এবং এর খরচ বহন করছে সৌদি।

 

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

গরীব মানুষের জন্য আদ্-দ্বীন একটা ভরসার জায়গা: ডা. মাহমুদা মিতু

সৌদিতে যুদ্ধবিমান-আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা-সেনা মোতায়েন করল পাকিস্তান

আপডেট সময় ১০:৩৫:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

 

পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তির মাধ্যমে সৌদি আরবে আট হাজার সেনা, এক স্কোয়াড্রন যুদ্ধবিমান এবং একটি আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা মোতায়েন করেছে পাকিস্তান। এর আগে ইরান সংঘাতে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে সৌদি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করার পরও দেশটির সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা জোরদার করল পাকিস্তান।

রিয়াদের সঙ্গে ইসলামাবাদের প্রতিরক্ষা চুক্তির মাধ্যমে এসব নিরাপত্তা সরঞ্জাম মোতায়েনের বিষয় এবারই প্রথম সামনে এল। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ তথ্য নিশ্চিত করেছে তিনজন নিরাপত্তা কর্মকর্তা এবং দুটি সরকারি সূত্র।

 

 

তারা রিয়াদ ও ইসলামাবাদের এ চুক্তিকে একটি বড় ও যুদ্ধ-প্রস্তুত বাহিনী হিসেবে অভিহত করেছে, যার লক্ষ্য সৌদি যেন ফের কোনো হামলার শিকার হলে দেশটির সামরিক বাহিনীকে সহায়তা করা। তবে এ বিষয়ে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং সৌদির সরকারি গণমাধ্যম শাখাসহ কেউ কোনো মন্তব্যে সাড়া দেয়নি।

 

এর আগে ২০২৫ সালে স্বাক্ষরিত এ প্রতিরক্ষা চুক্তির সব শর্তাবলি গোপন রাখা হয়। কিন্তু উভয় পক্ষ থেকেই জানানো হয়, কোনো এক পক্ষ আক্রান্ত হলে পাকিস্তান ও সৌদি একে অপরের প্রতিরক্ষায় সহায়তা করতে এগিয়ে আসতে বাধ্য।

 

পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ এর আগে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, এ চুক্তির মাধ্যমে সৌদি পাকিস্তানের পারমাণবিক সুরক্ষার (নিউক্লিয়ার আমব্রেলা) অধীনে এসেছে।

 

এদিকে সূত্র জানিয়েছে, পাকিস্তান প্রায় ১৬টি যুদ্ধবিমানের একটি স্কোয়াড্রন পাঠিয়েছে সৌদিতে। এর অধিকাংশই চীনের সঙ্গে যৌথভাবে তৈরি জেএফ-১৭ ফাইটার। এগুলো গত এপ্রিলের শুরুতে পাঠানো হয় সৌদিতে। আর দু’জন নিরাপত্তা কর্মকর্তা জানিয়েছেন, দুই স্কোয়াড্রন ড্রোনও পাঠিয়েছে পাকিস্তান।

 

সবগুলো সূত্রই জানিয়েছে, এসব মোতায়েনের মধ্যে প্রায় আট হাজার সেনা সদস্য রয়েছেন এবং প্রয়োজনে অধিকতর সেনা পাঠানোর অঙ্গিকার করা হয়েছে। পাশাপাশি একটি চীনা এইচকিউ-৯ আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থাও পাঠানো হয়েছে। সরঞ্জামগুলো পরিচালনা করছেন পাকিস্তানি কর্মীরা এবং এর খরচ বহন করছে সৌদি।