ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বিছানায় মুক্তিপণের চিঠি, ময়লার ভাগাড়ে মিলল শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ মোদিকে দেখতে অত্যন্ত ভদ্র মনে হলেও বাস্তবে তিনি ‘টোটাল কিলার’: ট্রাম্প সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য স্মার্টফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ করল আফগানিস্তান প্রতিবেশীদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র থাকলে, ইরানের কাছে না থাকা অন্যায্য: ট্রাম্প সন্ধ্যার মধ্যে ঢাকাসহ ১৫ জেলায় বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা সত্যটা মেনে নেওয়ার সময় এসেছে, মেসিই সর্বকালের সেরা: রোনালদো রাতারাতি বদলে গেল নিরাপত্তা ব্যবস্থা, মমতার বাড়ি থেকে সরিয়ে নেয়া হলো পুলিশি নিরাপত্তা নতুন করে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে ঢাকার ১২০ মোড়ে এআই ক্যামেরা মেসিকে ব্রাজিল দলে সাইন করাতে চান ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট হ্যাটট্রিকের রাতেই ২০৩০ বিশ্বকাপ নিয়ে সিদ্ধান্ত জানালেন মেসি

ইরানের জব্দ করা অর্থ ফেরত দেবে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:০৬:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

এবার ইরানের জব্দ করা অর্থ যুক্তরাষ্ট্রকে ফেরত দিতে হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার ভাষ্য, ওই অর্থ যুক্তরাষ্ট্রের নয়, বরং ইরানের। তার মতে, ইরানের অর্থ ফেরত না দিলে ডলারে কেউ বিনিয়োগ করবে না। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, ইরান চুক্তির শর্ত মেনে চললে দেশটির পুনর্গঠন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে বড় অঙ্কের বিনিয়োগের পথও খুলে যেতে পারে।

বুধবার (১৭ জুন) জি৭ সম্মেলন শেষে ফ্রান্সে এক সংবাদ সম্মেলনে ডোনাল্ড ট্রাম্প এ কথা বলেন। খবর আনাদোলুর। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিপুল পরিমাণ অর্থ জব্দ করে রেখেছে এবং তা শেষ পর্যন্ত ফেরত দিতে হবে। ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা তাদের অনেক অর্থ নিয়েছি এবং সেই অর্থ আমাদের কাছে রয়েছে।তিনি বলেন, ‘এটা আমাদের অর্থ নয়, এটা তাদের অর্থ। আমরা একসময় এটি জব্দ করেছিলাম। আমার মনে হয়, আমাদের তা ফেরত দিতেই হবে। কারণ যদি আমরা তা ফেরত না দিই, তাহলে কেউ আর কখনোই ডলারে বিনিয়োগ করবে না।

ইলেকট্রনিকভাবে সই হয়। এতে সব ফ্রন্টে সামরিক অভিযান বন্ধ করা, হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া এবং নিষেধাজ্ঞা শিথিলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার পথ তৈরি করা হয়েছে। চুক্তি স্বাক্ষরের আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠান শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে হওয়ার কথা রয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী, আঞ্চলিক অংশীদারদের সহযোগিতায় ইরানের পুনর্গঠন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য অন্তত ৩০০ বিলিয়ন ডলারের একটি পরিকল্পনা তৈরি করবে যুক্তরাষ্ট্র। তবে এ অর্থ সরাসরি যুক্তরাষ্ট্র দেবে না বলে স্পষ্ট করেছেন ট্রাম্প।

তিনি বলেন, ‘আমরা কোনও অর্থ দিচ্ছি না। তারা সঠিকভাবে আচরণ করলেই কেবল এটি সম্ভব হবে। তারা যদি ঠিকভাবে চলে এবং কেউ বিনিয়োগ করতে চায়, তাহলে বিনিয়োগ করতে পারবে। এই ৩০০ বিলিয়ন ডলারের তহবিলও সেই শর্তের সঙ্গে সম্পর্কিত। সবকিছু নির্ভর করবে তারা কী করছে তার ওপর।ট্রাম্প আরও বলেন, ‘আরেকটি বিষয় মনে রাখতে হবেযখন আপনারা বিলিয়ন ডলারের কথা বলেন, তখন মনে রাখতে হবে তাদের এক ট্রিলিয়ন ডলারেরও বেশি ক্ষতি হয়েছে।ইরানের ওপর সম্ভাব্য নিষেধাজ্ঞা শিথিলের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘তারা সঠিক আচরণ শুরু করলেই কিছু না কিছু ঘটবে।

যুক্তরাষ্ট্র প্রকাশিত ১৪ দফা সমঝোতা স্মারকে বলা হয়েছে, চূড়ান্ত চুক্তির অংশ হিসেবে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী ইরানের বিরুদ্ধে সব ধরনের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেবে ওয়াশিংটন। এর মধ্যে রয়েছে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব, আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) বোর্ড অব গভর্নরসের সিদ্ধান্ত এবং যুক্তরাষ্ট্রের একতরফা আরোপিত সব ধরনের প্রাথমিক ও গৌণ নিষেধাজ্ঞা।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বিছানায় মুক্তিপণের চিঠি, ময়লার ভাগাড়ে মিলল শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ

ইরানের জব্দ করা অর্থ ফেরত দেবে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প

আপডেট সময় ১০:০৬:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

এবার ইরানের জব্দ করা অর্থ যুক্তরাষ্ট্রকে ফেরত দিতে হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার ভাষ্য, ওই অর্থ যুক্তরাষ্ট্রের নয়, বরং ইরানের। তার মতে, ইরানের অর্থ ফেরত না দিলে ডলারে কেউ বিনিয়োগ করবে না। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, ইরান চুক্তির শর্ত মেনে চললে দেশটির পুনর্গঠন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে বড় অঙ্কের বিনিয়োগের পথও খুলে যেতে পারে।

বুধবার (১৭ জুন) জি৭ সম্মেলন শেষে ফ্রান্সে এক সংবাদ সম্মেলনে ডোনাল্ড ট্রাম্প এ কথা বলেন। খবর আনাদোলুর। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিপুল পরিমাণ অর্থ জব্দ করে রেখেছে এবং তা শেষ পর্যন্ত ফেরত দিতে হবে। ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা তাদের অনেক অর্থ নিয়েছি এবং সেই অর্থ আমাদের কাছে রয়েছে।তিনি বলেন, ‘এটা আমাদের অর্থ নয়, এটা তাদের অর্থ। আমরা একসময় এটি জব্দ করেছিলাম। আমার মনে হয়, আমাদের তা ফেরত দিতেই হবে। কারণ যদি আমরা তা ফেরত না দিই, তাহলে কেউ আর কখনোই ডলারে বিনিয়োগ করবে না।

ইলেকট্রনিকভাবে সই হয়। এতে সব ফ্রন্টে সামরিক অভিযান বন্ধ করা, হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া এবং নিষেধাজ্ঞা শিথিলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার পথ তৈরি করা হয়েছে। চুক্তি স্বাক্ষরের আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠান শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে হওয়ার কথা রয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী, আঞ্চলিক অংশীদারদের সহযোগিতায় ইরানের পুনর্গঠন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য অন্তত ৩০০ বিলিয়ন ডলারের একটি পরিকল্পনা তৈরি করবে যুক্তরাষ্ট্র। তবে এ অর্থ সরাসরি যুক্তরাষ্ট্র দেবে না বলে স্পষ্ট করেছেন ট্রাম্প।

তিনি বলেন, ‘আমরা কোনও অর্থ দিচ্ছি না। তারা সঠিকভাবে আচরণ করলেই কেবল এটি সম্ভব হবে। তারা যদি ঠিকভাবে চলে এবং কেউ বিনিয়োগ করতে চায়, তাহলে বিনিয়োগ করতে পারবে। এই ৩০০ বিলিয়ন ডলারের তহবিলও সেই শর্তের সঙ্গে সম্পর্কিত। সবকিছু নির্ভর করবে তারা কী করছে তার ওপর।ট্রাম্প আরও বলেন, ‘আরেকটি বিষয় মনে রাখতে হবেযখন আপনারা বিলিয়ন ডলারের কথা বলেন, তখন মনে রাখতে হবে তাদের এক ট্রিলিয়ন ডলারেরও বেশি ক্ষতি হয়েছে।ইরানের ওপর সম্ভাব্য নিষেধাজ্ঞা শিথিলের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘তারা সঠিক আচরণ শুরু করলেই কিছু না কিছু ঘটবে।

যুক্তরাষ্ট্র প্রকাশিত ১৪ দফা সমঝোতা স্মারকে বলা হয়েছে, চূড়ান্ত চুক্তির অংশ হিসেবে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী ইরানের বিরুদ্ধে সব ধরনের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেবে ওয়াশিংটন। এর মধ্যে রয়েছে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব, আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) বোর্ড অব গভর্নরসের সিদ্ধান্ত এবং যুক্তরাষ্ট্রের একতরফা আরোপিত সব ধরনের প্রাথমিক ও গৌণ নিষেধাজ্ঞা।